حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " إِذَا حَلَمَ أَحَدُكُمْ فَلاَ يُخْبِرِ النَّاسَ بِتَلَعُّبِ الشَّيْطَانِ بِهِ فِي الْمَنَامِ " .
। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ অপছন্দনীয় স্বপ্ন দেখলে সে যেন ঘুমের মধ্যে তার সাথে শয়তানের খেলা লোকের নিকট ব্যক্ত না করে।
। আবূ রাযীন (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ স্বপ্নের ব্যাখ্যা না করা পর্যন্ত তা উড়ন্ত পাখির পায়ে ঝুলন্ত জিনিস সদৃশ। তার ব্যাখ্যা করা হলে তা ছিটকে পড়ে যায় (বাস্তবায়িত হয়)। তিনি অরো বলেনঃ স্বপ্ন হচ্ছে নবুয়াতের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, আমার মনে হয় তিনি আরো বলেছেনঃ সে যেন আমানতদার অথবা স্বপ্নের ব্যাখ্যা সম্পর্কে পারদর্শী ব্যক্তি ব্যতীত কারো কাছে তা ব্যক্ত না করে।
হাদিস 3915 — Sunan Ibn Majah 35:23
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ يَزِيدَ الرَّقَاشِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " اعْتَبِرُوهَا بِأَسْمَائِهَا وَكَنُّوهَا بِكُنَاهَا وَالرُّؤْيَا لأَوَّلِ عَابِرٍ " .
। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তাদের নামসমূহ দ্বারা স্বপ্নের ব্যাখ্যা করো, তাদের উপনাম দ্বারা স্বপ্নের ব্যাখ্যা করো এবং প্রথম ব্যাখ্যাকারীর ব্যাখ্যা মোতাবেক সাধারণত বাস্তবায়িত হয়।
হাদিস 3916 — Sunan Ibn Majah 35:24
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ هِلاَلٍ الصَّوَّافُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ تَحَلَّمَ حُلُمًا كَاذِبًا كُلِّفَ أَنْ يَعْقِدَ بَيْنَ شَعِيرَتَيْنِ وَيُعَذَّبُ عَلَى ذَلِكَ " .
। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা করবে তাকে দু’টি যবের দানার মধ্যে গিট লাগাতে বাধ্য করা হবে এবং এজন্য তাকে শাস্তি দেয়া হবে।
হাদিস 3917 — Sunan Ibn Majah 35:25
সহিহসহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ الْمِصْرِيُّ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ بَكْرٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِذَا قَرُبَ الزَّمَانُ لَمْ تَكَدْ رُؤْيَا الْمُؤْمِنِ تَكْذِبُ وَأَصْدَقُهُمْ رُؤْيَا أَصْدَقُهُمْ حَدِيثًا وَرُؤْيَا الْمُسْلِمِ جُزْءٌ مِنْ سِتَّةٍ وَأَرْبَعِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ " .
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শেষ যমানায় মুমিন ব্যক্তির স্বপ্ন কচিৎই অবাস্তব হবে। তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অধিক সত্যবাদী তার স্বপ্নও অধিক সত্য হবে। মুমিন ব্যক্তির স্বপ্ন নবুয়াতের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ।
। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহুদ থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ফেরার পথে এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি স্বপ্নে একটি ছায়াদার মেঘ দেখেছি, যা থেকে ফোঁটায় ফোঁটায় ঘি ও মধু পড়ছিলো।। লোকেদেরকে দেখলাম যে, তারা হাতে তুলে নিয়ে তা পান করছে। কেউ বেশি পাচ্ছে এবং কেউ কম পাচ্ছে। আমি আরো দেখলাম যে, আসমান থেকে জমিন পর্যন্ত একটি রশি ঝুলছে। আমি দেখলাম যে, আপনি তা ধরে উপরে উঠে গেছেন। আপনার পর আরেকজন তা ধরে উপরে উঠে গেল, তার পরে আরেকজন তা ধরে উপরে উঠে গেলো। তার পরে আরেকজন তা ধরলে রশিটি ছিঁড়ে গেলো। পুনরায় তা জোড়া লেগে গেলো এবং সেও তা ধরে উপরে উঠে গেলো। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে এ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করতে দিন। তিনি বললেনঃ আচছা, তুমি এর ব্যাখ্যা করো। আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, মেঘখন্ড হলো ইসলামের ছায়া। পতিত ঘি ও মধু হলো কুরআন থেকে বেশি ও কম লাভকারী। আসমান থেকে যমীন পর্যন্ত ঝুলন্ত রশি হলো সেই মহাসত্য যার উপর আপনি প্রতিষ্ঠিত। আপনি রশিটি ধরলেন এবং আল্লাহ আপনাকে উপরে উঠিয়ে নিলেন। আপনার পর তা আরেকজন ধরবে এবং আল্লাহ তাকে উপরে তুলে নিবেন। তার পরে আরেকজন ধরবে, সেও তা ধরে উপরে উঠে যাবে। এরপর আরেকজন রশিটি ধরবে এবং তা ছিঁড়ে যাবে। আবার তা জোড়া লাগবে এবং সেও তা ধরে উপরে উঠে যাবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি কিছু তো ঠিক বলেছো এবং কিছু বলেছো ভুল। আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনাকে শপথ দিয়ে বলছি, আপনি আমাকে বলে দিন, আমি কোথায় ঠিক করেছি এবং কোথায় ভুল করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে আবূ বাকর! শপথ দিয়ে বলো না। ২/৩৯১৮(১)। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করতেন যে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি স্বপ্নে আসমান-যমীনের মাঝে একটি ছায়াদার মেঘখন্ড দেখলাম, যা থেকে ঘি ও মধু ঝরে পড়ছে। .... অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।
হাদিস 3919 — Sunan Ibn Majah 35:27
সহিহসহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الصَّنْعَانِيُّ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كُنْتُ غُلاَمًا شَابًّا عَزَبًا فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَكُنْتُ أَبِيتُ فِي الْمَسْجِدِ فَكَانَ مَنْ رَأَى مِنَّا رُؤْيَا يَقُصُّهَا عَلَى النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَقُلْتُ اللَّهُمَّ إِنْ كَانَ لِي عِنْدَكَ خَيْرٌ فَأَرِنِي رُؤْيَا يُعَبِّرُهَا لِي النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ . فَنِمْتُ فَرَأَيْتُ مَلَكَيْنِ أَتَيَانِي فَانْطَلَقَا بِي فَلَقِيَهُمَا مَلَكٌ آخَرُ فَقَالَ لَمْ تُرَعْ . فَانْطَلَقَا بِي إِلَى النَّارِ فَإِذَا هِيَ مَطْوِيَّةٌ كَطَىِّ الْبِئْرِ وَإِذَا فِيهَا نَاسٌ قَدْ عَرَفْتُ بَعْضَهُمْ فَأَخَذُوا بِي ذَاتَ الْيَمِينِ فَلَمَّا أَصْبَحْتُ ذَكَرْتُ ذَلِكَ لِحَفْصَةَ فَزَعَمَتْ حَفْصَةُ أَنَّهَا قَصَّتْهَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَقَالَ " إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ رَجُلٌ صَالِحٌ لَوْ كَانَ يُكْثِرُ الصَّلاَةَ مِنَ اللَّيْلِ " . قَالَ فَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ يُكْثِرُ الصَّلاَةَ مِنَ اللَّيْلِ .
। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে আমি ছিলাম অবিবাহিত যুবক। আমি মসজিদেই রাত কাটাতাম। আমাদের কেউ কোন স্বপ্ন দেখলে সে তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বর্ণনা করতো। আমি মনে মনে বললাম, হে আল্লাহ! তোমার নিকট আমার জন্য কোন কল্যাণ থাকলে তা আমাকে একটি স্বপ্নে দেখাও যার ব্যাখ্যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলে দিবেন। আমি ঘুমিয়ে পড়লাম। আমি স্বপ্নে আমার নিকট দু’জন ফেরেশতাকে আসতে দেখলাম। তারা আমাকে নিয়ে রওয়ানা হলেন, পথিমধ্যে আরেকজন ফেরেশতা তাদের সাথে মিলিত হন। তিনি বলেন, তুমি ভয় পেয়ো না। ফেরেশতাদ্বয় আমাকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে চললো। তা ছিলো একটি কূপের ন্যায়। তাতে আমি কিছু সংখ্যক লোক দেখতে পেলাম, যাদের কতককে আমি চিনতে পেরেছি। তারা আমাকে ডান দিকে নিয়ে গেলো। ভোর হলে আমি বিষয়টি হাফসা (রাঃ) কে বললাম। হাফসা (রাঃ) তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বললেন। তিনি বলেনঃ আবদুল্লাহ একজন সৎলোক। সে যদি রাতে অধিক নামায পড়তো। যুহরী (রাঃ) বলেন, তখন থেকে আবদুল্লাহ (রাঃ) রাতে বেশী বেশী নামায পড়তেন।
। খারাশা ইবনুল হুর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মদীনায় পৌঁছে মসজিদে নববীতে প্রবীণদের এক মজলিসে বসলাম। একজন প্রবীন লোক তার লাঠিতে ভর দিয়ে আসলেন। লোকেরা বললো, যে ব্যক্তি কোন জান্নাতী লোক দেখে আনন্দিত হতে চায়, সে যেন এই ব্যক্তির দিকে তাকায়। তিনি খুঁটির পেছনে দাঁড়িয়ে দু’ রাক‘আত নামায পড়লেন। আমি উঠে গিয়ে তাকে বললাম, লোকেরা এই এই বলেছে। তিনি বলেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, জান্নাত আল্লাহর এবং তিনি যাকে ইচ্ছা তাতে প্রবেশ করাবেন। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে একটি স্বপ্ন দেখেছিলাম। আমি দেখলাম, এক ব্যক্তি যেন আমার নিকট এসে আমাকে বললো, চলুন। আমি তার সাথে গেলাম। সে আমাকে একটি বিরাট প্রশস্ত রাস্তায় পৌঁছে দিলো। আমার বাঁ দিকে একটি পথ দেখানো হলো। আমি সেই পথ ধরে অগ্রসর হতে চাইলাম। সে বললো, তুমি এ পথের উপযুক্ত নও। অতঃপর আমার ডানে একটি রাস্তা দেখানো হলো। আমি সেই রাস্তা দিয়ে অগ্রসর হলাম। আমি একটি পিচ্ছিল পাহাড়ে পৌঁছলে সে আমার হাত ধরে আমাকে ধাক্কা দিলো এবং আমি এর চূড়ায় পৌঁছে গেলাম, কিন্তু আমি সেখানে স্থির হয়ে থাকতে পারলাম না। আমি এর চূড়ায় লোহার একটি খুঁটি দেখতে পেলাম। এর চূড়ায় ছিলো একটি সোনার হাতল। সে (ফেরেশতা) আমার হাত ধরে ধাক্কা দিলে আমি সেই হাতল ধরে ফেললাম। সে বললো, তুমি দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরেছ? আমি বললাম, হাঁ। সে তার পা দ্বারা খুঁটিতে আঘাত করলে আমি হাতলটি দৃঢ়ভাবে ধরে ফেললাম। তিনি বললেন, আমি ঘটনাটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে অবহিত করলাম। তিনি বলেনঃ তুমি উত্তম স্বপ্ন দেখেছো। বিরাট প্রশস্ত রাস্তাটি হলো হাশরের ময়দান। তোমার বাঁ দিকে যে রাস্তাটি চলে গেছে তা হলো জাহান্নামীদের রাস্তা। তুমি জাহান্নামী নও। তোমার ডান দিক দিয়ে যে রাস্তা চলে গেছে তা হলো জান্নাতীদের রাস্তা। পিচ্ছিল পাহাড়টি হলো শহীদদের মনযিল। যে হাতলটি তুমি আঁকড়ে ধরেছিলে, সেটি হলো ইসলামরে হাতল। অতএব তুমি আমৃত্যু এটি আঁকড়ে ধরে রাখবে। আশা করি আমি জান্নাতবাসী হবো। স্বপ্নটি দেখেছিলেন আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রাঃ)।
। আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, আমি মক্কা থেকে খেজুর গাছ সমৃদ্ধ এক এলাকায় হিজরত করছি। আমার মনে হলো যে, সেই এলাকা ইয়ামামা অথবা হাজার। কিন্তু আসলে তা মদীনা, যার নাম ইয়াসরিব। আমি আমার এ স্বপ্নে আরও দেখলাম যে, আমি তরবারি নাড়াচাড়া করছি এবং তা মাঝখান দিয়ে ভেঙ্গে গেলো। আসলে তা ছিলো উহুদ যুদ্ধে মুমিনদের উপর আগত বিপদ। আমি পুনরায় তরবারি নাড়া দিলে তা পূর্বাপেক্ষা আরো উত্তম রূপ ধারণ করলো। আসলে তা ছিলো আল্লাহ প্রদত্ত পরবর্তী সময়ের বিজয় (মক্কা বিজয়) এবং মুসলিমদের সম্মিলিত অভ্যূত্থান। আমি স্বপ্নে আরও দেখতে পেলাম একটি গাভী। আল্লাহ কল্যাণময়। এরা ছিলেন উহুদের যুদ্ধের শহীদ একদল মুমিন। তাও ভালো, যা আল্লাহ গনীমতের মাল হিসাবে পরে আমাদের দান করেছেন এবং তাও ভালো, যা সত্যের বিনিময় হিসাবে আল্লাহ আমাদের বদর যুদ্ধের দিন দান করেছিলেন।
হাদিস 3922 — Sunan Ibn Majah 35:30
সহিহসহিহহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " رَأَيْتُ فِي يَدِي سِوَارَيْنِ مِنْ ذَهَبٍ فَنَفَخْتُهُمَا . فَأَوَّلْتُهُمَا هَذَيْنِ الْكَذَّابَيْنِ مُسَيْلِمَةَ وَالْعَنْسِيَّ " .
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি স্বপ্নে আমার হাতে দু’টি সোনার চুড়ি দেখতে পেলাম। আমি ফুঁ দিতেই তা উড়ে চলে গেলো। আমি এই চুড়িদ্বয়ের এ ব্যাখ্যা করেছি যে, নবুয়াতের দু’ মিথ্যা দাবিদারের আবির্ভাব হবে। তারা হলোঃ মুসায়লামা ও আনসী।