حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " اسْتَقِيمُوا وَلَنْ تُحْصُوا وَاعْلَمُوا أَنَّ خَيْرَ أَعْمَالِكُمُ الصَّلاَةُ وَلاَ يُحَافِظُ عَلَى الْوُضُوءِ إِلاَّ مُؤْمِنٌ " .
। সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা (দ্বীনের উপর) অবিচল থাকো, যদিও তোমরা আয়ত্তে রাখতে পারবে না। জেনে রাখো, তোমাদের আমলসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম হল সালাত। কেবল মুমিন ব্যাক্তই যত্ন সহকারে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে।
হাদিস 278 — Sunan Ibn Majah 1:12
সহিহসহিহসহিহ Lighairihiহাসান
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ حَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " اسْتَقِيمُوا وَلَنْ تُحْصُوا وَاعْلَمُوا أَنَّ مِنْ أَفْضَلِ أَعْمَالِكُمُ الصَّلاَةَ وَلاَ يُحَافِظُ عَلَى الْوُضُوءِ إِلاَّ مُؤْمِنٌ " .
। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা (দ্বীনের উপর) স্থির থাকো, যদিও তোমরা তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে না। জেনে রাখো! তোমাদের সর্বোত্তম আমল হল সালাত। কেবল মুমিন ব্যাক্তই যত্ন সহকারে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে।
। আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা দ্বীনের উপর স্থির থাকো। তোমরা দ্বীনের উপর অবিচল থাকলে তা কল্যাণকর। তোমাদের কার্যাবলীর মধ্যে সর্বোত্তম কাজ হল সালাত আদায় করা। মুমিন ব্যাক্তই যত্ন সহকারে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে।
। আবূ মালিক আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সুষ্ঠুভাবে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করা ঈমানের অর্ধেক। আল-হামদুলিল্লাহ (নেকীর) পাল্লা পূর্ণ করে। সুবহানাল্লাহ ও আল্লাহু আকবার পৃথিবী ও আকাশমন্ডলী ভরে দেয়। সালাত হল নূর, যাকাত হল দলীল, ধৈর্য হল আলোকমালা এবং কুরআন হল তোমার পক্ষে অথবা বিপক্ষের প্রমাণ। প্রত্যেক মানুষ ভোরে উপনীত হয়ে নিজেকে বিক্রয় করে, এতে সে হয় তাকে মুক্ত করে অথবা ধ্বংস করে।
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কোন ব্যাক্তি উত্তমরূপে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে কেবল সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে রওয়ানা হলে তার মসজিদে পৌঁছা পর্যন্ত তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা তার একধাপ মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং তার একটি গুনাহ মাফ করেন।
। আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যাক্তি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে কুলি করলো এবং নাকে পানি পৌঁছালো, তার গুনাহ্সমূহ তার মুখ ও নাক থেকে বের হয়ে যায়। সে তার মুখমন্ডল ধৌত করলে তার গুনাহসমূহ তার মুখমন্ডল থেকে বের হয়ে যায়, এমনকি তার দু চোখের ভ্রুর নিম্নাংশ থেকেও গুনাহসমূহ বেরিয়ে যায়। সে তার উভয় হাত ধৌত করলে তার দু হাত থেকে গুনাহসমূহ বেরিয়ে যায়। সে তার মাথা মাসহ(মাসেহ) করলে তার মাথা থেকে গুনাহসমূহ বের হয়ে যায়, এমনকি তার দু কান থেকেও গুনাহসমূহ বের হয়ে যায়। সে তার উভয় পা ধৌত করলে তার পদদ্বয় থেকেও গুনাহসমূহ ঝরে যায়, এমনকি তার পদদ্বয়ের নখের নিম্নভাগ থেকেও গুনাহ বের হয়ে যায়। এরপর তার সালাত ও তার মসজিদে যাতায়াতের সাওয়াব (উল্লিখিত বিষয়ের) অতিরিক্ত।
। আমর ইবনু আবাসাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বান্দা যখন উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে এবং তার উভয় হাত ধৌত করে, তখন তার দু হাত থেকে তার গুনাহসমূহ নির্গত হয়ে যায়। যখন সে তার মুখমন্ডল ধৌত করে তখন তার মুখমন্ডল থেকে তার গুনাহসমূহ নির্গত হয়ে যায়। যখন সে তার উভয় হাত ধৌত করে এবং তার মাথা মাসহ(মাসেহ) করে, তখন তার দু হাত ও মাথা থেকে তার গুনাহসমূহ নির্গত হয়ে যায়। এরপর যখন সে তার পদদ্বয় ধৌত করে তখন তার পদদ্বয় থেকে তার গুনাহসমূহ নির্গত হয়ে যায়।
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি আপনার উম্মাতের যেসব লোককে দেখেননি তাদের কিভাবে চিনবেন? তিনি বলেনঃ উযূ (ওজু/অজু/অযু)র কারণে তাদের মুখমন্ডল ও তাদের উযূর অন্যান্য অঙ্গ থেকে বিচ্ছুরিত আলোর সাহায্যে। ৪/২৮৪ (১) আবূল হাসান আল কাত্তান- আবূ হাতিম- আবূল ওয়ালীদ (রহঃ) সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস 285 — Sunan Ibn Majah 1:19
সহিহসহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنِي شَقِيقُ بْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنِي حُمْرَانُ، مَوْلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ قَالَ رَأَيْتُ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ قَاعِدًا فِي الْمَقَاعِدِ فَدَعَا بِوَضُوءٍ فَتَوَضَّأَ ثُمَّ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فِي مَقْعَدِي هَذَا تَوَضَّأَ مِثْلَ وُضُوئِي هَذَا ثُمَّ قَالَ " مَنْ تَوَضَّأَ مِثْلَ وُضُوئِي هَذَا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ " . وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " وَلاَ تَغْتَرُّوا " . حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ حَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنِي عِيسَى بْنُ طَلْحَةَ، حَدَّثَنِي حُمْرَانُ، عَنْ عُثْمَانَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَحْوَهُ .
। উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) এর মুক্তদাস হুমরান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) কে এক স্থানে উপবিষ্ট দেখলাম। তিনি উযূর পানি নিয়ে ডাকলেন এবং উযূ (ওজু/অজু/অযু) করলেন, অতঃপর বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমার এ স্থানে বসে আমার ন্যায় উযূ করতে দেখেছি। অতঃপর তিনি বলেনঃ যে ব্যাক্তি আমার উযূর ন্যায় উযূ করবে, তার পূর্বেকার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেনঃ কিন্তু তোমরা তাতে আত্মতুষ্টির ধোঁকায় পড়ো না। ৫/২৮৫ (১) হিশাম ইবনু আম্মার-আবদুল হামীদ ইবনু হাবীব-আওযাঈ-ইয়াহ্ইয়া-মুহাম্মাদ ইবনু ইব্রাহীম-ঈসা ইবনু ত্বলহা-হুমরান-উসমান (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস 286 — Sunan Ibn Majah 1:20
সহিহসহিহসহিহসহিহ - Bukhari And Muslim
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، وَأَبِي، عَنِ الأَعْمَشِ، ح وَحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، وَحُصَيْنٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ إِذَا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ يَتَهَجَّدُ يَشُوصُ فَاهُ بِالسِّوَاكِ .
। হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে যখন তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতে উঠতেন, তখন তিনি মিসওয়াক দিয়ে তাঁর মুখ পরিষ্কার করতেন।