حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ وَجِيهٍ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ دِينَارٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِنَّ تَحْتَ كُلِّ شَعَرَةٍ جَنَابَةً فَاغْسِلُوا الشَّعَرَ وَأَنْقُوا الْبَشَرَةَ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় প্রতিটি লোমকূপে নাপাকী আছে। অতএব তোমরা লোমকূপ উত্তমরূপে ধৌত করো এবং দেহের চামড়া পরিষ্কার করো।
হাদিস 598 — Sunan Ibn Majah 1:332
দাঈফদাঈফহাসান
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ، حَدَّثَنِي عُتْبَةُ بْنُ أَبِي حَكِيمٍ، حَدَّثَنِي طَلْحَةُ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنِي أَبُو أَيُّوبَ الأَنْصَارِيُّ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " الصَّلَوَاتُ الْخَمْسُ وَالْجُمُعَةُ إِلَى الْجُمُعَةِ وَأَدَاءُ الأَمَانَةِ كَفَّارَةٌ لِمَا بَيْنَهَا " . قُلْتُ وَمَا أَدَاءُ الأَمَانَةِ قَالَ " غُسْلُ الْجَنَابَةِ فَإِنَّ تَحْتَ كُلِّ شَعَرَةٍ جَنَابَةً " .
। আবূ আইউব আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ পাঁচ ওয়াক্তের সালাত, এক জুমুআহ থেকে পরবর্তী জুমুআহ এবং আমানত ফেরত দেয়া এদের মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহের কাফফারাস্বরূপ। আমি বললাম, আমানত ফেরত দেয়ার অর্থ কী? তিনি বলেনঃ নাপাকির গোসল করা। কেননা প্রতিটি লোমকূপে নাপাকী আছে।
। আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যাক্তি নাপাকির গোসলে তার দেহের একটি পশমও (না ধুয়ে) ছেড়ে দেয়, সে গোসলই করেনি। তাকে জাহান্নামের এই এই শাস্তি দেয়া হবে। আলী বলেন, এরপর থেকে আমি আমার চুলের সাথে শত্রতুা করে আসছি। তিনি তার মাথা মুন্ডন করতেন।
হাদিস 600 — Sunan Ibn Majah 1:334
সহিহসহিহসহিহসহিহ - Bukhari And Muslim
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّهَا أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ جَاءَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ إِلَى النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَسَأَلَتْهُ عَنِ الْمَرْأَةِ تَرَى فِي مَنَامِهَا مَا يَرَى الرَّجُلُ قَالَ " نَعَمْ إِذَا رَأَتِ الْمَاءَ فَلْتَغْتَسِلْ " . فَقُلْتُ فَضَحْتِ النِّسَاءَ وَهَلْ تَحْتَلِمُ الْمَرْأَةُ قَالَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " تَرِبَتْ يَمِينُكِ فَبِمَ يُشْبِهُهَا وَلَدُهَا إِذًا " .
। উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মু সুলাইম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করেন যে, স্ত্রীলোকের যদি পুরুষ লোকের ন্যায় স্বপ্নদোষ হয় তবে কী করবে? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, সে পানি (বীর্য) দেখতে পেলে যেন গোসল করে। আমি বললাম, তুমি তো নারীদের অবমাননা করলে। মহিলাদেরও কি স্বপ্নদোষ হয়? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমার হাত ধুলিমলিন হোক, তা না হলে সন্তান মাতৃসদৃশ হয় কেন?
হাদিস 601 — Sunan Ibn Majah 1:335
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، وَعَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ أُمَّ سُلَيْمٍ، سَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ الْمَرْأَةِ تَرَى فِي مَنَامِهَا مَا يَرَى الرَّجُلُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِذَا رَأَتْ ذَلِكَ فَأَنْزَلَتْ فَعَلَيْهَا الْغُسْلُ " . فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيَكُونُ هَذَا قَالَ " نَعَمْ مَاءُ الرَّجُلِ غَلِيظٌ أَبْيَضُ وَمَاءُ الْمَرْأَةِ رَقِيقٌ أَصْفَرُ فَأَيُّهُمَا سَبَقَ أَوْ عَلاَ أَشْبَهَهُ الْوَلَدُ " .
। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। উম্মু সুলাইম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট জিজ্ঞেস করেন, পুরুষের ন্যায় কোন নারীর স্বপ্নদোষ হলে সে কী করবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যদি তার স্বপ্নদোষ হয় এবং তার বীর্যপাত হয়, তবে তাকে গোসল করতে হবে। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, হে আললাহর রাসূল! তাই কি হয়? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ। পুরুষের বীর্য গাঢ় সাদা এবং স্ত্রীলোকের বীর্য পাতলা হলদে রংবিশিষ্ট। সুতরাং এদের মধ্যে যার বীর্য আগে স্খলিত হয়, সন্তান তার সদৃশ হয়।
। খাওলা বিনত হাকীম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করেন, পুরুষের ন্যায় নারীর স্বপ্নদোষ হলে তিনি বলেনঃ বীর্যপাত না হওয়া পর্যন্ত গোসল করা তার কর্তব্য নয়, যেমন পুরুষের বীর্যপাত না হলে গোসল করতে হয় না।
। উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি আমার চুলের খোপা খুব শক্ত করে বেঁধে থাকি। আমি নাপাকির গোসল করতে কি তা খুলে নিব? তিনি বলেনঃ তোমার হাতে করে তিনবার মাথায় পানি ঢাললেই তা তোমার জন্য যথেষ্ট হবে। অতঃপর তুমি তোমার সমস্ত দেহে পানি ঢেলে দিবে এবং তাতেই তুমি পবিত্র হয়ে যাবে অথবা তিনি বলেছেনঃ এরূপ করলেই তুমি পবিত্র হয়ে গেলে।
। উবাইদ ইবনু উমাইর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আয়িশাহ জানতে পারেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু আমর তার স্ত্রীদের (নাপাকির) গোসলের সময় তাদের মাথার চুলের খোপা খুলে ফেলার নির্দেশ দিয়ে থাকেন। তিনি বলেন, আমরের পুত্রের এ কাজে আশ্চর্য বোধ করছি। সে তার স্ত্রীগণকে তাদের মাথা কামিয়ে ফেলার নির্দেশ দেয় না কেন? অবশ্যই আমি ও আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই পাত্রের পানি দিয়ে একত্রে গোসল করেছি। আমি আমার হাতে তিনবার পানি নিয়ে আমার মাথায় ঢেলেছি, এর বেশি নয়।
। আবূ হুরাইরাহ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন বদ্ধ পানিতে নাপাকির গোসল না করে। তিনি বলেন, তাহলে সে কিভাবে গোসল করবে, হে আবূ হুরাইরাহ! তিনি বলেন, কোন পাত্রে পানি তুলে নিয়ে গোসল করবে।
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী(রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক আনসারীর নিকট দিয়ে গেলেন এবং তাকে ডেকে পাঠালেন। সে বেরিয়ে এলো এবং তখন তার মাথা থেকে পানি ঝরছিল। তিনি বলেনঃ সম্ভবত আমরা তোমাকে তাড়াহুড়ার মধ্যে ফেলেছি? সে বললো, হ্যাঁ, হে আল্লাহ্র রাসূল। তিনি বলেনঃ যখন তোমার তাড়াহুড়া করতে হয় এবং তোমার বীর্যপাত না হয়, তখন তোমার জন্য গোসল অপরিহার্য নয়, তুমি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে নিবে।