। সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, যেদিন আমি ইসলাম গ্রহণ করি, সেদিন আর কেউ ইসলাম গ্রহণ করেনি। কিন্তু আমি আমার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি সাত দিন যাবৎ গোপন রাখি। আমি ইসলাম গ্রহণকারী তৃতীয় ব্যাক্তি।
। রিবাহ ইবনুল সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফায়ল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশ ব্যাক্তির মধ্যে দশম জন। তিনি বলেনঃ আবূ বাকর জান্নাতী, উমার জান্নাতী, উসমান জান্নাতী, আলী জান্নাতী, ত্বলহাহ্ জান্নাতী, যুবায়র জান্নাতী, সা’দ জান্নাতী ও আবদুর রহমান ইবনু আওফ জান্নাতী। সাঈদ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হল, নবম ব্যাক্তি কে? তিনি বলেন, আমি।
হাদিস 134 — Sunan Ibn Majah #134
সহিহসহিহহাসান Sahihহাসান
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ هِلاَلِ بْنِ يَسَافٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ ظَالِمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ أَشْهَدُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنِّي سَمِعْتُهُ يَقُولُ " اثْبُتْ حِرَاءُ فَمَا عَلَيْكَ إِلاَّ نَبِيٌّ أَوْ صِدِّيقٌ أَوْ شَهِيدٌ " . وَعَدَّهُمْ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ وَعَلِيٌّ وَطَلْحَةُ وَالزُّبَيْرُ وَسَعْدٌ وَابْنُ عَوْفٍ وَسَعِيدُ بْنُ زَيْدٍ .
। সাঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে সাক্ষ্য দেই যে, আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ হে হেরা (পর্বত)! স্থির হও। কেননা তোমার উপর একজন নবী, একজন পরম সত্যবাদী ও একজন শহীদ রয়েছেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নাম ধরে গণনা করেনঃ আবূ বাকর, উমার, উসমান, আলী, ত্বলহাহ্, যুবায়র, সা’দ, ইবনু আওফ ও সাঈদ ইবনু যায়দ।
। হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজরানবাসীদের বলেনঃ আমি অচিরেই তোমাদের সাথে একজন আমানাতদার (বিশ্বস্ত) লোক পাঠাচ্ছি, যে সত্যিকারের আমানাতদার (বিশ্বস্ত)। (রাবী বলেন), লোকেরা এই মর্যাদা লাভের আকাঙ্ক্ষা করছিল। অতঃপর তিনি আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ -কে পাঠান।
হাদিস 136 — Sunan Ibn Majah #136
সহিহসহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ صِلَةَ بْنِ زُفَرَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ لأَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ الْجَرَّاحِ " هَذَا أَمِينُ هَذِهِ الأُمَّةِ " .
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রাঃ) কে বললেনঃ এ ব্যাক্তি হল এ উম্মাতের আমানাতদার (পরম বিশ্বস্ত ব্যাক্তি)।
হাদিস 137 — Sunan Ibn Majah #137
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لَوْ كُنْتُ مُسْتَخْلِفًا أَحَدًا عَنْ غَيْرِ مَشُورَةٍ لاَسْتَخْلَفْتُ ابْنَ أُمِّ عَبْدٍ " .
। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি যদি পরামর্শ না করেই কাউকে খলীফা নিযুক্ত করতাম, তাহলে ইবনু উম্মে আব্দকেই খলীফা নিযুক্ত করতাম।
হাদিস 138 — Sunan Ibn Majah #138
সহিহসহিহহাসানহাসান
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، . أَنَّ أَبَا بَكْرٍ، وَعُمَرَ، بَشَّرَاهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " مَنْ أَحَبَّ أَنْ يَقْرَأَ الْقُرْآنَ غَضًّا كَمَا أُنْزِلَ فَلْيَقْرَأْهُ عَلَى قِرَاءَةِ ابْنِ أُمِّ عَبْدٍ " .
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আবূ বাকর ও উমার তাকে সুসংবাদ দেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি কুরআন মাজীদ উত্তমরূপে তিলাওয়াত করতে চায়, যেভাবে তা নাযিল হয়েছে, সে যেন ইবনু উম্মে আব্দ এর পাঠ মোতাবেক তিলাওয়াত করে।
হাদিস 139 — Sunan Ibn Majah #139
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِذْنُكَ عَلَىَّ أَنْ تَرْفَعَ الْحِجَابَ وَأَنْ تَسْمَعَ سِوَادِي حَتَّى أَنْهَاكَ " .
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তোমার জন্য পর্দা (বাধা) তুলে নেয়া হয়েছে। তাই তুমি আমার নিকট এসে আমার গোপন কথা শুনতে পারো, যাবত না আমি তোমাকে নিষেধ করি।
। আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা কুরায়শ গোত্রের লোকেদের সমাবেশে তাদের পারস্পরিক আলোচনাকালে তাদের সাথে সাক্ষাৎ করলে তারা তাদের আলোচনা বন্ধ করে দিত। আমরা বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বলেনঃ লোকেদের কী হল যে, তাদের পারস্পরিক আলোচনাকালে আমার আহলে বাইতর কোন লোককে দেখলে তারা তাদের কথাবার্তা বন্ধ করে দেয়? আল্লাহ্র শপথ! কোন ব্যাক্তির অন্তরে ঈমান প্রবেশ করতে পারে না যতক্ষণ না সে আল্লাহ্র সন্তুষ্টির জন্য এবং আমার সাথে তাদের আত্নীয় সম্পর্কের কারণে তাদেরকে ভালোবাসবে।