حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَشَجِّ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ أُصِيبَ رَجُلٌ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي ثِمَارٍ ابْتَاعَهَا فَكَثُرَ دَيْنُهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " تَصَدَّقُوا عَلَيْهِ " . فَتَصَدَّقَ النَّاسُ عَلَيْهِ فَلَمْ يَبْلُغْ ذَلِكَ وَفَاءَ دَيْنِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " خُذُوا مَا وَجَدْتُمْ وَلَيْسَ لَكُمْ إِلاَّ ذَلِكَ " . يَعْنِي الْغُرَمَاءَ .
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে এক ব্যক্তি ফলের বাগান ক্রয় করে লোকসানের শিকার হয় এবং মারাত্মকভাবে ঋনগ্রস্ত হয়ে পড়ে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদের বলেনঃ তোমরা তাকে দান-খয়রাত করো। অতএব লোকজন তাকে দান-খয়রাত করলো কিন্তু তাতেও তার ঋণ শোধ হলো না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাওনাদারদের বলেনঃ তোমরা যা পেয়েছো তাই নিয়ে নাও, এর বেশী আর পাবে না।
হাদিস 2357 — Sunan Ibn Majah 13:50
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ هُرْمُزٍ، عَنْ سَلَمَةَ الْمَكِّيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَلَعَ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ مِنْ غُرَمَائِهِ ثُمَّ اسْتَعْمَلَهُ عَلَى الْيَمَنِ فَقَالَ مُعَاذٌ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اسْتَخْلَصَنِي بِمَالِي ثُمَّ اسْتَعْمَلَنِي .
। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুআয ইবনে জাবাল (রাঃ) কে তার পাওনাদারদের থেকে নিষ্কৃতি দেন, তারপর তাকে ইয়ামানের শাসক নিয়োগ করেন। মুআয (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার মাল দ্বারা আমাকে ঋণমুক্ত করেন, অতঃপর আমাকে শাসক নিয়োগ করেন।
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি দেউলিয়ার দখলে অবিকল তার মাল পেয়ে গেলে অন্যের তুলনায় সে-ই তার অগ্রগণ্য হকদার।
। আবূ হুরায়রাই (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তির নিকট বাকিতে তার পণ্য বিক্রয় করার পর ক্রেতা দেউলিয়া হয়ে গেলে এবং তার পণ্য অবিকল অবস্থায় তার নিকট বিদ্যামন থাকলে সে-ই তা ফেরত পাবে। আর তার পণ্যের কিছু মূল্য আদায় করে থাকলে সে অন্যান্য পাওনারের অন্তর্ভুক্ত হবে।
। ইবনে খালদা আয-যুরাকী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ছিলেন মদীনার বিচারপতি। তিনি বলেন, আমরা আবূ হুরায়া (রাঃ) এর কাছে আমাদের এক দেউলিয়া সঙ্গীর ব্যাপারে জানতে আসলাম। তিনি বরেন, এ ধরনের লোক সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই মীমাংসা দিয়েছেন যে, কোন ব্যক্তি দেউলিয়া হলে অথবা মারা গেলে, ঋণদাতা তার মাল অবিকল তার নিকট বিদ্যমান পেলে সে-ই হবে তার অগ্রগণ্য প্রাপক।
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তি নিজ দখলে অপরের মাল অবিকল অবস্থায় রেখে মারা যায় এবং মালিক তার আংশিক মূল্য আদায় করে থাকুক বা না থাকুক, সে অন্যান্য পাওনাদারের অন্তর্ভুক্ত হবে।
। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন ব্যক্তি উত্তম? তিনি বলেনঃ আমর ‘যুগ’, অতঃপর তার নিকটতর (পরবর্তী) যুগ, অতঃপর তার নিকটতর যুদ। অতঃপর এমন সব লোক আসবে যারা শপথের পূর্বে সাক্ষ্য দিবে এবং সাক্ষ্যের পূর্বে শপথ করবে।
। জাবির ইবনে সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) আমাদের উদ্দেশে (দামিশকের) জাবিয়া নামক স্থানে ভাষণ দিলেন। তিনি বলেন, তোমাদের সামনে যেমন (ভাষণ দিতে) দাঁড়ালাম, তদ্রূপ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বলেনঃ তোমরা আমার সাহাবীদের (আমার সাহচর্য লাভের মর্যাদার) হেফাজত করবে, অতঃপর তাদের নিকটবর্তীদের (মর্যাদার) হেফাজত করবে, অতঃপর তাদের পরবর্তীদের। অতঃপর এমনভাবে মিথ্যার প্রসার ঘটবে যে, কারো কাছে সাক্ষ্য তলব না করতেই সে সাক্ষ্য দিবে এবং শপথ করতে না বলতেই শপথ করবে।
। যায়েদ ইবনে খালিত আল-জুহানী (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে শুনেছেনঃ সাক্ষীগণের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি, যে তলব করার আগেই সাক্ষ্য দেয়।
। আবূ সাঈদ আল-কুদরী (রাঃ) তেকে বর্ণিত। তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করলে (অনুবাদ) ‘‘হে মুমিনগণ! তোমরা যখন একে অপরের সাথে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য ঋণের লেনদেন করো তখন তা লিপিবদ্ধ করে রাখো ...’’ (২ঃ ২৮২)। তিনি তিলাওয়াত করতে করতে ‘‘তোমাদের একে অপরকে বিশ্বাস করলে, যাকে বিশ্বাস করা হয়, সে যেন আমানত প্রত্যর্পণ করে’’ ২ঃ ২৮৩) পর্যন্ত পৌঁছে বলেন, এই শেষোক্ত বিধান তার পূর্ববর্তী বিধানকে রহিত করেছে।