। খারিজা ইবনে যায়েদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি দেখলাম এক ব্যক্তি আমার পিতার নিকট এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছেন, যে যুদ্ধে যোগদান করে যুদ্ধক্ষেত্রে ক্রয়-বিক্রয় করছে। আমার পিতা তাকে বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে তাবুকে অবস্থানকালে ক্রয়-বিক্রয় করতাম। তিনি আমাদের দেখতেন কিন্তু নিষেধ করতেন না।
। মুআয ইবনে আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহর পথের মুজাহিদকে বিদায় জানানো, অতঃপর তাকে সকালে বা সন্ধ্যায় তার সওয়ারীতে তুলে দেয়া আমার নিকট দুনিয়া ও তার মধ্যকার সব কিছু থেকে অধিক পছন্দনীয়।
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বিদায় দিয়ে বলেনঃ আমি তোমাকে আল্লাহর আমানতে সোপর্দ করলাম, যাঁর নিকট সোপর্দকৃত জিনিস ধ্বংস হয় না।
। ইবনে ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন সামরিক বাহিনীকে বিদায় দিয়ে বলতেনঃ আমি তোমার দীন, তোমার বিশ্বস্ততা ও তোমার সর্বশেষ আমল আল্লাহর নিকট সোপর্দ করলাম।
। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আকসাম ইবনে জাওন আল-খুযাঈ (রাঃ) কে বলেনঃ হে আকসাম! তুমি তোমার সম্প্রদায় ব্যতীত অন্য সম্প্রদায়ের সাথে একত্রে জিহাদ করো, তাহলে তোমার চরিত্র সুন্দর হবে। তোমার সঙ্গীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করো (বা সঙ্গীদের সম্মান করো)। উত্তম সঙ্গী চারজন এবং উত্তম সারিয়্যা (ক্ষুদ্র যুদ্ধাভিযান) হলো চারটি, যার সৈন্যসংখ্যা চারশত। চার হাজার সৈন্য সম্বলিত সেনাদল হলো উত্তম। আর ১২ হাজার সদস্যবিশিষ্ট সেনাদল সংখ্যা স্বল্পতার দরুন কখনো পরাজিত হবে না।
। বারাআ ইবনে আযেব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আলোচনা করতাম যে, বদরের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীর সংখ্যা ছিল তিন শত দশের কিছু বেশী। এই সংখ্যা ছিল তালূতের সাথে নদী অতিক্রমকারী সেনাদলের সমান। তালূতের সাথে মুমিন ব্যক্তিগণই নদী পার হয়েছিলেন।
। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী আবুল ওয়ারদ (রাঃ) বলেন, তোমরা সেই সেনাদল পরিহার করো যারা শত্রুর মোকাবিলায় অবতীর্ণ হলে পলায়ন করে এবং গনীমাত পেলে তাতে প্রতারণা করে।
। কাবীসা ইবনে হুলব (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নাসারাদের (খৃস্টানদের) খাদ্যদ্রব্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেনঃ তোমার অন্তরে যেন কোন খাদ্য সন্দেহ সৃষ্টি না করে, তাহলে তুমিও এ ক্ষেত্রে নাসারাদের অনুরূপ হয়ে যাবে।
। আবূ সা‘লাবা আল-খুশানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! মুশরিকদের হাঁড়ি-পাতিলে কি আমরা রান্না করবো? তিনি বলেনঃ তোমরা তাতে রান্না করো না। আমি বললাম, আমরা যদি এর মুখাপেক্ষী হয়ে পড়ি এবং সেগুলো ছাড়া যদি আমরা পাত্র না পাই? তিনি বলেনঃ তাহলে তোমরা তা উত্তমরূপে ধুয়ে নাও, অতঃপর তাতে রান্না করো এবং আহার করো।
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় আমরা কোন মুশরিকের সাহায্য চাই না। ‘আলী (রাঃ) তার রিওয়ায়াতে উল্লেখ করেছেন যে, রাবীর নাম ‘আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াযীদ অথবা যায়েদ।