حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُنْذِرِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، وَأَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " الْوَسْقُ سِتُّونَ صَاعًا " .
। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ষাট সা-এ এক ওয়াসক।
হাদিস 1834 — Sunan Ibn Majah 8:52
সহিহসহিহসহিহসহিহ - Bukhari And Muslim
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ بْنِ الْمُصْطَلِقِ ابْنِ أَخِي، زَيْنَبَ امْرَأَةِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ زَيْنَبَ، امْرَأَةِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَتْ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَيُجْزِئُ عَنِّي مِنَ الصَّدَقَةِ النَّفَقَةُ عَلَى زَوْجِي وَأَيْتَامٍ فِي حِجْرِي قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لَهَا أَجْرَانِ أَجْرُ الصَّدَقَةِ وَأَجْرُ الْقَرَابَةِ " . حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ ابْنِ أَخِي، زَيْنَبَ عَنْ زَيْنَبَ، امْرَأَةِ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَحْوَهُ .
। ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-এর স্ত্রী যয়নব থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, আমার যাকাত আমার স্বামী ও আমার তত্ত্বাবধানাধীন ইয়াতীমদের ভরণ-পোষণের জন্য দান করলে তা যথেষ্ট হবে কি? ১/১৮৩৪ (১) হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন সাববাহ-আবূ মু‘আবিয়াহ, আ‘মাশ-শাক্বীক্ব- আমর বিন হারিস-যায়নাবের বোন (যায়নাব হলেন আব্দুল্লাহর স্ত্রী) তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।
। উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে দান-খয়রাত করার নির্দেশ দিলেন। ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-এর স্ত্রী যয়নব (রাঃ) বললেন, আমার দরিদ্র স্বামী এবং আমার ভাইয়ের কয়েকটি ইয়াতীম সন্তান রয়েছে। আমি সব সময় তাদের জন্য আমার এই এই পরিমাণ সম্পদ ব্যয় করে আসছি। তাদেরকে আমার যাকাত দেয়া যাবে কি? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ। রাবী বলেন, যয়নব (রাঃ) কুটিরশিল্প উৎপাদন করে উপার্জন করতেন।
হাদিস 1836 — Sunan Ibn Majah 8:54
সহিহ Hadithসহিহসহিহসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَعَمْرُو بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَوْدِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لأَنْ يَأْخُذَ أَحَدُكُمْ أَحْبُلَهُ فَيَأْتِيَ الْجَبَلَ فَيَجِيءَ بِحُزْمَةِ حَطَبٍ عَلَى ظَهْرِهِ فَيَبِيعَهَا فَيَسْتَغْنِيَ بِثَمَنِهَا خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَسْأَلَ النَّاسَ أَعْطَوْهُ أَوْ مَنَعُوهُ " .
। যুবাইর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি রশি নিয়ে পাহাড়ে গিয়ে এক বোঝা কাঠ সংগ্রহ করে তা নিজে পিঠে বহন করে নিয়ে এসে বিক্রয় ক’রে তার মূল্য দ্বারা সামর্থ্যবান হয়, তবে তা তার জন্য লোকের কাছে হাত পেতে বেড়ানোর চেয়ে অবশ্যই উত্তম। লোকেরা তাকে দিতেও পারে, নাও দিতে পারে।
। সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কে আমার একটি কথা কবুল করবে, তাহলে আমি তার জান্নাতের যামিন হবো। আমি বললাম, আমি। তিনি বললেনঃ তুমি লোকেদের নিকট কিছু প্রার্থনা করবে না। রাবী বলেন, সাওবান (রাঃ)-এর চাবুক আরোহিত অবস্থায় নিচে পড়ে যেতো, কিন্তু তিনি কাউকে বলতেন না, এটি আমাকে তুলে দাও। তিনি বাহন থেকে নেমে তা তুলে নিতেন।
হাদিস 1838 — Sunan Ibn Majah 8:56
সহিহসহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ سَأَلَ النَّاسَ أَمْوَالَهُمْ تَكَثُّرًا فَإِنَّمَا يَسْأَلُ جَمْرَ جَهَنَّمَ فَلْيَسْتَقِلَّ مِنْهُ أَوْ لِيُكْثِرْ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে মানুষের মাল চেয়ে বেড়ায়, সে মূলত জাহান্নামের জ্বলন্ত অঙ্গার চেয়ে বেড়ায়। অতএব সে তা কম সংগ্রহ করুক বা বেশি সংগ্রহ করুক।
হাদিস 1839 — Sunan Ibn Majah 8:57
সহিহসহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ أَبِي حُصَيْنٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لاَ تَحِلُّ الصَّدَقَةُ لِغَنِيٍّ وَلاَ لِذِي مِرَّةٍ سَوِيٍّ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সচ্ছল ও সুস্থ-সবল ব্যক্তির জন্য যাকাত গ্রহণ করা হালাল নয়।
। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার স্বনির্ভর থাকার মত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও (অন্যের কাছে কিছু) চায়, সে কিয়ামতের দিন আহত মুখমুন্ডলসহ হাযির হবে। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রসূল! স্বচ্ছলতার সীমা কতটুকু? তিনি বলেনঃ পঞ্চাশ দিরহাম অথবা তার সমমূল্যের সোনা। এক ব্যক্তি সুফ্ইয়ানকে বললো, শু’বাহ তো হাকীম ইবনু জুবাইরের সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেন না। তখন সুফ্ইয়ান বললেন, আমার নিকট এ হাদীস যায়দ (রহ.) মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুর রহমানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 1841 — Sunan Ibn Majah 8:59
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لاَ تَحِلُّ الصَّدَقَةُ لِغَنِيٍّ إِلاَّ لِخَمْسَةٍ لِعَامِلٍ عَلَيْهَا أَوْ لِغَازٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَوْ لِغَنِيٍّ اشْتَرَاهَا بِمَالِهِ أَوْ فَقِيرٍ تُصُدِّقَ عَلَيْهِ فَأَهْدَاهَا لِغَنِيٍّ أَوْ غَارِمٍ " .
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্বচ্ছল ব্যক্তির জন্য যাকাত গ্রহণ করা হালাল নয়। তবে পাঁচজন ধনী ব্যক্তির জন্য তা হালালঃ যাকাত আদায়কারী কর্মচারী (বেতন বাবদ), আল্লাহর পথে জিহাদরত ব্যক্তি, যে ব্যক্তি তার নিজস্ব মাল দ্বারা যাকাতের মাল ক্রয় করে, কোন গরীব ব্যক্তি তার প্রাপ্ত যাকাত কোন স্বচ্ছল ব্যক্তিকে উপহাস্বরূপ দিলে এবং ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যদি কোন পবিত্র মাল দান করে, আর আল্লাহ্ পবিত্র মাল ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করেন না, তবে দয়াময় আল্লাহ্ তা তাঁর ডান হাতে গ্রহণ করেন, যদিও তা একটি খেজুর হয়। আল্লাহর হাতে তা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে পাহাড়ের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে। আল্লাহ্ তা সে ব্যক্তির জন্য বৃদ্ধি করতে থাকেন, যেমন তোমাদের কেউ ঘোড়া অথবা উটের বাচ্চাকে লালন-পালন করে বড় করে।