وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، أَنَّ رَجُلاً، أَتَى إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ عَلِّمْنِي كَلِمَاتٍ أَعِيشُ بِهِنَّ وَلاَ تُكْثِرْ عَلَىَّ فَأَنْسَى . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَغْضَبْ " .
রেওয়ায়ত ১১. হুমাইদ ইবন আবদুর রহমান ইবন আউফ (রাঃ) হইতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট আসিয়া বলিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে এমন কয়েকটি কথা শিখাইয়া দিন যাহা দ্বারা উপকার লাভ করিতে পারি। আর অনেক কথা বলিবেন না, আমি ভুলিয়া যাইব। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ ক্রোধ করিও না।
হাদিস 1644 — Muwatta Malik 47:12
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَيْسَ الشَّدِيدُ بِالصُّرَعَةِ إِنَّمَا الشَّدِيدُ الَّذِي يَمْلِكُ نَفْسَهُ عِنْدَ الْغَضَبِ " .
রেওয়ায়ত ১২. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, ঐ ব্যক্তি বীর নহে যে অন্যকে ধরাশায়ী করিয়া দেয়, বরং বীর ঐ ব্যক্তি যে ক্রোধের সময় নিজকে নিয়ন্ত্রণে রাখিতে পারে।
রেওয়ায়ত ১৩. আবু আয়্যূব আনসারী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ কোন মুসলিমের পক্ষে তাহার ভইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক তিন দিনের বেশি ত্যাগ করা বৈধ নহে। ইহা এইরূপে যে, তাহাদের একজন মিলিতে আসে তো অন্যজন তাকাইয়া দেখে না বা একজন মিলিতে আসে তো অন্যজন লক্ষ্য করে না — এই উভয়ের মধ্যে ঐ ব্যক্তিই উত্তম, যে প্রথম সালাম করে।
রেওয়ায়ত ১৪. আনাস ইবন মালিক (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, তোমরা পরস্পর হিংসা-বিদ্বেষ করিও না এবং একে অন্যের দিকে পিঠ ফিরাইয়া থাকিও না, বরং তোমরা আল্লাহর বান্দা ভাই ভাই হইয়া থাক; কোন মুসলিমের জন্য তাহার কোন মুসলিম ভাইকে তিন রাত্রির অধিক ত্যাগ করা বৈধ নহে।
রেওয়ায়ত ১৫. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ তোমরা অনুমান করা হইতে বাঁচিয়া থাক। নিশ্চয়ই অনুমান বড় মিথ্যা। কাহারও ছিদ্রান্বেষণ করিও না, কাহারও সম্বন্ধে অনুমানভিত্তিক কথা বলিও না। দুনিয়ার জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতা করিও না। একে অন্যের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করিও না এবং অন্যের প্রতি পিঠ ফিরাইয়া থাকিও না। আল্লাহর বান্দা সকলে ভাই ভাই হইয়া যাও।
হাদিস 1648 — Muwatta Malik 47:16
দাঈফ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مُسْلِمٍ عَبْدِ اللَّهِ الْخُرَاسَانِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " تَصَافَحُوا يَذْهَبِ الْغِلُّ وَتَهَادَوْا تَحَابُّوا وَتَذْهَبِ الشَّحْنَاءُ " .
রেওয়ায়ত ১৭. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার বেহেশতের দ্বার খুলিয়া দেওয়া হয় এবং যে মুসলিম বান্দা আল্লাহর সহিত কাহাকেও শরীক করে না তাহাকে ক্ষমা করিয়া দেওয়া হয়, তবে ঐ ব্যক্তি ব্যতীত, যে নিজ ভাইয়ের সহিত শক্রতা পোষণ করে। বলা হইতে থাকে, তাহাদের পরস্পর মেলামেশা না হওয়া পর্যন্ত তাহদের ব্যাপারে অপেক্ষা কর অর্থাৎ যতক্ষণ তাহারা আপস না করে তাহাদেরকে ক্ষমা করা হইবে না।
রেওয়ায়ত ১৮. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিলেনঃ সপ্তাহে দুইবার অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ও সোমবার বান্দাদের আমল লেখা হইয়া থাকে। তখন প্রত্যেক মু'মিন বান্দাকে ক্ষমা করা হইয়া থাকে ঐ ব্যক্তি ব্যতীত, যে স্বীয় ভ্রাতার সহিত শক্রতা পোষণ করে। বলা হয়, এই উভয়কে তাহাদের আপস না হওয়া পর্যন্ত ত্যাগ কর (ক্ষমা করিও না)।