وَحَدَّثَنِي زِيَادٌ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أُنَيْسٍ الْجُهَنِيَّ، قَالَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي رَجُلٌ شَاسِعُ الدَّارِ فَمُرْنِي لَيْلَةً أَنْزِلُ لَهَا . فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " انْزِلْ لَيْلَةَ ثَلاَثٍ وَعِشْرِينَ مِنْ رَمَضَانَ " .
রেওয়ায়ত ১২. আবদুল্লাহ ইবন উনায়স জুহানী (রাঃ) হইতে বর্ণিত- তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে আরজ করিলেনঃ আমি এমন এক ব্যক্তি যাহার বাড়ি অনেক দূরে অবস্থিত, তাই আমাকে আপনি একটি রাত বলিয়া দিন যে রাত্রে আমি (ইবাদতের জন্য এই মসজিদে) আগমন করিব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে বলিলেনঃ তুমি রমযানের তেইশে রাত্রে আগমন কর।
রেওয়ায়ত ১৩. আনাস ইবন মালিক (রাঃ) বলেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহির হইয়া আমাদের নিকট আসিলেন, অতঃপর বলিলেনঃ আমাকে অবশ্য এই রাত্রিটি (শবে-কদর) রমযানে দেখান হইয়াছে, হঠাৎ দুইজন লোক বিতর্কে লিপ্ত হইল, ফলে উহা (আমার স্মৃতি হইতে) তুলিয়া নেওয়া হয়। অতঃপর তোমরা উহাকে তালাশ কর নবম, সপ্তম ও পঞ্চম রাত্রে।
হাদিস 702 — Muwatta Malik 19:13
সহিহ
وَحَدَّثَنِي زِيَادٌ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رِجَالاً، مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُرُوا لَيْلَةَ الْقَدْرِ فِي الْمَنَامِ فِي السَّبْعِ الأَوَاخِرِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنِّي أَرَى رُؤْيَاكُمْ قَدْ تَوَاطَأَتْ فِي السَّبْعِ الأَوَاخِرِ فَمَنْ كَانَ مُتَحَرِّيَهَا فَلْيَتَحَرَّهَا فِي السَّبْعِ الأَوَاخِرِ " .
রেওয়ায়ত ১৪. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের মধ্যে কিছু লোককে লাইলাতুল কদর স্বপ্নে দেখানো হয় শেষের সাত রাত্রে। তারপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ আমি মনে করি তোমাদের স্বপ্ন শেষের সাতদিনের ব্যাপারে পরস্পর মুয়াফিক (সামঞ্জস্যপূর্ণ) হইয়াছে। অতঃপর যে উহাকে (লাইলাতুল কুদর) তালাশ করে, সে যেন শেষের সাত দিনে উহাকে তালাশ করে।
রেওয়ায়ত ১৫. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য আহলে ইলমকে বলিতে শুনিয়াছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাহার পূর্ববর্তী লোকদের আয়ু দেখান হয়। অথবা উহা হইতে যতটুকু আল্লাহ চাহিয়াছেন তাহা দেখান হয়। ফলে তিনি যেন তাহার উম্মতের আয়ুকে সংক্ষিপ্ত মনে করিলেন যাহার কারণে আমলের দিক দিয়া তাহারা পূর্ববর্তী ব্যক্তিদের সমপর্যায়ে পৌছিতে সক্ষম হইবে না। অতঃপর আল্লাহ্ তাহাকে হাজার মাস হইতে উত্তম লাইলাতুল কদর প্রদান করেন।
রেওয়ায়ত ১৬. মালিক (রহঃ) বলেন, তাহার নিকট সংবাদ পৌছিয়াছে যে, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিতেনঃ যে ব্যক্তি শবে-কদরের ইশার নামাযে উপস্থিত হইয়াছে, সে উহার (শবে-কদর) অংশ প্রাপ্ত হইয়াছে।