রেওয়ায়ত ১১. ইয়াহয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলেনঃ আমি সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি স্ত্রীলোকদের সন্তানদের দুধ পান করানো তখন গ্রহণযোগ্য হইবে যখন উহারা দোলনাতে থাকে এবং যাহা গোশত ও রক্ত সৃষ্টি করে। ইবন শিহাব (রহঃ) বলিতেনঃ রাযাআত [দুধ পান করান] অল্প হউক বেশি হউক উহা হারাম করিবে। আর রাযা’আত পুরুষের পক্ষের আত্মীয়তাও হারাম করিবে। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ আমি মালিক (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি সন্তানদের দুধ পান অল্প হউক, বেশি হউক, যদি উহা দুই বৎসরের মধ্যে হয় তবে হারাম করিবে। তিনি বলেন, দুই বৎসরের পরে হইলে অল্প হউক বেশি হউক উহা কিছুই হারাম করিবে না। উহা হইতেছে খাদ্যদ্রব্যের মতো।
হাদিস 1284 — Muwatta Malik 30:13
হাসান
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ رَضَاعَةِ الْكَبِيرِ، فَقَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ أَبَا حُذَيْفَةَ بْنَ عُتْبَةَ بْنِ رَبِيعَةَ، وَكَانَ، مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَكَانَ قَدْ شَهِدَ بَدْرًا وَكَانَ تَبَنَّى سَالِمًا الَّذِي يُقَالُ لَهُ سَالِمٌ مَوْلَى أَبِي حُذَيْفَةَ كَمَا تَبَنَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم زَيْدَ بْنَ حَارِثَةَ وَأَنْكَحَ أَبُو حُذَيْفَةَ سَالِمًا وَهُوَ يَرَى أَنَّهُ ابْنُهُ أَنْكَحَهُ بِنْتَ أَخِيهِ فَاطِمَةَ بِنْتَ الْوَلِيدِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ رَبِيعَةَ وَهِيَ يَوْمَئِذٍ مِنَ الْمُهَاجِرَاتِ الأُوَلِ وَهِيَ مِنْ أَفْضَلِ أَيَامَى قُرَيْشٍ فَلَمَّا أَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى فِي كِتَابِهِ فِي زَيْدِ بْنِ حَارِثَةَ مَا أَنْزَلَ فَقَالَ {ادْعُوهُمْ لآبَائِهِمْ هُوَ أَقْسَطُ عِنْدَ اللَّهِ فَإِنْ لَمْ تَعْلَمُوا آبَاءَهُمْ فَإِخْوَانُكُمْ فِي الدِّينِ وَمَوَالِيكُمْ} رُدَّ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْ أُولَئِكَ إِلَى أَبِيهِ فَإِنْ لَمْ يُعْلَمْ أَبُوهُ رُدَّ إِلَى مَوْلاَهُ فَجَاءَتْ سَهْلَةُ بِنْتُ سُهَيْلٍ وَهِيَ امْرَأَةُ أَبِي حُذَيْفَةَ وَهِيَ مِنْ بَنِي عَامِرِ بْنِ لُؤَىٍّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ كُنَّا نَرَى سَالِمًا وَلَدًا وَكَانَ يَدْخُلُ عَلَىَّ وَأَنَا فُضُلٌ وَلَيْسَ لَنَا إِلاَّ بَيْتٌ وَاحِدٌ فَمَاذَا تَرَى فِي شَأْنِهِ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَرْضِعِيهِ خَمْسَ رَضَعَاتٍ فَيَحْرُمُ بِلَبَنِهَا " . وَكَانَتْ تَرَاهُ ابْنًا مِنَ الرَّضَاعَةِ فَأَخَذَتْ بِذَلِكَ عَائِشَةُ أُمُّ الْمُؤْمِنِينَ فِيمَنْ كَانَتْ تُحِبُّ أَنْ يَدْخُلَ عَلَيْهَا مِنَ الرِّجَالِ فَكَانَتْ تَأْمُرُ أُخْتَهَا أُمَّ كُلْثُومٍ بِنْتَ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ وَبَنَاتِ أَخِيهَا أَنْ يُرْضِعْنَ مَنْ أَحَبَّتْ أَنْ يَدْخُلَ عَلَيْهَا مِنَ الرِّجَالِ وَأَبَى سَائِرُ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَدْخُلَ عَلَيْهِنَّ بِتِلْكَ الرَّضَاعَةِ أَحَدٌ مِنَ النَّاسِ وَقُلْنَ لاَ وَاللَّهِ مَا نَرَى الَّذِي أَمَرَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَهْلَةَ بِنْتَ سُهَيْلٍ إِلاَّ رُخْصَةً مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي رَضَاعَةِ سَالِمٍ وَحْدَهُ لاَ وَاللَّهِ لاَ يَدْخُلُ عَلَيْنَا بِهَذِهِ الرَّضَاعَةِ أَحَدٌ فَعَلَى هَذَا كَانَ أَزْوَاجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي رَضَاعَةِ الْكَبِيرِ .
রেওয়ায়ত ১২. ইবন শিহাব (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল বয়স্কের দুধ পান করা সম্বন্ধে। তিনি (উত্তরে) বলিলেনঃ উরওয়াহ ইবন যুবায়র (রহঃ) আমাকে বলিয়াছেনঃ আবু হুযায়ফা ইবন উতবা ইবন রবি'আ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের সাহাবীদের মধ্যে একজন সাহাবী ছিলেন। তিনি বদরের যুদ্ধে শহীদ হইয়াছেন, তিনি সালিম (রাঃ)-কে পালক পুত্র করিয়াছিলেন যাহাকে বলা হইত-সালিম মাওলা আবু হুযায়ফা। [সায়িবা নামক জনৈকা মহিলা তাহাকে আযাদ করেন, পরে আবু হুযায়ফা তাহাকে লালন-পালন করেন এবং পুত্ররূপে গ্রহণ করেন। এইজন্য সালিমকে আবু হুযায়ফার মাওলা বলা হইয়াছে] যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়দ ইবন হারিস (রাঃ)-কে পুত্র সন্তান বানাইয়ছিলেন এবং আবু হুযায়ফা সালিমের নিকট তাহার ভাতিজী ফাতেমা বিনত ওয়ালিদ ইবন উতবা ইবন রবি'আকে বিবাহ দিলেন, তিনি সালিমকে নিজের পুত্র বলিয়া মনে করিতেন। ফাতেমা ছিলেন প্রথম ভাগে হিজরতকারিণীদের মধ্যে একজন মহিলা এবং তিনি তখন কুরাইশদের অবিবাহিত মহিলাদের মধ্যেও ছিলেন অন্যতমা। যখন আল্লাহ তাহার কিতাবে যায়দ ইবন হারিসা সম্পর্কে এই আয়াত অবতীর্ণ করিলেনঃ ادْعُوهُمْ لآبَائِهِمْ هُوَ أَقْسَطُ عِنْدَ اللَّهِ فَإِنْ لَمْ تَعْلَمُوا آبَاءَهُمْ فَإِخْوَانُكُمْ فِي الدِّينِ وَمَوَالِيكُمْ (অর্থাৎ তোমরা উহাদিগকে ডাক উহাদের পিতৃপরিচয়ে। আল্লাহর নিকট ইহাই ন্যায়সঙ্গত, যদি তোমরা উহাদের পরিচয় না জান তবে উহদিগকে তোমাদের ধর্মীয় ভ্রাতা ও বন্ধুরূপে গণ্য করবে।) যাহাদিগকে পোষ্যপুত্র বানাইয়াছ তাহাদিগকে তাহদের পিতৃপরিচয়ের দিকে ফিরাইয়া দাও। আর যদি পিতার পরিচয় না জান তবে তাহার মাওলার (মনিব বা মিত্রতা সূত্রে স্থাপিত সম্পর্কের স্বজন) দিকে তাহাদিগকে ফিরাইয়া দাও। আর হুযায়ফার স্ত্রী সাহলা বিনত সুহায়ল যিনি ছিলেন আমির ইবন লুয়াই গোত্রের, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট আসিলেন এবং বলিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! সালিমকে আমরা পুত্ররূপে গ্রহণ করিয়াছিলাম। সে আমার কক্ষে প্রবেশ করে এই অবস্থায় যে, আমি তখন একটি কাপড় পরিধান করিয়া থাকি। আর আমার গৃহও মাত্র একটি। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কি? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ এ বিষয়ে আমাদের কথা হইল তাহাকে পাঁচবার (স্তন হইতে) দুধ পান করাইয়া দাও। তাহা হইলে এই দুধের কারণে সে হারাম হইয়া যাইবে এবং সাহলা দুধপান করানোর কারণে তাহাকে পুত্র বলিয়া জানিতেন। উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ অভিমত গ্রহণ করিয়াছেন, অতএব সেই সকল পুরুষের তাঁহার নিকট প্রবেশ করা তিনি পছন্দ করিতেন। তিনি তাহার ভগ্নী উম্মে কুলসুম বিনত আবি বকর সিদ্দীক (রাঃ)-কে এবং তাহার ভাতিজীদিগকে সেই সকল পুরুষকে দুধ পান করানোর নির্দেশ দিতেন। কিন্তু নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অন্যান্য সহধর্মিণী এই প্রকার দুধ পানের দ্বারা কোন পুরুষের তাহদের নিকট প্রবেশ করাতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন। তাহারা বলিতেন, ['আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ)-কে উদ্দেশ্য করিয়া] আল্লাহর কসম, আমরা মনে করি, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহলা বিনত সুহাইলকে যে হুকুম দিয়াছিলেন তাহা কেবলমাত্র সালিমের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের পক্ষ হইতে রুখসত (বিশেষ অনুমতি) স্বরূপ ছিল। কসম আল্লাহর! এই প্রকারের দুধ পান করানো দ্বারা আমাদের নিকট কোন লোক প্রবেশ করিতে পরিবে না। বয়স্কদের দুধ পান করানো সম্বন্ধে আর সকল নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণীগণ এই অভিমতের উপর অটল ছিলেন।
রেওয়ায়ত ১৩. 'আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিয়াছেনঃ বয়স্কদের দুধ পানের বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য “দারুল কাযা” (বিচারালয় ইহা ছিল উমর ফারুক (রাঃ)-এর ঘর, তাহার শাহাদতের পর তাহার ঋণ পরিশোধ করার জন্য এই ঘর বিক্রি করা হয়, তাই ইহাকে দারুল কাযা বলা হয়)-এর নিকট এক ব্যক্তি আসিল। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট তখন আমি উপস্থিত ছিলাম। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিলেনঃ এক ব্যক্তি উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট আসিয়া বলিলেন, আমার এক দাসী ছিল। আমি উহার সহিত সঙ্গম করিতাম - আমার স্ত্রী ইচ্ছাপূর্বক উহাকে দুধ খাওয়াইয়া দেয়, তারপর আমি সেই দাসীর নিকট (সঙ্গমের উদ্দেশ্যে) প্রবেশ করিলাম। আমার স্ত্রী বলিল থাম। উহার সাথে সংগত হইও না আল্লাহর কসম, আমি উহাকে দুধ পান করাইয়াছি। উমর (রাঃ) বলিলেন তোমার স্ত্রীকে শাস্তি দাও, তারপর দাসীর নিকট গমন কর, দুধ পান করানো ছোটদের বেলায় গ্রহণযোগ্য হইয়া থাকে।
রেওয়ায়ত ১৪. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি আবূ মূসা আশ'আরী (রাঃ)-কে প্রশ্ন করিলেন- আমি আমার স্ত্রীর স্তন চুষিয়াছি, দুধ আমার ভিতরে প্রবেশ করিয়াছে। আবু মূসা আশ'আরী (রাঃ) বললেন- আমি মনে করি, তোমার স্ত্রী তোমার উপর হারাম হইয়াছে। আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রহঃ) বললেনঃ ভাবিয়া দেখুন এই ব্যক্তি কে, কি ফতোয়া দিতেছেন? আবূ মূসা বলিলেনঃ তবে আপনি কি বলেন? আবদুল্লাহ্ ইবন মাসউদ (রাঃ) বলিলেনঃ দুধ খাওয়া দুই বৎসরের ভিতরেই হয়, অতঃপর আবু মূসা (রাঃ) বলিলেনঃ এই বিজ্ঞজন যতদিন তোমাদের মধ্যে আছেন তোমরা (কোন বিষয়ে) আমার নিকট ফতোয়া জিজ্ঞাসা করিও না।
হাদিস 1287 — Muwatta Malik 30:16
সহিহ
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " يَحْرُمُ مِنَ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنَ الْوِلاَدَةِ " .
রেওয়ায়ত ১৫. উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, হারাম হইয়া যায় দুধ পানের দ্বারা, যেমন হয় জন্মগত সম্পর্কের দ্বারা।
রেওয়ায়ত ১৬. জদামা বিনতি ওয়াহাব আসদিয়া (রাঃ) উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ)-কে খবর দিয়াছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলিতে শুনিয়াছেন, আমি সংকল্প করিয়াছিলাম ‘গীলা’ হইতে বারণ করার, কিন্তু আমার নিকট উল্লেখ করা হয় যে, রোম ও পারস্যের লোকেরা ইহা করিয়া থাকে, তাহাদের সন্তানদের কোন ক্ষতি হয় না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ গীলা হইতেছে শিশুকে দুধ পান করানোকালীন সময়ে স্ত্রীর সহিত স্বামীর সঙ্গম করা।
হাদিস 1289 — Muwatta Malik 30:18
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَزْمٍ، عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ كَانَ فِيمَا أُنْزِلَ مِنَ الْقُرْآنِ عَشْرُ رَضَعَاتٍ مَعْلُومَاتٍ يُحَرِّمْنَ ثُمَّ نُسِخْنَ بِخَمْسٍ مَعْلُومَاتٍ فَتُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِيمَا يُقْرَأُ مِنَ الْقُرْآنِ .
রেওয়ায়ত ১৭. আমরা বিনত আবদির রহমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্নী আয়েশা (রাঃ) বলিয়াছেনঃ কুরআনে যাহা অবতীর্ণ হইয়াছিল তাহাতে দশবার দুধ চোষার কথা নির্ধারিত ছিল, যাহা হারাম করিবে, তারপর উহা রহিত হইয়া যায় নির্ধারিত পাঁচবার দুগ্ধ চোষার (অবতীর্ণ হুকুমের) দ্বারা। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের ওফাত হয় তখনও সেই পাঁচবার দুধ চোষার (হুকুমের অংশ) সম্মিলিত আয়াত তিলাওয়াত করা হইত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহার উপর আমল নাই। অর্থাৎ পাঁচবারের উপর আমল নাই। দুগ্ধ পান অল্প হউক বা বেশি হউক বিবাহ সম্পর্ক হারাম করিবে।