وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ رَأَيْتُ فِي الْمَنَامِ كَأَنَّ رَأْسِي قُطِعَ . قَالَ فَضَحِكَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ " إِذَا لَعِبَ الشَّيْطَانُ بِأَحَدِكُمْ فِي مَنَامِهِ فَلاَ يُحَدِّثْ بِهِ النَّاسَ " . وَفِي رِوَايَةِ أَبِي بَكْرٍ " إِذَا لُعِبَ بِأَحَدِكُمْ " . وَلَمْ يَذْكُرِ الشَّيْطَانَ .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ সাঈদ আশাজ্জ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি স্বপ্নে দেখলাম যেন আমার মস্তিষ্ক কর্তন করা হয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হেসে বললেন, শাইতান যখন তোমাদের কারো সঙ্গে তার ঘুমের মধ্যে খেলাধূলা করে, তখন সে যেন কোন ব্যক্তির নিকট তা প্রকাশ না করে। আর বর্ণনাকারী আবূ বাকর (রহঃ)-এর বর্ণনাতে আছে- ‘যখন তোমাদের কারো সঙ্গে ক্রীড়া-কৌতুহল করা হয়। তিনি 'শাইতান' শব্দ বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭২৮, ইসলামিক সেন্টার)
—(১৭/২২৬৯) হাজিব ইবনু ওয়ালীদ (রহঃ) ..... উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) অথবা আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হাদীস রিওয়ায়াত করতেন যে, জনৈক লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হলো .....। ভিন্ন সূত্রে হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া তুজীবী (রহঃ) উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবাহ (রাযিঃ) ইবনু শিহাব (রহঃ) কে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এ হাদীসটি রিওয়ায়াত করতেন যে, জনৈক লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি আজ রাতে স্বপ্ন দেখলাম যে, শামিয়ানা হতে ঘি ও মধু ঝরে পড়ছে আর লোকদের দেখলাম- তারা তা থেকে তাদের হাতের অঞ্জলি ভরে ভরে নিয়ে যাচ্ছে। কেউ বেশি পরিমাণ নিচ্ছে, কেউ স্বল্প পরিমাণে। আর একটি রশি দেখলাম আসমান থেকে জমিন পর্যন্ত সংযোগ স্থাপনকারী, আর দেখলাম আপনি তা ধরলেন এবং উপর উঠে গেলেন, এরপর এক ব্যক্তি তা ধরল এবং সে উপর উঠে গেল, তারপর আর এক ব্যক্তি তা ধরল এবং তা ছিড়ে পড়ে গেল। পরিশেষে তা তার জন্য জুড়ে দেয়া হলো এবং সেও উপরে উঠে গেল। স্বপ্ন বর্ণনার এ পর্যায়ে আবূ বাকর (রাযীঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতা আপনার জন্য উৎসর্গিত। আল্লাহর শপথ! আপনি অবশ্য আমাকে অনুমতি দিবেন, তাহলে আমি এ স্বপ্লটির ব্যাখ্যা করব। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আপনি ব্যাখ্যা করুন। আবূ বাকর (রাযিঃ) বললেন, শামিয়ানাটি হলো ইসলামের (রূপক) শামিয়ানা, আর যে ঘি ও মধু ফোটা ঝরে পড়ছিল, তা হচ্ছে আল-কুরআনের মধুরতা ও কোমলতা আর মানুষেরা যে তা থেকে অঞ্জলি ভরে ভরে নিয়ে যাচ্ছিল তা হলো- কেউ বেশি পরিমাণে আর কেউ সামান্য পরিমাণে আল কুরআন হতে সংগ্রহ করছে। আর আসমান হতে জমিন পর্যন্ত সংযুক্ত রশিটি হলো হক ও সত্য (পথ), যার উপরে আপনি রয়েছেন তা ধারণ করলেন, আর আল্লাহ তা দিয়ে আপনাকে উপরে উঠিয়ে নিলেন। তারপর আপনার পরে এক লোক তা ধারণ করলেন এবং তা দিয়ে সেও উপরে উঠে যাবে, তারপর আর এক লোক তা ধারণ করবে এবং তা ছিড়ে পড়ে যাবে, পরে তা তার জন্য জুড়ে দেয়া হবে এবং তা দিয়ে সে উপরে উঠে যাবে। হে আল্লাহর রসূল! এখন আমাকে বলে দিন, আমার পিতা আপনার উদ্দেশে উৎসর্গিত, আমি ঠিক বলেছি নাকি ভুল বলেছি? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কতক ঠিক বলেছেন আর কতক ভুল করেছেন। তিনি বললেন, তাহলে আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহর রসূল! যা আমি ভুল করেছি তা আপনি অবশ্যই আমাকে বর্ণনা করে দিবেন। তিনি বললেন, এভাবে শপথ করবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭২৯, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহুদ (যুদ্ধক্ষেত্র) হতে তার ফিরে আসার সময় জনৈক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে এলো। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আজ রাতে আমি স্বপ্নে দেখলাম- একটি শামিয়ানা তা থেকে ফোটা ফোটা ঘি ও মধু ঝরছে। হাদীসের পরবর্তী অংশ ইউনুস (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অর্থানুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩০, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কিংবা আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, আবদুর রাযযাক বলেন (আমার ঊর্ধ্বতন বর্ণনাকারী উস্তায) মা'মার (রহঃ) কখনো বর্ণনা করতেন ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে আবার কখনো বর্ণনা করতেন আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে এ মর্মে যে, জনৈক লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে উপস্থিত হয়ে বললেন, আজ রাতে (স্বপ্নে) আমি একটি শামিয়ানা দেখতে পাই, তারপর পূর্বোল্লিখিত বর্ণনাকারীগণের বর্ণিত হাদীসের অর্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩১, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান দারিমী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (যেসব অভ্যাসে অভ্যস্ত) ছিলেন (সে সবের মধ্যে একটি ছিল এই) যে, তিনি তার সাহাবীগণকে (ফজরের সালাতের পরে) বলতেন, তোমাদের কেউ কোন স্বপ্ন দেখলে সে তা আমার নিকট প্রকাশ করুক, তাহলে আমি তাকে তার ব্যাখ্যা বলে দিব। জনৈক লোক এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি একটি শামিয়ানা দেখলাম .....। পরবর্তী বর্ণনা (পূর্বোল্লিখিত) বর্ণনাকারীগণের বর্ণিত হাদীসের অবিকল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩২, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ ইবনু কা'নাব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক রাতে আমি দেখলাম যেভাবে ঘুমন্ত লোক দেখে (অর্থাৎ স্বপ্ন), যেন আমরা উক্বাহ ইবনু রাফি’ এর গৃহে রয়েছি। তখন আমাদের নিকট ইবনু তাব* (নামক) খেজুর হতে কিছু তাজা খেজুর নিয়ে আসা হলো। তখন আমি এর বিশ্লেষণ করলাম- পৃথিবীর বুকে আমাদের জন্য উন্নতি এবং আখিরাতে উত্তম পরিণতি। আর আমাদের দীন অবশ্যই উত্তম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
নাসর ইবনু আলী জাহ্যামী (রহঃ) ..... নাফি' (রহঃ) হতে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) এ মর্মে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি ঘুমের মধ্যে আমাকে একটি দাতন দিয়ে মিসওয়াক করতে দেখলাম। তখন দু’লোক আমাকে আকৃষ্ট করল, যাদের একজন অন্যজনের চেয়ে বয়সে বড়। তখন আমি মিসওয়াকটি কম বয়সীকে দিতে গেলে আমাকে বলা হলো- 'বড়কে দিন', তাই তা আমি বয়স্ককে দিয়ে দিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ ‘আমির আবদুল্লাহ ইবনু বাররাদ আশ'আরী ও আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু আলা (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, আমি মাক্কাহ থেকে এমন এক দেশে হিজরত করে যাচ্ছি, যেখানে খেজুর বৃক্ষ আছে, তাতে আমার কল্পনা এদিকে গেল যে, তা ইয়ামামাহ্ অথবা হাজর (এলাকা) হবে। পরে (বাস্তবে) দেখি যে, তা হলো মাদীনাহ্- (যার পূর্ব নাম) ইয়াসরিব। আমি আমার এ স্বপ্নে আরও দেখলাম যে, আমি একটি তলোয়ার নাড়াচাড়া করলাম, ফলে তার মধ্যখান ভেঙ্গে গেল। তা ছিল উহুদের দিনে যা মুমিনগণের উপর আপতিত হয়েছিল। তারপরে আমি আর একবার সে তলোয়ার নাড়া দিলে তা পূর্বের চাইতে ভাল হয়ে গেল। তারপরে মূলত তা হলো সে বিজয় ও ঈমানদারদের সম্মেলন- যা আল্লাহ সংঘটিত করলেন (মাক্কাহ বিজয়)। আমি তাতে একটি গরুও দেখলাম। আর আল্লাহ তা'আলাই কল্যাণের অধিকারী। মূলত তা হলো- উহুদের যুদ্ধে (শাহাদাতপ্রাপ্ত) মুমিনদের দলটি। আর মঙ্গল হলো, সে কল্যাণ যা পরবর্তীতে আল্লাহ তা'আলা দান করেছেন এবং সততা ও নিষ্ঠার সে সাওয়াব ও প্রতিদান— যা আল্লাহ তা'আলা আমাদের বাদর যুদ্ধের পরে দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5935 — Sahih Muslim #5935
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ سَهْلٍ التَّمِيمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ حَدَّثَنَا نَافِعُ بْنُ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَدِمَ مُسَيْلِمَةُ الْكَذَّابُ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ فَجَعَلَ يَقُولُ إِنْ جَعَلَ لِي مُحَمَّدٌ الأَمْرَ مِنْ بَعْدِهِ تَبِعْتُهُ . فَقَدِمَهَا فِي بَشَرٍ كَثِيرٍ مِنْ قَوْمِهِ فَأَقْبَلَ إِلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَمَعَهُ ثَابِتُ بْنُ قَيْسِ بْنِ شَمَّاسٍ وَفِي يَدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قِطْعَةُ جَرِيدَةٍ حَتَّى وَقَفَ عَلَى مُسَيْلِمَةَ فِي أَصْحَابِهِ قَالَ " لَوْ سَأَلْتَنِي هَذِهِ الْقِطْعَةَ مَا أَعْطَيْتُكَهَا وَلَنْ أَتَعَدَّى أَمْرَ اللَّهِ فِيكَ وَلَئِنْ أَدْبَرْتَ لَيَعْقِرَنَّكَ اللَّهُ وَإِنِّي لأُرَاكَ الَّذِي أُرِيتُ فِيكَ مَا أُرِيتُ وَهَذَا ثَابِتٌ يُجِيبُكَ عَنِّي " . ثُمَّ انْصَرَفَ عَنْهُ . فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ فَسَأَلْتُ عَنْ قَوْلِ النَّبِيِّ، صلى الله عليه وسلم " إِنَّكَ أَرَى الَّذِي أُرِيتُ فِيكَ مَا أُرِيتُ " . فَأَخْبَرَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " بَيْنَا أَنَا نَائِمٌ رَأَيْتُ فِي يَدَىَّ سِوَارَيْنِ مِنْ ذَهَبٍ فَأَهَمَّنِي شَأْنُهُمَا فَأُوحِيَ إِلَىَّ فِي الْمَنَامِ أَنِ انْفُخْهُمَا فَنَفَخْتُهُمَا فَطَارَا فَأَوَّلْتُهُمَا كَذَّابَيْنِ يَخْرُجَانِ مِنْ بَعْدِي فَكَانَ أَحَدُهُمَا الْعَنْسِيَّ صَاحِبَ صَنْعَاءَ وَالآخَرُ مُسَيْلِمَةَ صَاحِبَ الْيَمَامَةِ " .
বর্ণনাকারী ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, পরে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বক্তব্য- "আমি মনে করি যে, আমাকে (স্বপ্নে) যা দেখানো হয়েছে তা তোমার বিষয়েই দেখানো হয়েছে" সম্বন্ধে প্রশ্ন করলাম। তখন আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) আমাকে বললেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি ঘুমে থাকাবস্থায় আমার দু'হাতে দুটি সোনার কাকন দেখতে পেলাম; সে দু'টির অবস্থা আমাকে মহাদুশ্চিন্তায় ফেলল। স্বপ্নে আমার নিকট ওয়াহী পাঠানো হলো যে, ও দুটিকে ফুঁ দিন। আমি সে দুটিকে ফুঁ দিলে সে দুটি ভেসে গেল। তখন আমি স্বপ্নে দেখা সে বালা দুটির ব্যাখ্যা করলাম— দু'জন নুবুওয়াতের মিথ্যা দাবীদার, যারা আমার পরে আত্মপ্রকাশ করবে। (বর্ণনাকারী বলেন), তাদের উভয়ের একজন হলো আল-আনসী সান’আবাসীদের নেতা এবং অপরজন হলো মুসাইলামাহ-ইয়ামামাবাসীদের সরদার। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩৬, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5936 — Sahih Muslim 42:40
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " بَيْنَا أَنَا نَائِمٌ أُتِيتُ خَزَائِنَ الأَرْضِ فَوَضَعَ فِي يَدَىَّ أُسْوَارَيْنِ مِنْ ذَهَبٍ فَكَبُرَا عَلَىَّ وَأَهَمَّانِي فَأُوحِيَ إِلَىَّ أَنِ انْفُخْهُمَا فَنَفَخْتُهُمَا فَذَهَبَا فَأَوَّلْتُهُمَا الْكَذَّابَيْنِ اللَّذَيْنِ أَنَا بَيْنَهُمَا صَاحِبَ صَنْعَاءَ وَصَاحِبَ الْيَمَامَةِ " .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনব্বিহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এ হলো সেসব হাদীস যা আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এ কথা বলে তিনি কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করেন। এটি হলো (সেগুলোর একটি)। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, আমি নিদ্রিত ছিলাম এমতাবস্থায় আমার নিকট দুনিয়ার ভাণ্ডারসমূহ নিয়ে আসা হলো। সে সময় আমার হাতে দুটি স্বর্ণের কাকন রেখে দেয়া হলে সে দুটি আমার জন্য অনেক ওজন মনে হলো এবং তারা আমাকে দুর্ভাবনায় ফেলল। তখন আমার নিকট ওয়াহীর মাধ্যমে জানানো হলো যে, আমি যেন সে দু'টির উপরে ফুঁ দেই। তখন আমি ফুঁ দিলে সে দু'টি উড়ে গেল। আমি সে দুটির ব্যাখ্যা করলাম- সে দু' মিথ্যাবাদী (ভণ্ড নবী) যে দু'জনের মাঝে আমি রয়েছি- (অর্থাৎ-) সান’আ অধিবাসী আসওয়াদ আল-আনসী এবং ইয়ামামাহ অধিবাসী মুসাইলামাতুল কাযযাব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩৭, ইসলামিক সেন্টার)