উকবাহ ইবনু মুকরাম আল আম্মী (রহঃ) ..... তার উস্তায ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি উপরোক্ত সনদে ইবনু আবদুর রহমান থেকে শুনেছি। তিনি বলেন, মুনাফিকের চিহ্ন তিনটি- যদিও সে সওম পালন করে এবং সালাত আদায় করে এবং মনে করে যে, সে মুসলিম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ নাসর আত তামমার ও আবদুল আ'লা ইবনু হাম্মাদ (রহঃ)..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণিত 'আলা (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এতে উল্লেখ আছে ..... যদিও সে সওম পালন করে, সালাত আদায় করে এবং মনে করে যে, সে মুসলিম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি তার ভাইকে কাফির বলে আখ্যায়িত করলে সে কুফুরী তাদের উভয়ের কোন একজনের উপর অবশ্যই ফিরে আসবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
(…/...) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামীমী, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ এবং ‘আলী ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কেউ তার ভাইকে কাফির’ বলে সম্বোধন করলে উভয়ের একজনের উপর তা ফিরে আসবে। যাকে কাফির বলা হয়েছে সে কাফির হলো তো হলোই, নতুবা কথাটি বক্তার উপরই ফিরে আসবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১২০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
যুহারর ইবনু হারব (রহ) ... আবূ যার (রযিঃ) বলেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি জেনে শুনে নিজ পিতার পরিবর্তে অন্য কাউকে পিতা বলে, সে কুফুরী করল। আর যে ব্যক্তি এমন কিছুর দাবী করে যা তার নয়, সে আমাদের দলভুক্ত নয় এবং সে যেন জাহান্নামে তার আবাসস্থল বানিয়ে নেয়। আর কেউ কাউকে কাফির বলে ডাকলে বা আল্লাহর দুশমন' বলে ডাকল, যদি সে তা না হয় তাহলে এ কুফুরী সম্বোধনকারীর প্রতি ফিরে আসবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১২১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হারূন ইবনু সাঈদ আল লাইলী (রহঃ) ..... ইরাক ইবনু মালিক (রহঃ) এর সূত্রে আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবূ হুরাইরাকে বলতে শুনেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা নিজেদের পিতৃপরিচয় থেকে বিমুখ হয়ে না। কেননা যে ব্যক্তি নিজের পিতৃপরিচয় দিতে ঘৃণাবোধ করলো, সে কুফরী করলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১২২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 219 — Sahih Muslim 1:125
حَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا هُشَيْمُ بْنُ بَشِيرٍ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، قَالَ لَمَّا ادُّعِيَ زِيَادٌ لَقِيتُ أَبَا بَكْرَةَ فَقُلْتُ لَهُ مَا هَذَا الَّذِي صَنَعْتُمْ إِنِّي سَمِعْتُ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ يَقُولُ سَمِعَ أُذُنَاىَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَقُولُ " مَنِ ادَّعَى أَبًا فِي الإِسْلاَمِ غَيْرَ أَبِيهِ يَعْلَمُ أَنَّهُ غَيْرُ أَبِيهِ فَالْجَنَّةُ عَلَيْهِ حَرَامٌ " . فَقَالَ أَبُو بَكْرَةَ وَأَنَا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... সা'দ আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। আমার উভয় কর্ণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছে যে, ইসলাম গ্রহণের পর যে ব্যক্তি জেনে শুনে নিজের পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে মেনে নেয় তার জন্য জান্নাত হারাম। আবূ বাকরাহ বলেন, আমিও রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এ কথা শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১২৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... সা'দ ও আবূ বাকরা (রাযিঃ) উভয়ে বলেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমার দুই কান শুনেছে এবং আমার অন্তর স্মরণ রেখেছে যে, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি আপন পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে মেনে নেয় অথচ সে জানে যে, সে তার পিতা নয়, তার জন্য জান্নাত হারাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১২৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু বাককার ইবনু আর রাইয়্যান ও ‘আওন ইবনু সাল্লাম এবং মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ) ...'আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মুসলিমকে গালি দেয়া গুনাহের কাজ এবং তার সাথে মারামারি করা কুফুরী। রাবী যুবায়দ বলেন, আমি (আমার উসতায) আবূ ওয়ায়িলকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এ রিওয়ায়াত করতে শুনেছেন? তিনি (আবূ ওয়ায়িল) বললেন, হ্যাঁ। তবে রাবী শু'বার হাদীসে আবূ ওয়ায়িলের সাথে যুবায়রের উক্ত কথার উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১২৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইবনু আল মুসান্না এবং ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১২৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)