Qurani·قرآني
বাংলা

কিতাবুল ঈমান

441 হাদিস · #93–533

হাদিস 113 — Sahih Muslim 1:21
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عَاصِمٌ، - وَهُوَ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ - عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ وَإِقَامِ الصَّلاَةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَحَجِّ الْبَيْتِ وَصَوْمِ رَمَضَانَ ‏"‏ ‏.‏
উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন। রাসূলুল্লাহ বলেছেন, পাঁচটি বিষয়ের উপর ইসলামের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, আর মুহাম্মাদসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বান্দা ও রাসূল- এ কথার সাক্ষ্য প্রদান করা, সালাত কায়িম করা, যাকাত দেয়া, বাইতুল্লাহর হজ্জ করা ও রমাযানের সিয়াম পালন করা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 114 — Sahih Muslim 1:22
وَحَدَّثَنِي ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا حَنْظَلَةُ، قَالَ سَمِعْتُ عِكْرِمَةَ بْنَ خَالِدٍ، يُحَدِّثُ طَاوُسًا أَنَّ رَجُلاً، قَالَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَلاَ تَغْزُو فَقَالَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّ الإِسْلاَمَ بُنِيَ عَلَى خَمْسٍ شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَإِقَامِ الصَّلاَةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَصِيَامِ رَمَضَانَ وَحَجِّ الْبَيْتِ ‏"‏ ‏.‏
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... তাউস (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলো, আপনি জিহাদে অংশগ্রহণ করছেন না কেন?[1] তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত- এ কথার সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, সালাত কায়িম করা, যাকাত আদায় করা, রমাযানের সওম পালন করা ও বাইতুল্লাহর হজ্জ করা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 115 — Sahih Muslim 1:23
حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَبِي جَمْرَةَ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، - وَاللَّفْظُ لَهُ - أَخْبَرَنَا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ، عَنْ أَبِي جَمْرَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَدِمَ وَفْدُ عَبْدِ الْقَيْسِ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا هَذَا الْحَىَّ مِنْ رَبِيعَةَ وَقَدْ حَالَتْ بَيْنَنَا وَبَيْنَكَ كُفَّارُ مُضَرَ فَلاَ نَخْلُصُ إِلَيْكَ إِلاَّ فِي شَهْرِ الْحَرَامِ فَمُرْنَا بِأَمْرٍ نَعْمَلُ بِهِ وَنَدْعُو إِلَيْهِ مَنْ وَرَاءَنَا ‏.‏ قَالَ ‏"‏ آمُرُكُمْ بِأَرْبَعٍ وَأَنْهَاكُمْ عَنْ أَرْبَعٍ الإِيمَانِ بِاللَّهِ - ثُمَّ فَسَّرَهَا لَهُمْ فَقَالَ - شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ وَإِقَامِ الصَّلاَةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَأَنْ تُؤَدُّوا خُمُسَ مَا غَنِمْتُمْ وَأَنْهَاكُمْ عَنِ الدُّبَّاءِ وَالْحَنْتَمِ وَالنَّقِيرِ وَالْمُقَيَّرِ ‏"‏ ‏.‏ زَادَ خَلَفٌ فِي رِوَايَتِهِ ‏"‏ شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ‏"‏ ‏.‏ وَعَقَدَ وَاحِدَةً ‏.‏
খালাফ ইবনু হিশাম ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। ‘আবদুল কায়স-এর (গোত্রের) একটি ওয়াফদ [1] (প্রতিনিধি দল) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমাতে উপস্থিত হয়ে আরয করলো, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা রাবী'আহ গোত্রের লোক। আমাদের এবং আপনার মধ্যে কাফির মুযার গোত্র বিদ্যমান। আমরা শাহরুল হারাম ব্যতীত আপনার নিকট নিরাপদে পৌছাতে পারি না। কাজে আপনি আমাদের এমন কিছু শিক্ষা দিন আমরা যে সবের উপর আমল করতে পারি এবং আমাদের অন্যান্যদের তৎপ্রতি আহবান জানাতে পারি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমাদের আমি চারটি বিষয় পালনের আদেশ করছি এবং চারটি বিষয়ে নিষেধ করছি। তারপর তাদের এ সম্বন্ধে বর্ণনা দিলেন এবং বললেন, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল- এ কথার সাক্ষ্য দেয়া, সালাত কায়িম করা, যাকাত দেয়া এবং তোমাদের গনীমাতলদ্ধ সামগ্রীর এক পঞ্চমাংশ আদায় করা। আর আমি তোমাদের নিষেধ করছি দুব্বা, হানতাম, নাকীর, মুকাইয়্যার থেকে [2]। খালাফ তার বর্ণনায় আরও উল্লেখ করেছেন, "আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই বলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি অঙ্গুলি (সংকেতসূচক) বন্ধ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 116 — Sahih Muslim 1:24
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَأَلْفَاظُهُمْ، مُتَقَارِبَةٌ - قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، - عَنْ أَبِي جَمْرَةَ، قَالَ كُنْتُ أُتَرْجِمُ بَيْنَ يَدَىِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَبَيْنَ النَّاسِ فَأَتَتْهُ امْرَأَةٌ تَسْأَلُهُ عَنْ نَبِيذِ الْجَرِّ، فَقَالَ إِنَّ وَفْدَ عَبْدِ الْقَيْسِ أَتَوْا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَنِ الْوَفْدُ أَوْ مَنِ الْقَوْمُ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا رَبِيعَةُ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ مَرْحَبًا بِالْقَوْمِ أَوْ بِالْوَفْدِ غَيْرَ خَزَايَا وَلاَ النَّدَامَى ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا نَأْتِيكَ مِنْ شُقَّةٍ بَعِيدَةٍ وَإِنَّ بَيْنَنَا وَبَيْنَكَ هَذَا الْحَىَّ مِنْ كُفَّارِ مُضَرَ وَإِنَّا لاَ نَسْتَطِيعُ أَنْ نَأْتِيَكَ إِلاَّ فِي شَهْرِ الْحَرَامِ فَمُرْنَا بِأَمْرٍ فَصْلٍ نُخْبِرْ بِهِ مَنْ وَرَاءَنَا نَدْخُلُ بِهِ الْجَنَّةَ ‏.‏ قَالَ فَأَمَرَهُمْ بِأَرْبَعٍ وَنَهَاهُمْ عَنْ أَرْبَعٍ ‏.‏ قَالَ أَمَرَهُمْ بِالإِيمَانِ بِاللَّهِ وَحْدَهُ ‏.‏ وَقَالَ ‏"‏ هَلْ تَدْرُونَ مَا الإِيمَانُ بِاللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ شَهَادَةُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ وَإِقَامُ الصَّلاَةِ وَإِيتَاءُ الزَّكَاةِ وَصَوْمُ رَمَضَانَ وَأَنْ تُؤَدُّوا خُمُسًا مِنَ الْمَغْنَمِ ‏"‏ ‏.‏ وَنَهَاهُمْ عَنِ الدُّبَّاءِ وَالْحَنْتَمِ وَالْمُزَفَّتِ ‏.‏ قَالَ شُعْبَةُ وَرُبَّمَا قَالَ النَّقِيرِ ‏.‏ قَالَ شُعْبَةُ وَرُبَّمَا قَالَ الْمُقَيَّرِ ‏.‏ وَقَالَ ‏"‏ احْفَظُوهُ وَأَخْبِرُوا بِهِ مِنْ وَرَائِكُمْ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ أَبُو بَكْرٍ فِي رِوَايَتِهِ ‏"‏ مَنْ وَرَاءَكُمْ ‏"‏ وَلَيْسَ فِي رِوَايَتِهِ الْمُقَيَّرِ ‏.‏
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না এবং মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ জামরাহ্ (নাসর ইবনু ইমরান) বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর সম্মুখে তার ও ভিনদেশী লোকেদের মধ্যে দোভাষীর কাজ করতাম। একদা জনৈক মহিলা এসে তাকে মাটির কলসীর মধ্যে নবীয [1] প্রস্তুত করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। তিনি বললেন, আবদুল কায়সের প্রতিনিধি দল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আসলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ কাদের এ প্রতিনিধি দল? অথবা তিনি বললেন, কোন গোত্রের লোক? তারা বললো, রাবী'আহ গোত্রের। তিনি বললেন, ঐ গোত্রের অথবা বললেন, প্রতিনিধি দলের আগমন শুভ হোক। তাদের লজ্জিত হওয়ার ও অপমানিত হওয়ারও কোন কারণ নেই (তারা ইতোপূর্বে স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেছে)। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, এরপর তারা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা দূর-দূরান্ত থেকে সফর করে আপনার কাছে এসেছি। আমাদের ও আপনার মাঝখানে কাফির মুযারা গোত্র বাস করে। তাই আমরা মাহে হারাম (সম্মানিত মাস) ছাড়া অন্য সময় আপনার কাছে আসতে পারি না। আপনি আমাদেরকে সুস্পষ্টভাবে কোন কাজের কথা বলে দিন যেন আমরা তা আমাদের পশ্চাতের অন্যান্য লোকদের জানিয়ে দিতে পারি এবং সে অনুযায়ী আমল করে আমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারি। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন তাদের চারটি বিষয় পালনের নির্দেশ দিলেন এবং চারটি বিষয় থেকে নিষেধ করলেন। এক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দিলেন এবং বললেন, তোমরা জান এক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা কী? তারা আরয করলো, আল্লাহ ও তার রাসূল এ বিষয়ে ভালো জানেন। রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল আর তোমরা সালাত করিম করবে, যাকাত দিবে, রমযানের সিয়াম পালন করবে এবং গনীমাতলদ্ধ সামগ্রীর এক পঞ্চমাংশ দান করবে। তিনি তাদের চারটি বিষয়ে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। তা হচ্ছে দুব্বা, হানতাম, মুযাফফাত। চতুর্থটি সম্বন্ধে শু'বাহ বলেন, এরপর রাবী কখনো নাকীর কখনো বা মুকাইয়্যার শব্দ উল্লেখ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, এসব বিধান হিফাযাত করবে এবং যারা আসেনি তাদের তা জানিয়ে দিবে। আবূ বাকর (রাযিঃ) এর রিওয়ায়াতে مَنْ وَرَاءَكُمْ (যারা আসেনি) কথাটি রয়েছে কিন্তু الْمُقَيَّرِ শব্দটি নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 117 — Sahih Muslim 1:25
وَحَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي قَالاَ، جَمِيعًا حَدَّثَنَا قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ أَبِي جَمْرَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا الْحَدِيثِ نَحْوَ حَدِيثِ شُعْبَةَ ‏.‏ وَقَالَ ‏"‏ أَنْهَاكُمْ عَمَّا يُنْبَذُ فِي الدُّبَّاءِ وَالنَّقِيرِ وَالْحَنْتَمِ وَالْمُزَفَّتِ ‏"‏ ‏.‏ وَزَادَ ابْنُ مُعَاذٍ فِي حَدِيثِهِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلأَشَجِّ أَشَجِّ عَبْدِ الْقَيْسِ ‏"‏ إِنَّ فِيكَ خَصْلَتَيْنِ يُحِبُّهُمَا اللَّهُ الْحِلْمُ وَالأَنَاةُ ‏"‏ ‏.‏
উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে শু'বাহর বর্ণনার অনুরূপ রিওয়ায়াত বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমি তোমাদের দুব্বা, নাকীর, হানতাম ও মুযাফফাত নামক নবীয তৈরির পাত্রের ব্যবহার নিষেধ করছি। ইবনু মুআয (রাযিঃ) তার পিতার সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতে আরো উল্লেখ করেন যে ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল কায়স গোত্রের আশাজ (ক্ষত বিশিষ্ট দলপতিকে) বললেন, তোমাদের দু'টো বিশেষ গুণ রয়েছে, যা আল্লাহ পছন্দ করেন – ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 118 — Sahih Muslim 1:26
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا مَنْ، لَقِيَ الْوَفْدَ الَّذِينَ قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ ‏.‏ قَالَ سَعِيدٌ وَذَكَرَ قَتَادَةُ أَبَا نَضْرَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ فِي حَدِيثِهِ هَذَا ‏.‏ أَنَّ أُنَاسًا مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا يَا نَبِيَّ اللَّهِ إِنَّا حَىٌّ مِنْ رَبِيعَةَ وَبَيْنَنَا وَبَيْنَكَ كُفَّارُ مُضَرَ وَلاَ نَقْدِرُ عَلَيْكَ إِلاَّ فِي أَشْهُرِ الْحُرُمِ فَمُرْنَا بِأَمْرٍ نَأْمُرُ بِهِ مَنْ وَرَاءَنَا وَنَدْخُلُ بِهِ الْجَنَّةَ إِذَا نَحْنُ أَخَذْنَا بِهِ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ آمُرُكُمْ بِأَرْبَعٍ وَأَنْهَاكُمْ عَنْ أَرْبَعٍ اعْبُدُوا اللَّهَ وَلاَ تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا وَأَقِيمُوا الصَّلاَةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ وَصُومُوا رَمَضَانَ وَأَعْطُوا الْخُمُسَ مِنَ الْغَنَائِمِ وَأَنْهَاكُمْ عَنْ أَرْبَعٍ عَنِ الدُّبَّاءِ وَالْحَنْتَمِ وَالْمُزَفَّتِ وَالنَّقِيرِ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا يَا نَبِيَّ اللَّهِ مَا عِلْمُكَ بِالنَّقِيرِ قَالَ ‏"‏ بَلَى جِذْعٌ تَنْقُرُونَهُ فَتَقْذِفُونَ فِيهِ مِنَ الْقُطَيْعَاءِ - قَالَ سَعِيدٌ أَوْ قَالَ مِنَ التَّمْرِ - ثُمَّ تَصُبُّونَ فِيهِ مِنَ الْمَاءِ حَتَّى إِذَا سَكَنَ غَلَيَانُهُ شَرِبْتُمُوهُ حَتَّى إِنَّ أَحَدَكُمْ - أَوْ إِنَّ أَحَدَهُمْ - لَيَضْرِبُ ابْنَ عَمِّهِ بِالسَّيْفِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْقَوْمِ رَجُلٌ أَصَابَتْهُ جِرَاحَةٌ كَذَلِكَ ‏.‏ قَالَ وَكُنْتُ أَخْبَأُهَا حَيَاءً مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ فَفِيمَ نَشْرَبُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ فِي أَسْقِيَةِ الأَدَمِ الَّتِي يُلاَثُ عَلَى أَفْوَاهِهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَرْضَنَا كَثِيرَةُ الْجِرْذَانِ وَلاَ تَبْقَى بِهَا أَسْقِيَةُ الأَدَمِ ‏.‏ فَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَإِنْ أَكَلَتْهَا الْجِرْذَانُ وَإِنْ أَكَلَتْهَا الْجِرْذَانُ وَإِنْ أَكَلَتْهَا الْجِرْذَانُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لأَشَجِّ عَبْدِ الْقَيْسِ ‏"‏ إِنَّ فِيكَ لَخَصْلَتَيْنِ يُحِبُّهُمَا اللَّهُ الْحِلْمُ وَالأَنَاةُ ‏"‏ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব(রহঃ) ... কাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে আগত আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দলের সাথে সাক্ষাৎকারী এক ব্যক্তি আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (বর্ণনাকারী) সাঈদ বলেছেন, কাতাদাহ আবূ নাযরার নাম উল্লেখ করেছেন। তিনি আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আবদুল কায়স গোত্রের ক'জন লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহর নবী! আমরা রাবী'আহ গোত্রের লোক। আমাদের ও আপনার মাঝখানে কাফির মুযার গোত্রের অবস্থান। তাই আমরা মাহে হারাম ব্যতীত অন্য কোন সময় আপনার কাছে আসতে পারি না। কাজেই আপনি আমাদেরকে এমন কিছু কাজের নির্দেশ দিন, যা করার জন্য আমরা আমাদের পশ্চাতের অন্যান্য লোকদেরকে হুকুম করবো এবং আমরা নিজেরাও তা বাস্তবায়ন করবো যাতে এর মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারি। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আমি তোমাদেরকে চারটি কাজের হুকুম করবো, আর চারটি জিনিস থেকে নিষেধ করবো। তোমরা আল্লাহর ইবাদাত করো, তার সাথে অন্য কাউকে অংশীদার করো না, সালাত কায়িম করো, যাকাত দাও এবং রমযানের সওম পালন কর। আর গনীমাতের সম্পদ থেকে এক পঞ্চমাংশ দান কর এবং তোমাদেরকে চারটি জিনিস (ব্যবহারে) নিষেধ করবোঃ কদুর শুকনো খোল, সবুজ রং লাগানো কলসী, আলকাতরা লাগানো হাড়ি-পাতিল ও কাষ্ঠ পাত্র ব্যবহার করতে। তারা বললো, হে আল্লাহর নবী! নাকীর (কাষ্ঠ পাত্র) সম্বন্ধে আপনি কতটুকু অবগত? তিনি বললেন, হ্যাঁ। খেজুর গাছের কাণ্ড যা তোমরা খোদাই করে নাও, পরে এর মধ্যে খেজুরের টুকরাগুলো নিক্ষেপ করো, (অর্থাৎ খেজুরের মধ্যে পানি ঢেলে তা দ্বারা নবীয' অথবা "মদ প্রস্তুত করে থাকে)। সাঈদ বলেন, অথবা তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, খেজুরের টুকরা নিক্ষেপ করো, পরে তন্মধ্যে কিছু পানি ঢেলে দাও। অবশেষে যখন তার ফেনা থেমে যায় (অর্থাৎ তা মদে পরিণত হয়) তখন তোমরা পান করো। ফলে তোমাদের কেউ অথবা তাদের কেউ মদের নেশায় হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে আপন চাচাত ভাইকে তরবারি দিয়ে হত্যা করে। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, উক্ত প্রতিনিধি দলের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি ছিল যার শরীরের মধ্যে ছিল ক্ষতের চিহ্ন। সে বলল, লজ্জাবশতঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে আমার ক্ষত চিহ্নটি লুকিয়ে রাখলাম এবং বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তা হলে আমরা পানীয় বস্তু কিসে পান করবো? তিনি বললেন, চামড়ার থলি বা মশকের মধ্যে যার মুখ রশি দ্বারা বেঁধে দেয়া হয়। তারা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের এলাকায় ইদুরের উপদ্রব খুব বেশি, ফলে চামড়ার থলি একটিও নিরাপদে থাকে না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ যদিও তা ইদুর খেয়ে ফেলে, যদিও তা ইদুর খেয়ে ফেলে, যদিও তা ইদুর খেয়ে ফেলে। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবদুল কায়স গোত্রের ক্ষত চিহ্নওয়ালা লোকটির উদ্দেশে বললেন, অবশ্য তোমার মধ্যে এমন দুটি বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান যা আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়- সহিষ্ণুতা ও ধীরতা-নম্রতা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 119 — Sahih Muslim 1:27
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي غَيْرُ، وَاحِدٍ، لَقِيَ ذَاكَ الْوَفْدَ ‏.‏ وَذَكَرَ أَبَا نَضْرَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ وَفْدَ عَبْدِ الْقَيْسِ، لَمَّا قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ ابْنِ عُلَيَّةَ غَيْرَ أَنَّ فِيهِ ‏ "‏ وَتَذِيفُونَ فِيهِ مِنَ الْقُطَيْعَاءِ أَوِ التَّمْرِ وَالْمَاءِ ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَقُلْ قَالَ سَعِيدٌ أَوْ قَالَ مِنَ التَّمْرِ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না ও ইবনু বাশ্শার (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (আবদুল কায়স এর) প্রতিনিধি দলের সাথে যাদের সাক্ষাৎ হয়েছিল তাদের একাধিক ব্যক্তি আমাকে বলেছেন। আবূ নাযরাহ আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধিগণ যখন রাসূলুল্লাহ -এর কাছে আসলো। হাদীসটির বাকী অংশ ইবনু উলাইয়্যার বর্ণনার অনুরূপ। তবে তাতে উল্লেখ আছে যে, তোমরা এক (কাষ্ঠ পাত্রের) মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খেজুর, খুরমা এবং পানি ঢেলে দিয়ে থাকো।تقذفون এর পরিবর্তে تَذِيفُونَ রয়েছে এবং সাঈদের 'খেজুর থেকে' কথাটি উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 120 — Sahih Muslim 1:28
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَكَّارٍ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، ح وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو قَزَعَةَ، أَنَّ أَبَا نَضْرَةَ، أَخْبَرَهُ وَحَسَنًا، أَخْبَرَهُمَا أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ أَخْبَرَهُ أَنَّ وَفْدَ عَبْدِ الْقَيْسِ لَمَّا أَتَوْا نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالُوا يَا نَبِيَّ اللَّهِ جَعَلَنَا اللَّهُ فِدَاءَكَ مَاذَا يَصْلُحُ لَنَا مِنَ الأَشْرِبَةِ فَقَالَ ‏"‏ لاَ تَشْرَبُوا فِي النَّقِيرِ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا يَا نَبِيَّ اللَّهِ جَعَلَنَا اللَّهُ فِدَاءَكَ أَوَتَدْرِي مَا النَّقِيرُ قَالَ ‏"‏ نَعَمِ الْجِذْعُ يُنْقَرُ وَسَطُهُ وَلاَ فِي الدُّبَّاءِ وَلاَ فِي الْحَنْتَمَةِ وَعَلَيْكُمْ بِالْمُوكَى ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু বাক্কার আল বাসরী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসল, তখন বললো, হে আল্লাহর নবী! আল্লাহ আপনার কল্যাণ করুন, অথবা আল্লাহ আমাদের প্রাণ আপনার জন্য উৎসর্গ করুন। পানপাত্রের মধ্যে আমাদের জন্য কোন ধরনের পাত্র উপযোগী? তিনি বললেন, 'নাকীরের' পানীয় দ্রব্য পান করো না। এবার তারা বললো, হে আল্লাহর নবী! আল্লাহ আপনার জন্য আমাদের কুরবান করুন। 'নাকীর' কী, তা আপনি কি জানেন? তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ’। নাকীর এক প্রকার পাত্র যা খেজুর গাছ খোদাই করে তৈরি করা হয়। তিনি আরো বললেন, 'দুববা বা হানতাম’ এর মধ্যেও পানীয় পান করতে পারবে না, তবে তোমাদের উচিত যে পাত্রের মুখ রশি দ্বারা বাধা যায় (অর্থাৎ চামড়ার মশক বা থলি) তা ব্যবহার করা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 121 — Sahih Muslim 1:29
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ جَمِيعًا عَنْ وَكِيعٍ، - قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، - عَنْ زَكَرِيَّاءَ بْنِ إِسْحَاقَ، قَالَ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَيْفِيٍّ، عَنْ أَبِي مَعْبَدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، - قَالَ أَبُو بَكْرٍ رُبَّمَا قَالَ وَكِيعٌ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ مُعَاذًا، - قَالَ بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّكَ تَأْتِي قَوْمًا مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ ‏.‏ فَادْعُهُمْ إِلَى شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوا لِذَلِكَ فَأَعْلِمْهُمْ أَنَّ اللَّهَ افْتَرَضَ عَلَيْهِمْ خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوا لِذَلِكَ فَأَعْلِمْهُمْ أَنَّ اللَّهَ افْتَرَضَ عَلَيْهِمْ صَدَقَةً تُؤْخَذُ مِنْ أَغْنِيَائِهِمْ فَتُرَدُّ فِي فُقَرَائِهِمْ فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوا لِذَلِكَ فَإِيَّاكَ وَكَرَائِمَ أَمْوَالِهِمْ وَاتَّقِ دَعْوَةَ الْمَظْلُومِ فَإِنَّهُ لَيْسَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ اللَّهِ حِجَابٌ ‏"‏ ‏.‏
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। মু'আয ইবনু জাবাল (রাযিঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে (ইয়ামানের প্রশাসক নিযুক্ত করে) পাঠালেন। তিনি বললেন, তুমি এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট যাচ্ছে যারা কিতাবধারী। সুতরাং তাদেরকে আহবান জানাবে এ সাক্ষ্য দেয়ার জন্য, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ (উপাস্য) নেই আর আমি আল্লাহর রাসূল। যদি তারা তোমার এ কথা মেনে নেয়, তবে তাদেরকে জানিয়ে দিবে যে, প্রত্যহ দিন ও রাতে আল্লাহ তাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। যদি তারা তোমার এ কথাও মেনে নেয়, তবে তাদেরকে জানিয়ে দিবে যে, আল্লাহ তাদের উপর যাকাত ফরয করেছেন- যা তাদের ধনীদের থেকে আদায় করা হবে এবং তাদের দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হবে। যদি তারা এ কথাও মেনে নেয়, তবে তাদের ভালো ভালো সম্পদগুলো গ্রহণ করা থেকে বিরত থেকো। আর মাযলুমের অভিশাপকে ভয় কর, কেননা তার ও আল্লাহর মাঝখানে কোন আড়াল নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 122 — Sahih Muslim 1:30
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ بْنُ إِسْحَاقَ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ زَكَرِيَّاءَ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَيْفِيٍّ، عَنْ أَبِي مَعْبَدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ مُعَاذًا إِلَى الْيَمَنِ فَقَالَ ‏ "‏ إِنَّكَ سَتَأْتِي قَوْمًا ‏"‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ وَكِيعٍ ‏.‏
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ নিশ্চয় তুমি এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট যাচ্ছ ..... বাকী অংশ ওয়াকীর বর্ণনার অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।