যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ঈমানের শাখা সত্তরটিরও কিছু বেশি। অথবা ষাটটির কিছু বেশি। এর সর্বোচ্চ শাখা হচ্ছে (আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই) এ কথা স্বীকার করা, আর এর সর্বনিম্ন শাখা হচ্ছে রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা। আর লজ্জা ঈমানের একটি বিশেষ শাখা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... সলিমের পিতা আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি তার ভাইকে লজ্জার ব্যাপারে উপদেশ দিচ্ছিলেন শুনতে পেয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, লজ্জা ঈমানের অঙ্গ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে উক্ত সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তার বর্ণনায় আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জনৈক আনসারীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন; সে আনসারী তার ভাইকে লজ্জার ব্যাপারে নাসীহাত করছিলেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬২, ইসলামিক সেন্টারঃ
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী (রহঃ) ..... আবূ কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের একদল ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। আমাদের মাঝে বুশায়র ইবনু কা'বও ছিলেন। তখন 'ইমরান (রাযিঃ) আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, লজ্জার সবটাই মঙ্গলজনক। রাবী বলেন যে, কিংবা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ লজ্জা সবটাই কল্যাণকর। বুশায়র ইবনু কাব (রহঃ) বলেন, কোন কোন কিতাবে বা হিকমাতের গ্রন্থে আমরা পেয়েছি যে, লজ্জা থেকেই আল্লাহর জন্য গাম্ভীর্য ও প্রশান্তির উৎপত্তি এবং তা থেকে দুর্বলতারও উৎপত্তি। রাবী বলেন, এ কথা শুনে ইমরান (রাযিঃ) রেগে গেলেন এমনকি তার দুই চোখ লাল হয়ে গেল। ইমরান (রাযিঃ) বলেন, সাবধান! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাদীস বলছি আর তার মুকাবিলায় তুমি পুথির কথা বলছ। এরপর ইমরান (রাযিঃ) পুনরুক্তি করলেন। আর বুশায়রও তার কথার পুনরাবৃত্তি করলেন। এতে ইমরান (রাযিঃ) খুবই রেগে গেলেন। রাবী বলেন যে, আমরা বলতে লাগলাম, হে আবূ নুজায়দ! (ইমরানের উপনাম) সে আমাদেরই লোক। তার মধ্যে ত্রুটি নেই। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে হাম্মাদ ইবনু যায়দের মতো হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৪, ৬৫; ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 157 — Sahih Muslim 1:65
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا النَّضْرُ، حَدَّثَنَا أَبُو نَعَامَةَ الْعَدَوِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ حُجَيْرَ بْنَ الرَّبِيعِ الْعَدَوِيَّ، يَقُولُ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ حَدِيثِ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ .
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا النَّضْرُ، حَدَّثَنَا أَبُو نَعَامَةَ الْعَدَوِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ حُجَيْرَ بْنَ الرَّبِيعِ الْعَدَوِيَّ، يَقُولُ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ حَدِيثِ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ .
হাদিস 158 — Sahih Muslim 1:63
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ الْمُثَنَّى - قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا السَّوَّارِ، يُحَدِّثُ أَنَّهُ سَمِعَ عِمْرَانَ بْنَ حُصَيْنٍ، يُحَدِّثُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " الْحَيَاءُ لاَ يَأْتِي إِلاَّ بِخَيْرٍ " . فَقَالَ بُشَيْرُ بْنُ كَعْبٍ إِنَّهُ مَكْتُوبٌ فِي الْحِكْمَةِ أَنَّ مِنْهُ وَقَارًا وَمِنْهُ سَكِينَةً . فَقَالَ عِمْرَانُ أُحَدِّثُكَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَتُحَدِّثُنِي عَنْ صُحُفِكَ .
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... 'ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, লজ্জা-সন্ত্রম কল্যাণকেই ডেকে আনে। বুশীয়র ইবনু কা'ব বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞানের পুস্তকে লিখা আছে যে, এর (লজ্জা) মাধ্যমে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে এবং প্রশান্তি নেমে আসে। তার কথা শুনে ইমরান বললেন, আমি তোমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মুখ নিঃসৃত বাণীই করছি। আর তুমি আমাকে বলছ, তোমাদের বইয়ের কথা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, আবূ কুরায়ব ..... সুফইয়ান ইবনু 'আবদুল্লাহ আস্ সাকাফী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে ইসলাম সম্পর্কে এমন একটি কথা বলুন যে, আমাকে এ সম্পর্কে আপনার পরে অন্য কারো কাছে জিজ্ঞেস করতে না হয়। আবূ উসামার হাদীসে রয়েছে- আপনি ছাড়া আর কাউকে জিজ্ঞেস করব না। তিনি বললেন, ‘বল আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনলাম। অতঃপর এর উপর অবিচল থাক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) .... আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে প্রশ্ন করল যে, কোন ইসলাম উত্তম? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি লোকদের পানাহার করাবে এবং পরিচিত এবং অপরিচিত সবাইকে সালাম করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু সাবহ আল মিসরী (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু আল আস (রাযিঃ) বলেন যে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞেস করল, সর্বোত্তম মুসলিম কে?' তিনি বললেন, সে ব্যক্তি যার মুখ ও হাত থেকে সকল মুসলিম নিরাপদ থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাসান আল হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, সত্যিকার মুসলিম সে যার মুখ ও হাত থেকে অন্যান্য মুসলিম নিরাপদ থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)