হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের উপর ঈমান রাখে সে যেন ভালো কথা বলে, নতুবা চুপ থাকে। যে ব্যক্তি আল্লাহর আখিরাতের উপর ঈমান রাখে সে যেন প্রতিবেশীকে সম্মান করে। যে ব্যক্তি আল্লাহর আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন মেহমানদের সমাদর করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রাযিঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ও আখিরাতের উপর বিশ্বাস রাখে সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয় এবং যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ও আখিরাতের উপর ঈমান রাখে সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ও আখিরাতের উপর বিশ্বাস রাখে সে যেন ভালো কথা বলে নতুবা চুপ থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 175 — Sahih Muslim 1:82
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ أَبِي حَصِينٍ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ " فَلْيُحْسِنْ إِلَى جَارِهِ " .
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ পরবর্তী অংশ রাবী আবূ হাসীনের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছে "তার প্রতিবেশীর প্রতি যেন ভালো ব্যবহার করে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
যুহারর ইবনু হারব ও মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ শুরায়হ আল খুযাঈ (রাযিঃ) বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন ভালো কথা বলে, নতুবা নিরবতা অবলম্বন করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... তারিক ইবনু শিহাব (আবূ বাকর ইবনু আবী শাইবার হাদীসে) বলেনঃ মারওয়ান ঈদের দিন সালাতের পূর্বে খুতবাহ দেয়ার (বিদ'আতী) প্রথা প্রচলন করে। এ সময় এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, খুতবার আগে সালাত" (সম্পন্ন করুন)। মারওয়ান বললেন, এখন থেকে সে নিয়ম পরিত্যাগ করা হল। সাথে সাথে আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) ওঠে বললেন, ঐ ব্যক্তি তার কর্তব্য পালন করেছে। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি, তোমাদের কেউ গৰ্হিত কাজ হতে দেখলে সে যেন স্বহস্তে (শক্তি প্রয়োগে) পরিবর্তন করে দেয়, যদি তার সে ক্ষমতা না থাকে, তবে মুখ (বাক্য) দ্বারা এর পরিবর্তন করবে। আর যদি সে সাধ্যও না থাকে, তখন অন্তর দ্বারা করবে, তবে এটা ঈমানের দুর্বলতম পরিচায়ক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) এর সূত্রে মারওয়ানের ঘটনা বর্ণনা করেছেন। আর এ হাদীসটি শু'বাহ ও সুফইয়ানের বর্ণিত হাদীসের মতোই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আমর আন নাকিদ এবং আবূ বকর ইবনু নাযর ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমার পূর্বে আল্লাহ তা'আলা যে নবীকেই কোন উম্মতের মধ্যে পাঠিয়েছেন, তাদের মধ্যে তার জন্য একদল অনুসারী ও সাহাবা ছিল। তারা তার সুন্নাতকে সমুন্নত রাখত এবং তার নির্দেশের অনুসরণ করত। অতঃপর তাদের অবর্তমানে কতগুলো মন্দ লোক স্থলাভিষিক্ত হয়। তারা মুখে যা বলে নিজেরা তা করে না। আর যা করে তার জন্য তাদেরকে নির্দেশ করা হয়নি। অতএব যে ব্যক্তি তাদের হাত (শক্তি) দ্বারা মুকাবিলা করবে, সে মু'মিন। যে ব্যাক্তি জিহ্বা (মুখ) দারা মুকাবিলা করবে সে মু'মিন এবং যে ব্যাক্তি অন্তর দ্বারা মুকাবিলা করবে সেও মু'মিন এরপর আর সরিষার দানা পরিমাণও ঈমান স্তর নেই। আবূ নাফি বলেন, আমি এ হাদীসটি 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) কে বললাম। তিনি আমার সামনে এটা অস্বীকার করলেন। পরে এক সময় ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) কানাত (মদীনার কাছাকাছি একটি) নামক স্থানে আসলেন 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) অসুস্থ ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদকে দেখার জন্য আমাকে সঙ্গে নিয়ে গেলেন। আমি তার সাথে গেলাম। যখন আমরা বসে পড়লাম, তখন আমি আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদকে এ হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাকে অবিকল সেরূপই বর্ণনা করলেন, যেরূপ আমি ইবনু উমার (রাযিঃ) কে বর্ণনা করেছিলাম। সালিহ বলেন, আবূ রাফি থেকে হুবহু এরূপই বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু ইসহাক ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে কোন নবীর জন্য এমন কিছু সংখ্যক নিবেদিত প্রাণ সহচর জুটেছিল, যারা তার নির্দেশিত পথে জীবন যাপন করেছেন এবং তার সুন্নাতকে সমুন্নত রেখেছেন।" হাদীসের অবশিষ্টাংশ হুবহু সালিহ-এর হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় ইবনু মাসউদের আগমন ও তার সাথে ইবনু উমারের একত্রিত হওয়ার কথা উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু নুমায়র, আবূ কুরায়ব এবং ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী (রহঃ) ... আবূ মাসউদ (রাযিঃ) বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার হাত দিয়ে ইয়ামানের দিকে ইশারা করে বললেন, জেনে রাখ, ঈমান সেখানেই। কঠোর ও পাষাণ হৃদয় হচ্ছে শয়তানের দুই শিংয়ের মধ্যে বসবাসকারী সে সব লোক যারা উটের লেজের গোড়া থেকে চীৎকার দিয়ে থাকে, অর্থাৎ রাবী'আহ ও মুযারা গোত্র। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 182 — Sahih Muslim 1:89
حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، أَنْبَأَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " جَاءَ أَهْلُ الْيَمَنِ هُمْ أَرَقُّ أَفْئِدَةً الإِيمَانُ يَمَانٍ وَالْفِقْهُ يَمَانٍ وَالْحِكْمَةُ يَمَانِيَةٌ " .
আবূ রবী' আয যাহরানী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ইয়ামানের অধিবাসীরা এসেছে; তাদের হৃদয় বড়ই কোমল। ঈমান রয়েছে ইয়ামানবাসীদের মধ্যে, ধর্মীয় গভীর জ্ঞান রয়েছে ইয়ামানবাসীদের মধ্যে এবং হিকমাত রয়েছে ইয়ামানবাসীদের মধ্যে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)