ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনুল আলা (রহঃ) ..... আবূ আতিয়্যাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ও মাসরুক (রহঃ) আয়িশাহ্ (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম এবং তঁকে বললাম, হে উম্মুল মু'মিনীন মুহাম্মাদ এর সাহাবীবৃন্দের দু' ব্যক্তির মধ্যে এক ব্যক্তি ইফত্বার ও সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) ত্বরান্বিত করে এবং অন্য এক ব্যক্তি ইফতার ও সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) বিলম্ব করে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে কোন ব্যক্তি যে ইফত্বার ও সালাত তরাস্থিত করে? আমরা বললাম, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ)। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপই করতেন। আবূ কুরায়ব বলেন, অপরজন হলেন, আবূ মূসা (রাযিঃ)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪২৩, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2557 — Sahih Muslim 13:63
وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ، عَنْ أَبِي عَطِيَّةَ، قَالَ دَخَلْتُ أَنَا وَمَسْرُوقٌ، عَلَى عَائِشَةَ - رضى الله عنها - فَقَالَ لَهَا مَسْرُوقٌ رَجُلاَنِ مِنْ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم كِلاَهُمَا لاَ يَأْلُو عَنِ الْخَيْرِ أَحَدُهُمَا يُعَجِّلُ الْمَغْرِبَ وَالإِفْطَارَ وَالآخَرُ يُؤَخِّرُ الْمَغْرِبَ وَالإِفْطَارَ . فَقَالَتْ مَنْ يُعَجِّلُ الْمَغْرِبَ وَالإِفْطَارَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ . فَقَالَتْ هَكَذَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُ .
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... আবূ আতিয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ও মাসরুক আয়িশাহ্ (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম। এরপর মাসরুক তাকে বললেন, মুহাম্মাদসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণের মধ্যে দু' ব্যক্তি যারা কল্যাণজনক কাজে কোন প্রকার অবহেলা প্রদর্শন করেন না, তাদের একজন মাগরিব এবং ইফত্বারের মধ্যে ত্বরা করেন। আর অপরজন মাগরিব ও ইফত্বারে বিলম্ব করেন। তিনি বললেন যে, কোন ব্যক্তি সে মাগরিব ও ইফত্বারে ত্বরা করেন? তিনি বললেন, তিনি আবদুল্লাহ। তখন আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপই করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪২৪, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ কুরায়ব ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ... উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন রাত আসে, দিন চলে যায় এবং সূর্য অদৃশ্য হয়ে যায়, তখন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালনকারী ইফতার করবে।* ইবনু নুমায়র (রহঃ) فَقَدْ শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪২৫, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2559 — Sahih Muslim 13:65
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، بْنِ أَبِي أَوْفَى - رضى الله عنه - قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ فَلَمَّا غَابَتِ الشَّمْسُ قَالَ " يَا فُلاَنُ انْزِلْ فَاجْدَحْ لَنَا " . قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ عَلَيْكَ نَهَارًا . قَالَ " انْزِلْ فَاجْدَحْ لَنَا " . قَالَ فَنَزَلَ فَجَدَحَ فَأَتَاهُ بِهِ فَشَرِبَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ بِيَدِهِ " إِذَا غَابَتِ الشَّمْسُ مِنْ هَا هُنَا وَجَاءَ اللَّيْلُ مِنْ هَا هُنَا فَقَدْ أَفْطَرَ الصَّائِمُ " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আওফা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রমযান মাসে কোন এক সফরে আমরা রসূলুল্লাহ এর সঙ্গী ছিলাম। সূর্য ডুবে গেলে তিনি বললেন, হে অমুক! অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলিয়ে আনো। সে বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ! এখনো দিন রয়ে গেছে। পুনরায় তিনি বললেন, অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো। তখন সে অবতরণ করল এবং ছাতু গুলে তার নিকট পেশ করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পান করলেন এবং হাত দ্বারা ইঙ্গিত করে বললেন, সূর্য এদিক থেকে অদৃশ্য হয়ে যায় এবং রাত্র যখন এদিক থেকে ঘনিয়ে আসবে, তখন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালনকারী ইফত্বার করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪২৬, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... ইবনু আবূ আওফা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সফরে আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। যখন সূর্য অদৃশ্য হয়ে গেল তখন তিনি এক ব্যক্তিকে বললেন, অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো। সে বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ! সন্ধ্যা হতে দিন। পুনরায় তিনি বললেন, অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো। সে বলল, দিন আমাদের আরো বাকী রয়েছে। এরপর সে অবতরণ করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য ছাতু গুলে আনলো। তিনি পান করলেন এবং হাত দ্বারা পূর্বদিকে ইঙ্গিত করে বললেন, যখন তোমরা দেখবে যে, এদিক থেকে রাত্র ঘনিয়ে আসছে, তখন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালনকারীর ইফতারের সময় হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪২৭, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2561 — Sahih Muslim 13:67
وَحَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الشَّيْبَانِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ، اللَّهِ بْنَ أَبِي أَوْفَى - رضى الله عنه - يَقُولُ سِرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ صَائِمٌ فَلَمَّا غَرَبَتِ الشَّمْسُ قَالَ " يَا فُلاَنُ انْزِلْ فَاجْدَحْ لَنَا " . مِثْلَ حَدِيثِ ابْنِ مُسْهِرٍ وَعَبَّادِ بْنِ الْعَوَّامِ .
আবূ কামিল (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ভ্রমণ করলাম। এ সময় তিনি সওমরত ছিলেন। যখন সূর্য অদৃশ্য হয়ে গেল তখন তিনি বললেন, হে অমুক! তুমি অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো। এরপর তিনি ইবনু মুসহির এবং আব্বাস ইবনু আওওয়াম এর অনুরূপ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ২৪২৮, ইসলামীক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমার, ইসহাক, উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ইবনু আবূ আওফা (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ইবনু মুসহির, আব্বাস ও আবদুল ওয়াহিদ (রহঃ) এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাদের কারো হাদীসের মধ্যে রমযান মাসের কথা উল্লেখ নেই। অনুরূপভাবে হুশায়ম ব্যতীত তাদের বর্ণনায় “এবং যখন রাত্র এদিক থেকে ঘনিয়ে আসে” এ কথাটিও উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪২৯, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2563 — Sahih Muslim 13:69
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الْوِصَالِ قَالُوا إِنَّكَ تُوَاصِلُ . قَالَ " إِنِّي لَسْتُ كَهَيْئَتِكُمْ إِنِّي أُطْعَمُ وَأُسْقَى " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। এতে সাহাবীগণ বললেন, আপনি তো সওমে বিসাল করে থাকেন। তিনি বললেন, আমার অবস্থা তোমাদের মতো নয়। আমাকে খাওয়ানো ও পান করানো হয় (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৩০, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান সাসে সওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। তা দেখে সাহাবীগণও সওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। এরপর তিনি তাদেরকে সওমে বিসাল করতে নিষেধ করলেন। এতে তাকে প্রশ্ন করা হল, আপনি তো সওমে বিসাল করছেন। উত্তরে তিনি বললেন, আমি তোমাদের মতো নই। আমাকে তো খাওয়ানো হয় এবং পান করানো হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৩১, ইসলামীক সেন্টার)