আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তার নিকট জ্বরাক্রান্ত কোন স্ত্রীলোককে নিয়ে আসা হলে তিনি পানি নিয়ে আসতে বলতেন। এরপর তা তার বক্ষের উপর ঢেলে দিতেন এবং বলতেন- রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তাকে পানি দিয়ে শীতল করো। তিনি আরও বলেছেন, তা জাহান্নামের সঞ্চিত উত্তাপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৬৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে [আবূ কুরায়ব (রহঃ) এর ঊর্ধ্বতন বর্ণনাকারী] ইবনু নুমায়র (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে আছে 'তার (রোগিনী) ও তার জামার ফাঁকা জায়গার মধ্যে পানি প্রবাহিত করে দিতেন'। আর (অন্য ঊর্ধ্বতন বর্ণনাকারী) উসামাহ্ (রহঃ) এর হাদীসে তা জাহান্নামের সঞ্চিত তাপ কথাটি তিনি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৭০, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5759 — Sahih Muslim 39:113
حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبَايَةَ، بْنِ رِفَاعَةَ عَنْ جَدِّهِ، رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّ الْحُمَّى فَوْرٌ مِنْ جَهَنَّمَ فَابْرُدُوهَا بِالْمَاءِ " .
হান্নাদ ইবনু সারী (রহঃ) ..... আবায়াহ্ ইবনু রিফা'আহ্ (রহঃ) এর সানাদে তার দাদা রাফি ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি বলতে শুনেছি যে, জ্বর জাহান্নামের তীব্র উত্তাপের অংশ বিশেষ, তাই তোমরা তাকে পানি দ্বারা শীতল করো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৭১, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ), মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ও আবূ বাকর ইবনু নাফি’ (রহঃ) ..... রাফি ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) রিওয়ায়াত করেন, তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, জ্বর জাহান্নামের উত্তাপ হতে (উদ্ভূত)। তাই তোমাদের পক্ষ হতে তাকে পানি দিয়ে শীতল করো। তবে বর্ণনাকারী আবূ বাকর (রহঃ) 'তোমাদের পক্ষ হতে' অংশটুকু বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৭২, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অসুস্থতার সময় তার মুখের কিনারায় ঔষধ ঢেলে দিলাম; তখন তিনি ইঙ্গিত করলেন যে, আমার মুখে ওষুধ দিও না। আমরা বললাম, এটা ওষুধের প্রতি রোগীর অনীহার কারণ। অতঃপর যখন তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন, তখন বললেন, তোমাদের সবার মুখের কিনারায় ওষুধ ঢেলে দেয়া হবে- তবে আব্বাস ছাড়া; কেননা তিনি তোমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৭৩, ইসলামিক সেন্টার)
তিনি বলেন, আর একবার আমি আমার (এক) ছেলেকে নিয়ে তার নিকট প্রবেশ করলাম- যার গলদেশে ব্যথার কারণে আমি তার (নাসারন্দ্রে পাকানো নেকড়া দ্বারা) যন্ত্রণা সারানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। তিনি বললেন, নেকড়ার এ প্রক্রিয়ায় তোমাদের ছেলে-মেয়ের গলার ব্যথার চিকিৎসা করো কেন? তোমরা (বরং) হিন্দুস্তানী চন্দন ব্যবহার করবে। কারণ এতে সাতটি (রোগের) নিরাময় আছে। তন্মধ্যে একটিذَاتُ الْجَنْبِ গলা ব্যথায় নাকে হিন্দী চন্দনের নির্যাস দেয়া হবে, আরذَاتِ الْجَنْبِ চোয়ালের এক পার্শ্ব দিয়ে ঢেলে দেয়া হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
তিনি বলেন, আর একবার আমি আমার (এক) ছেলেকে নিয়ে তার নিকট প্রবেশ করলাম- যার গলদেশে ব্যথার কারণে আমি তার (নাসারন্দ্রে পাকানো নেকড়া দ্বারা) যন্ত্রণা সারানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। তিনি বললেন, নেকড়ার এ প্রক্রিয়ায় তোমাদের ছেলে-মেয়ের গলার ব্যথার চিকিৎসা করো কেন? তোমরা (বরং) হিন্দুস্তানী চন্দন ব্যবহার করবে। কারণ এতে সাতটি (রোগের) নিরাময় আছে। তন্মধ্যে একটিذَاتُ الْجَنْبِ গলা ব্যথায় নাকে হিন্দী চন্দনের নির্যাস দেয়া হবে, আরذَاتِ الْجَنْبِ চোয়ালের এক পার্শ্ব দিয়ে ঢেলে দেয়া হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5764 — Sahih Muslim #5764
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ، أَخْبَرَهُ قَالَ أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ أُمَّ قَيْسٍ بِنْتَ مِحْصَنٍ، - وَكَانَتْ مِنَ الْمُهَاجِرَاتِ الأُوَلِ اللاَّتِي بَايَعْنَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهِيَ أُخْتُ عُكَّاشَةَ بْنِ مِحْصَنٍ أَحَدِ بَنِي أَسَدِ بْنِ خُزَيْمَةَ - قَالَ أَخْبَرَتْنِي أَنَّهَا أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِابْنٍ لَهَا لَمْ يَبْلُغْ أَنْ يَأْكُلَ الطَّعَامَ وَقَدْ أَعْلَقَتْ عَلَيْهِ مِنَ الْعُذْرَةِ - قَالَ يُونُسُ أَعْلَقَتْ غَمَزَتْ فَهِيَ تَخَافُ أَنْ يَكُونَ بِهِ عُذْرَةٌ - قَالَتْ - فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " عَلاَمَهْ تَدْغَرْنَ أَوْلاَدَكُنَّ بِهَذَا الإِعْلاَقِ عَلَيْكُمْ بِهَذَا الْعُودِ الْهِنْدِيِّ - يَعْنِي بِهِ الْكُسْتَ - فَإِنَّ فِيهِ سَبْعَةَ أَشْفِيَةٍ مِنْهَا ذَاتُ الْجَنْبِ " . قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ وَأَخْبَرَتْنِي أَنَّ ابْنَهَا ذَاكَ بَالَ فِي حَجْرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَدَعَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمَاءٍ فَنَضَحَهُ عَلَى بَوْلِهِ وَلَمْ يَغْسِلْهُ غَسْلاً .
(…/২৮৭) বর্ণনাকারী উবাইদুল্লাহ বলেন, তিনি আমাকে আরও জানিয়েছেন যে, তার ঐ ছেলেটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোলে প্রস্রাব করে দিল। সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামান্য পানি নিয়ে আসতে বললেন এবং তিনি প্রস্রাবের উপর ঢেলে দিলেন, কিন্তু একেবারে পুরোপুরি তা ধুলেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5765 — Sahih Muslim 39:117
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ، أَخْبَرَهُ قَالَ أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ أُمَّ قَيْسٍ بِنْتَ مِحْصَنٍ، - وَكَانَتْ مِنَ الْمُهَاجِرَاتِ الأُوَلِ اللاَّتِي بَايَعْنَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهِيَ أُخْتُ عُكَّاشَةَ بْنِ مِحْصَنٍ أَحَدِ بَنِي أَسَدِ بْنِ خُزَيْمَةَ - قَالَ أَخْبَرَتْنِي أَنَّهَا أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِابْنٍ لَهَا لَمْ يَبْلُغْ أَنْ يَأْكُلَ الطَّعَامَ وَقَدْ أَعْلَقَتْ عَلَيْهِ مِنَ الْعُذْرَةِ - قَالَ يُونُسُ أَعْلَقَتْ غَمَزَتْ فَهِيَ تَخَافُ أَنْ يَكُونَ بِهِ عُذْرَةٌ - قَالَتْ - فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " عَلاَمَهْ تَدْغَرْنَ أَوْلاَدَكُنَّ بِهَذَا الإِعْلاَقِ عَلَيْكُمْ بِهَذَا الْعُودِ الْهِنْدِيِّ - يَعْنِي بِهِ الْكُسْتَ - فَإِنَّ فِيهِ سَبْعَةَ أَشْفِيَةٍ مِنْهَا ذَاتُ الْجَنْبِ " . قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ وَأَخْبَرَتْنِي أَنَّ ابْنَهَا ذَاكَ بَالَ فِي حَجْرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَدَعَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمَاءٍ فَنَضَحَهُ عَلَى بَوْلِهِ وَلَمْ يَغْسِلْهُ غَسْلاً .
(…/২৮৭) বর্ণনাকারী উবাইদুল্লাহ বলেন, তিনি আমাকে আরও জানিয়েছেন যে, তার ঐ ছেলেটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোলে প্রস্রাব করে দিল। সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামান্য পানি নিয়ে আসতে বললেন এবং তিনি প্রস্রাবের উপর ঢেলে দিলেন, কিন্তু একেবারে পুরোপুরি তা ধুলেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৭৫, ইসলামিক সেন্টার)