(…/...) আবূ তাহির (রহঃ) ও হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সানাদে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেননি যে, আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯২, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমির ইবনু রাবী'আহ হতে বর্ণিত যে, উমার (রাযিঃ) শামের দিকে সফরে বের হলেন, 'সারগ' পর্যন্ত গমন করলে তার নিকটে (খবর) আসল যে, শামে মহামারী লক্ষ্য করা গেছে। তখন আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) তাকে সংবাদ দিলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা যখন কোন অঞ্চলে মহামারীর (সংবাদ) শুনবে, তখন তার দিকে অগ্রসর হবে না। আর যখন কোন অঞ্চলে সেটা দেখা দিবে, আর তোমরা সেখানে রয়েছো, তাহলে সেখান থেকে পালিয়ে বের হয়ে যেও না। অতঃপর উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) সার্গ হতে প্রত্যাবর্তন করলেন। সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (ইবনু উমার) (রাযিঃ) হতে ইবনু শিহাব (রহঃ) এর বর্ণনাতে রয়েছে যে, আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাযিঃ) এর হাদীসের অনুসরণে উমার (রাযিঃ) লোকদের নিয়ে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। (এ হাদীস সে সময়ের) যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সংক্রামক ব্যাধি, ক্ষুধায় পেট কামড়ানো পোকা (বা সফর মাসের অগ্রপশ্চাৎকরণ) ও মৃত মানুষের আত্মা হতে পেচার জন্ম বলতে কিছু নেই। সে সময় জনৈক বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রসূল! তাহলে সে উট পালের কি অবস্থা, যা কোন বালুকাময় ভূমিতে থাকে যা ব্যাধমুক্ত, বলবান। অতঃপর সেখানে খোচ-পাঁচড়া আক্রান্ত (কোন) উট এসে তাদের মধ্যে প্রবেশ করে তাদের সবগুলোকে পাঁচড়ায় আক্রান্ত করে দেয়? তিনি বললেন, তাহলে প্রথম (উট)টিকে কে সংক্রমিত করেছিল? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও হাসান আল হুলওয়ানী (রহঃ) আবূ সালামাহ ইবনু আবদুর রহমান ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সংক্রামক ব্যাধি, কুলক্ষণ, অনাহারে পেট কামড়ানো পোকা ও হামাহ- এসবের কোন অস্তিত্ব নেই। সে সময় জনৈক বেদুঈন আরব বলল, হে আল্লাহর রসূল! বর্ণনাকার ইউনুস (রহঃ) কর্তৃক রিওয়ায়াতকৃত হাদীসের অবিকল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯৫, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5790 — Sahih Muslim 39:142
وَحَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْيَمَانِ، عَنْ شُعَيْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي سِنَانُ بْنُ أَبِي سِنَانٍ الدُّؤَلِيُّ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " لاَ عَدْوَى " . فَقَامَ أَعْرَابِيٌّ . فَذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ يُونُسَ وَصَالِحٍ . وَعَنْ شُعَيْبٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ قَالَ حَدَّثَنِي السَّائِبُ بْنُ يَزِيدَ ابْنُ أُخْتِ نَمِرٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ عَدْوَى وَلاَ صَفَرَ وَلاَ هَامَةَ " .
আবদুল্লাহ ইবনু আব্দুর রহমান দারিমী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সংক্রমণ বলতে কিছু নেই .....। সে সময় জনৈক বেদুঈন আরব দণ্ডায়মান হলো, ..... এর পরের অংশ ইউনুস ও সালিহ্ (রহঃ) এর হাদীসের মত বর্ণনা করেছেন। (পূর্বোক্ত সূত্রে) যুহরী (রহঃ) বলেন, সায়িব ইবনু ইয়াযীদ ইবনু উখতু নামির (রহঃ) বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সংক্রামক ব্যাধি, অনাহারে পেট কামড়ানো পোকা এবং হামাহ্ বলতে কোন অস্তিত্ব নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ..... আবূ সালামাহ্ ইবনু আব্দুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সংক্রমণ (এর অস্তিত্ব) নেই। তিনি আরও বলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ব্যাধিযুক্ত উটপালের মালিক (অসুস্থ উটগুলোকে) সুস্থ উটপালের মালিকের (উটের) ধারে কাছে আনবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯৭, ইসলামিক সেন্টার ৫৬২৬) আবূ সালামাহ্ (রহঃ) বলেন, আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এ দুটি হাদীসই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে রিওয়ায়াত করতেন। অতঃপর আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) তার (প্রথম হাদীসের) সংক্রমণ নেই বলা হতে চুপ থাকেন এবং অসুস্থ উটপালের মালিক সুস্থ উটপালের মালিকের নিকট আনবে না- এ বর্ণনায় অটল থাকেন। বর্ণনাকারী বলেন, (একদিন) আল হারিস ইবনু আবূ যুবাব (রহঃ) তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর চাচাত ভাই বললেন, হে আবূ হুরাইরাহ্! আমি তো আপনাকে বলতে শুনতাম, আপনি এ হাদীসের সঙ্গে আরও একটি হাদীস আমাদের নিকট বর্ণনা করতেন, যা বর্ণনায় আপনি এখন নিচুপ রয়েছেন। আপনি বলতেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সংক্রমণ নেই’। তখন আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) অস্বীকার করলেন এবং বললেন, অসুস্থ পালের মালিক সুস্থ পালের মালিকের নিকট নিয়ে যাবে না। তখন হারিস (রহঃ) এ নিয়ে তার সাথে তর্কে লিপ্ত হলেন। ফলে আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) গোস্বা হয়ে হাবশী ভাষায় কিছু একটা বললেন। তিনি হারিস (রহঃ) কে বললেন, তুমি কি বুঝতে পেরেছো আমি কি বলেছি? তিনি বললেন, না। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বললেন, আমি বলেছি, আমি অস্বীকার করছি। আবূ সালামাহ্ (রহঃ) বলেন, আমার জীবনের কসম! আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) নিশ্চয়ই আমাদের নিকট হাদীস রিওয়ায়াত করতেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন 'সংক্রমণ নেই'। এখন আমি জানি না যে, আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) ভুলে গেলেন, নাকি একটি দ্বারা অপরটিকে রহিত করে দিয়েছেন।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ৫৫৯৭, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও আবূদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সংক্রমণ (এর বাস্তবতা) নেই- ঐ সঙ্গে এও বর্ণনা করতেন, পালের মালিক (তার) অসুস্থ উট অন্য মালিকের সুস্থ উটপালের নিকট নিয়ে আসবে না। অবশিষ্টাংশ বর্ণনাকারী ইউনুস (রহঃ) এর হাদীসের হুবহু। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯৮, ইসলামিক সেন্টার)