আবূ কামিল জাহদারী ও কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু মাস'উদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, আমার নিকট তোমার জন্যে প্রবেশাধিকার হলো পর্দা উঠিয়ে রাখা এবং (ঘরে) আমার আলাপচারিতা শুনতে পাওয়া। যে পর্যন্ত না আমি তোমাকে বারণ করি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৮০, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, পর্দার বিধান আমাদের উপরে আসার পর সাওদাহ (রাযিঃ) তার প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বের হলেন, তিনি ছিলেন স্বাস্থ্যবতী, দেহাকৃতিতে তিনি মহিলাদের উপরে থাকতেন; যারা তাকে চিনতো, তাদের নিকট নিজেকে আড়াল করতে পারতেন না। তখন উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) তাকে দেখতে পেয়ে বললেন, হে সাওদাহ্ আল্লাহর কসম! তুমি আমাদের নিকট আড়াল করতে পারবে না। চিন্তা করে দেখো, কিভাবে তুমি বের হচ্ছে? আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, এ কথা শুনে তিনি ফিরে আসলেন। সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে ছিলেন এবং রাতের আহার করছিলেন। তার হাতে সে সময় গোশতের টুকরো একটি হাড় ছিল। সাওদাহ (রাযিঃ) (প্রবেশ করে বললেন,) হে আল্লাহর রসূল! আমি বের হয়েছিলাম, 'উমার আমাকে এ এ কথা বলেছে। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, সে সময় আল্লাহ তা’আলা তার প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ করেন। অতঃপর তার উপর হতে (ওয়াহীর) অবস্থা উঠিয়ে নেয়া হয় এবং হাড়টি তখনও তার হাতেই ছিল, তা তিনি রেখে দেননি। তখন তিনি বললেন, তোমাদের দরকারে বের হওয়ার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে (এ বর্ণনা আবূ কুরায়ব-এর)। আর আবূ বাকর (রহঃ) বর্ণিত বর্ণনাতে রয়েছে- "তার দেহাকৃতি নারীদের উর্ধ্বে থাকত"। আবূ বাকর (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে বেশি বর্ণনা করেছেন যে, বর্ণনাকারী হিশাম (রহঃ) বলেছেন,الْبَرَازَ অর্থাৎ- পায়খানার প্রয়োজনে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৮২, ইসলামিক সেন্টার)
(…) সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5671 — Sahih Muslim 39:25
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، حَدَّثَنِي عُقَيْلُ بْنُ، خَالِدٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ أَزْوَاجَ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كُنَّ يَخْرُجْنَ بِاللَّيْلِ إِذَا تَبَرَّزْنَ إِلَى الْمَنَاصِعِ وَهُوَ صَعِيدٌ أَفْيَحُ وَكَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَقُولُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم احْجُبْ نِسَاءَكَ . فَلَمْ يَكُنْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَفْعَلُ فَخَرَجَتْ سَوْدَةُ بِنْتُ زَمْعَةَ زَوْجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لَيْلَةً مِنَ اللَّيَالِي عِشَاءً وَكَانَتِ امْرَأَةً طَوِيلَةً فَنَادَاهَا عُمَرُ أَلاَ قَدْ عَرَفْنَاكِ يَا سَوْدَةُ . حِرْصًا عَلَى أَنْ يُنْزِلَ الْحِجَابَ . قَالَتْ عَائِشَةُ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ الْحِجَابَ .
আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনু লায়স (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণ প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার (প্ৰস্ৰাব-পায়খানায় যাওয়ার) সময় রাতের বেলা 'মানসি' এর দিকে বেরিয়ে যেতেন। 'মানসি' হলো প্রশস্ত খোলা জায়গা। ওদিকে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতেন আপনার স্ত্রীগণের প্রতি পর্দার বিধান আরোপ করুন। কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটি করেননি। একরাতে ইশার সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী সাওদাহ বিনতু যাম্'আহ (রাযিঃ) বের হলেন। তিনি ছিলেন দীর্ঘাঙ্গী নারী। উমার (রাযিঃ) তাকে ডাক দিয়ে বললেন, হে সাওদাহ্! আমরা তোমাকে চিনে ফেলেছি। পর্দার বিধান অবতীর্ণ করার প্রতি দৃঢ় প্রত্যাশায় তিনি এমন করলেন। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, তখন আল্লাহ তা'আলা পর্দা-বিধি অবতীর্ণ করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আলী ইবনু হুজর, মুহাম্মাদ ইবনু সাব্বাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হুঁশিয়ার! কোন পুরুষ কোন বয়স্কা নারীর সাথে কিছুতেই রাত্রি যাপন করবে না; তবে যদি সে তার স্বামী হয় কিংবা মাহরাম হয় (তাহলে করতে পারে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মদ ইবনু রুমহ (রহঃ) ..... উকবাহ ইবনু আমির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হুঁশিয়ার! (বেগানাহ) নারীদের নিকট তোমরা প্রবেশ করা পরিত্যাগ করো। সে সময় আনসারীদের এক লোক বলল- দেবর সম্পর্কে আপনার কি মতামত? তিনি বললেন দেবর তো মৃত্যু তুল্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৮৭, ইসলামিক সেন্টার)