وَحَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، - سَمِعْتُ هِشَامَ، بْنَ زَيْدٍ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يُحَدِّثُ أَنَّ يَهُودِيَّةً، جَعَلَتْ سَمًّا فِي لَحْمٍ ثُمَّ أَتَتْ بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِنَحْوِ حَدِيثِ خَالِدٍ .
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... হিশাম ইবনু যায়দ (রহঃ) বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) কে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি যে, একজন ইয়াহুদী নারী গোশতে বিষ মিশিয়ে তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে আসলো। ..... (উপরোক্ত রিওয়ায়াতের) বর্ণনাকারী খালিদ (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসের অর্থানুযায়ী হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫১৮, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের কোন মানুষ পীড়িত হলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ডান হাত দ্বারা তাকে মুছে দিতেন, তারপর বলতেনঃ أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا সমস্যা বিদূরিত করে দিন, হে জনগণের পালনকর্তা! আর সুস্থতা দান করুন, আপনিই সুস্থতা দানকারী। আপনার সুস্থতা ও মুক্তি ছাড়া আর কোন (প্রকৃতপক্ষে নির্ভরযোগ্য) শিফা নেই। এমন নিরাময় করুন যার পর কোন রোগব্যাধি বাকী না থাকে। পরবর্তীতে যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পীড়িত হলেন তখন অসুখে অতি দুর্বল হয়ে পড়লেন, সে সময় আমি তার হাত তুলে ধরলাম- যাতে আমিও তেমন করে (মুছে) দিতে পারি তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যেমন করে (মুছে) দিতেন। কিন্তু তিনি আমার হাত থেকে তার হাত টেনে (ছাড়িয়ে) নিলেন। অতঃপর বললেনঃ হে আল্লাহ আমাকে মাফ করুন এবং আমাকে মহান সঙ্গীর সাথে সাক্ষাৎ করিয়ে দিন! তিনি [আয়িশাহ (রাযিঃ)] বলেন, হঠাৎ আমি দেখলাম যে, তাকে উঠিয়ে নিয়েছেন (ইন্তিকাল করেছেন)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫১৯, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) হতে জারীর (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। কিন্তু হুশায়ম ও শু’বাহ্ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে- তিনি তার হস্ত দ্বারা তাকে (রোগীকে) মুছে দিলেন। আর (সুফইয়ান) সাওরী (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে- তিনি তার ডান হস্ত দ্বারা তাকে মুছে দিলেন। আর সুফইয়ান (রহঃ) এর সূত্রে আ'মাশ (রহঃ) হতে ইয়াহইয়া (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অবশিষ্টাংশে বর্ণনাকারী বলেছেন- পরে আমি এ হাদীস মানসূর (রহঃ) কে শুনালে তিনি ইবরাহীম (রহঃ) মাসরুক (রহঃ) ও আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করে আমাকে শুনালেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫২০, ইসলামিক সেন্টার)
শইবন ইবনু ফারুখ (রহঃ) .... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন রোগ গ্রস্থ ব্যাক্তিকে দেখলে বলতেনঃ أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ اشْفِهِ أَنْتَ الشَّافِي لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا “সমস্যা বিদূরিত করে দিন হে লোকেদের প্রতিপালনকারী! তাকে সুস্থ করে দিন, আপনিই সুস্থতা দানকারী। আপনার শিফা ব্যতীত কোন শিফা নেই- এমন শিফা, যার পরে কোন রোগ-ব্যাধি বাকী থাকে না।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫২১, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন রোগগ্রস্ত ব্যক্তির নিকট গেলে তার জন্য দু'আ করতেনঃ أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا "বিপদাপদ সমস্যা বিদূরিত করে দিন হে মানুষের প্রতিপালক আর আরোগ্য দান করুন। আপনিই আরোগ্যদানকারী, আপনার শিফা ছাড়া কোন শিফা নেই; এমন সুস্থতা দিন, যার পরে কোন রোগ-ব্যাধি বাকী না থাকে।" কিন্তু আবূ বকর (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত আছে- তার জন্যে দু'আ করতেন এবং বলতেন .....। এছাড়া তিনি বলেছেন, আর আপনিই সুস্থতা দানকারী। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫২২, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5711 — Sahih Muslim 39:65
وَحَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّاءَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، وَمُسْلِمُ بْنُ صُبَيْحٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ أَبِي عَوَانَةَ وَجَرِيرٍ .
কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বর্ণনা (উপরোল্লিখিত) আবূ আওয়ানাহ এবং জারীর (রহঃ) এর হাদীসের অবিকল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫২৩, ইসলামিক সেন্টার)
সুরায়জ ইবনু ইউনুস ও ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরিবারবর্গের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি মু'আববিযাত সূরাগুলো পড়ে তাকে ফুঁক দিতেন। পরবর্তীতে তিনি যখন মৃত্যুরোগে আক্রান্ত হলেন তখন আমি তাকে ফুঁক দিতে লাগলাম এবং তার-ই হাত দিয়ে তার দেহটি মুছে দিতে লাগলাম। কেননা, আমার হাতের তুলনায় তার হাত ছিল অনেক বারাকাতপূর্ণ। আর ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব মু'আববিযাত দ্বারা ঝাড়ফুঁক করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫২৬, ইসলামিক সেন্টার)
(…) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি মু'আববিযাত পাঠ করে স্বশরীরে দম করতেন। তার ব্যাধি কঠিন রূপ ধারণ করলে আমি তা পড়ে তার হাত দ্বারা তার দেহটি মুছে দিতাম ঐ হাতের বারাকাতের আশায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫২৭, ইসলামিক সেন্টার)