Qurani·قرآني
বাংলা

শিকার, যবেহ ও হালাল খাদ্য

92 হাদিস · #4972–5063

হাদিস 4992 — Sahih Muslim 34:21
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، - يَعْنِي ابْنَ مَهْدِيٍّ - عَنْ مَالِكٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي حَكِيمٍ، عَنْ عَبِيدَةَ بْنِ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ كُلُّ ذِي نَابٍ مِنَ السِّبَاعِ فَأَكْلُهُ حَرَامٌ ‏"‏ ‏.‏
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সকল প্রকার হিংস্র জন্তুই খাওয়া হারাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮৩৮, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4993 — Sahih Muslim 34:22
وَحَدَّثَنِيهِ أَبُو الطَّاهِرِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ ‏.‏
(…/...) আবূ তাহির (রহঃ) ... মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) থেকে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮৩৮, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4994 — Sahih Muslim 34:23
وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ مَيْمُونِ، بْنِ مِهْرَانَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنَ السِّبَاعِ وَعَنْ كُلِّ ذِي مِخْلَبٍ مِنَ الطَّيْرِ ‏.‏
উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয আম্বারী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব ধরনের হিংস্র জন্তু এবং সব ধরনের নখরধারী পাখি খেতে বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮৩৯, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4995 — Sahih Muslim 34:24
وَحَدَّثَنِي حَجَّاجُ بْنُ الشَّاعِرِ، حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ ‏.‏
(…) হাজ্জাজ ইবনু শা'ইর (রহঃ) ..... শু’বাহ্ (রহঃ) এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮৪০, ইসলামিক সেন্টার, নেই)
হাদিস 4996 — Sahih Muslim 34:25
وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، حَدَّثَنَا الْحَكَمُ، وَأَبُو بِشْرٍ عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنَ السِّبَاعِ وَعَنْ كُلِّ ذِي مِخْلَبٍ مِنَ الطَّيْرِ ‏.‏
(…/...) আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকল প্রকার হিংস্র জন্তু এবং নখরধারী শিকারী পাখি (খেতে) নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮৪১, ইসলামিক সেন্টার, নেই)
হাদিস 4997 — Sahih Muslim 34:26
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ أَبُو بِشْرٍ أَخْبَرَنَا عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ نَهَى ح وَحَدَّثَنِي أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ شُعْبَةَ عَنِ الْحَكَمِ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আহমাদ ইবনু হাম্বাল ও আবূ কামিল জাহদারী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন ......। অবশিষ্ট অংশ শু'বাহ হতে হাকাম (রহঃ) এর মাধ্যমে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮৪২, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4998 — Sahih Muslim 34:27
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، ح وَحَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ بَعَثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَمَّرَ عَلَيْنَا أَبَا عُبَيْدَةَ نَتَلَقَّى عِيرًا لِقُرَيْشٍ وَزَوَّدَنَا جِرَابًا مِنْ تَمْرٍ لَمْ يَجِدْ لَنَا غَيْرَهُ فَكَانَ أَبُو عُبَيْدَةَ يُعْطِينَا تَمْرَةً تَمْرَةً - قَالَ - فَقُلْتُ كَيْفَ كُنْتُمْ تَصْنَعُونَ بِهَا قَالَ نَمَصُّهَا كَمَا يَمَصُّ الصَّبِيُّ ثُمَّ نَشْرَبُ عَلَيْهَا مِنَ الْمَاءِ فَتَكْفِينَا يَوْمَنَا إِلَى اللَّيْلِ وَكُنَّا نَضْرِبُ بِعِصِيِّنَا الْخَبَطَ ثُمَّ نَبُلُّهُ بِالْمَاءِ فَنَأْكُلُهُ قَالَ وَانْطَلَقْنَا عَلَى سَاحِلِ الْبَحْرِ فَرُفِعَ لَنَا عَلَى سَاحِلِ الْبَحْرِ كَهَيْئَةِ الْكَثِيبِ الضَّخْمِ فَأَتَيْنَاهُ فَإِذَا هِيَ دَابَّةٌ تُدْعَى الْعَنْبَرَ قَالَ قَالَ أَبُو عُبَيْدَةَ مَيْتَةٌ ثُمَّ قَالَ لاَ بَلْ نَحْنُ رُسُلُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَقَدِ اضْطُرِرْتُمْ فَكُلُوا قَالَ فَأَقَمْنَا عَلَيْهِ شَهْرًا وَنَحْنُ ثَلاَثُ مِائَةٍ حَتَّى سَمِنَّا قَالَ وَلَقَدْ رَأَيْتُنَا نَغْتَرِفُ مِنْ وَقْبِ عَيْنِهِ بِالْقِلاَلِ الدُّهْنَ وَنَقْتَطِعُ مِنْهُ الْفِدَرَ كَالثَّوْرِ - أَوْ كَقَدْرِ الثَّوْرِ - فَلَقَدْ أَخَذَ مِنَّا أَبُو عُبَيْدَةَ ثَلاَثَةَ عَشَرَ رَجُلاً فَأَقْعَدَهُمْ فِي وَقْبِ عَيْنِهِ وَأَخَذَ ضِلَعًا مِنْ أَضْلاَعِهِ فَأَقَامَهَا ثُمَّ رَحَلَ أَعْظَمَ بَعِيرٍ مَعَنَا فَمَرَّ مِنْ تَحْتِهَا وَتَزَوَّدْنَا مِنْ لَحْمِهِ وَشَائِقَ فَلَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ أَتَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرْنَا ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ ‏ "‏ هُوَ رِزْقٌ أَخْرَجَهُ اللَّهُ لَكُمْ فَهَلْ مَعَكُمْ مِنْ لَحْمِهِ شَىْءٌ فَتُطْعِمُونَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَأَرْسَلْنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْهُ فَأَكَلَهُ ‏.‏
আহমাদ ইবনু ইউনুস ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ উবাইদাহকে আমাদের আমীর বানিয়ে আমাদেরকে একটি অভিযানে পাঠালেন কুরায়শদের একটি কাফিলাকে রোধ করার জন্য। তিনি আমাদের সাথে এক থলে খেজুর দিয়ে দিলেন। এছাড়া আমাদের জন্য অন্য কিছু দেয়ার মত পেলেন না। আবূ উবাইদাহ (রাযিঃ) আমাদেরকে একটি করে খেজুর দিতেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, এই একটি মাত্র খেজুর দিয়ে আপনারা কিভাবে কী করতেন? আমি বললাম, আমরা তা চুষতাম যেভাবে শিশুরা চুষে থাকে। তারপর পানি পান করতাম, আর এটাই আমাদের দিবারাত্রের জন্য যথেষ্ট হতো। এছাড়া আমরা আমাদের লাঠি দিয়ে গাছের পাতা পেড়ে পানিতে তা ভিজিয়ে নিয়ে তা খেতাম। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর আমরা সাগর উপকূল দিয়ে চলতে লাগলাম। হঠাৎ সমুদ্রোপকূলে উঁচু ঢিবির মতো কী যেন একটি আমাদের সামনে ভেসে উঠলো। আমরা সেটির কাছে গিয়ে দেখলাম, তা একটি জন্তু, যাকে 'আম্বর' বলে অভিহিত করা হয়। বর্ণনাকারী বলেন, আবূ উবাইদাহ (রাযিঃ) বললেন, এতো মৃত জন্তু। তারপর বললেন, না, বরং আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রেরিত দূত এবং আমরা আল্লাহর পথেই আছি। এখন তো তোমরা প্রাণান্তকর অবস্থায় রয়েছ, সুতরাং তোমরা তা খেতে পারো। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর দীর্ঘ একমাস আমরা তিনশ' লোক তা খেয়েই কাটালাম এবং আমরা মোটাতাজা হয়ে উঠলাম। রাবী বলেন, আমি দেখেছি, কিভাবে কলসীর পর কলসী ভরে তৈল (চর্বি) আমরা তার চক্ষুর কোটর থেকে বের করি এবং তার দেহ থেকে এক একটি ষাড় পরিমাণ গোশতের টুকরা কেটে নেই। তারপর আবূ উবাইদাহ (রাযিঃ) আমাদের মধ্যকার তের জনকে ডেকে নিলেন এবং ঐ জন্তুটির চোখের কোটরে বসিয়ে দিলেন। তিনি জন্তুটির পাঁজরের একটি অস্থি তুলে দাঁড় করিয়ে আমাদের সর্বাধিক বড় উটটির উপর হাওদা চড়ালেন আর সে উটটি দিব্যি তার নিচ দিয়ে অতিক্রম করে গেল। তারপর অবশিষ্ট গোশত আমরা সিদ্ধ করে আমাদের পাথেয় রূপে নিয়ে আসলাম। যখন আমরা মাদীনায় ফিরে এলাম তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি তাকে জানালাম। তখন তিনি বললেন, এটা হচ্ছে রিযক যা আল্লাহ তোমাদের জন্যই বের করেছিলেন। তোমাদের কাছে তার অবশিষ্ট কিছু গোশত আছে কি আমাকে তা খেতে দিতে পারবে? বর্ণনাকারী বলেন, আমরা তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তার কিছু অংশ পাঠালাম এবং তিনি তা খেলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮৪৩, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4999 — Sahih Muslim 34:28
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ سَمِعَ عَمْرٌو، جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ بَعَثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ ثَلاَثُمِائَةِ رَاكِبٍ وَأَمِيرُنَا أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ الْجَرَّاحِ نَرْصُدُ عِيرًا لِقُرَيْشٍ فَأَقَمْنَا بِالسَّاحِلِ نِصْفَ شَهْرٍ فَأَصَابَنَا جُوعٌ شَدِيدٌ حَتَّى أَكَلْنَا الْخَبَطَ فَسُمِّيَ جَيْشَ الْخَبَطِ فَأَلْقَى لَنَا الْبَحْرُ دَابَّةً يُقَالُ لَهَا الْعَنْبَرُ فَأَكَلْنَا مِنْهَا نِصْفَ شَهْرٍ وَادَّهَنَّا مِنْ وَدَكِهَا حَتَّى ثَابَتْ أَجْسَامُنَا - قَالَ - فَأَخَذَ أَبُو عُبَيْدَةَ ضِلَعًا مِنْ أَضْلاَعِهِ فَنَصَبَهُ ثُمَّ نَظَرَ إِلَى أَطْوَلِ رَجُلٍ فِي الْجَيْشِ وَأَطْوَلِ جَمَلٍ فَحَمَلَهُ عَلَيْهِ فَمَرَّ تَحْتَهُ قَالَ وَجَلَسَ فِي حَجَاجِ عَيْنِهِ نَفَرٌ قَالَ وَأَخْرَجْنَا مِنْ وَقْبِ عَيْنِهِ كَذَا وَكَذَا قُلَّةَ وَدَكٍ - قَالَ - وَكَانَ مَعَنَا جِرَابٌ مِنْ تَمْرٍ فَكَانَ أَبُو عُبَيْدَةَ يُعْطِي كُلَّ رَجُلٍ مِنَّا قَبْضَةً قَبْضَةً ثُمَّ أَعْطَانَا تَمْرَةً تَمْرَةً فَلَمَّا فَنِيَ وَجَدْنَا فَقْدَهُ ‏.‏
আবদুল জাব্বার ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে একটি অভিযানে পাঠালেন। আমরা তিনশ' আরোহী ছিলাম এবং আবূ উবাইদাহ ইবনু জাররাহ (রাযিঃ) ছিলেন আমাদের দলনেতা। আমরা কুরায়শের একটি কাফেলার জন্য ওৎ পেতে ছিলাম। অর্ধমাস পর্যন্ত আমরা সমুদ্রোপকূলে অবস্থান করলাম। তখন আমরা খুবই খাদ্যাভাবে পড়লাম এবং আমরা (বাধ্য হয়ে) গাছের পাতা খেলাম। তাই এ বাহিনীর নাম দেয়া হলো 'জাইশুল খাবাত' বা লতা-পাতার বাহিনী। এ সময় সমুদ্র আমাদের জন্য একটি জন্তু (বিরাট মাছ) নিক্ষেপ করলো- যাকে 'আম্বর' বলা হয়। আমরা অর্ধমাস পর্যন্ত তা খেলাম এবং তার তেল আমাদের গায়ে মালিশ করলাম, তাতে আমাদের দেহ মোটাতাজা হয়ে উঠলো। বর্ণনাকারী বলেন, আবূ উবাইদাহ (রাযিঃ) জন্তুটির পাঁজরের একটি হাড় নিয়ে খাড়া করলেন, তারপর বাহিনীর সবচেয়ে লম্বা লোকটি এবং উচ্চতর উটটির উপরে তুলে ধরলেন। তারপর ঐ ব্যক্তিটিকে ঐ উটের উপর চড়িয়ে দিলেন। আর সে অনায়াসে এর নিচ দিয়ে অতিক্রম করে গেল। ঐ জন্তুটির চোখের কোটরে অনেকগুলো লোক একত্রে বসলেন। রাবী বলেন, আর আমরা তার চোখ থেকে এত এত কলস ভর্তি চর্বি বের করি। বর্ণনাকারী আরও বলেন, তখন আমাদের নিকট এক বস্তা খেজুর ছিল। আবূ উবাইদাহ (রাযিঃ) প্রথমে আমাদের প্রত্যেককে এক মুষ্টি করে খেজুর দিলেন। তারপর শেষদিকে তিনি আমাদের জনপ্রতি একটি করে খেজুর দিতেন। যখন তাও শেষ হয়ে গেল তখন আমরা অভাব অনুভব করলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5000 — Sahih Muslim 34:29
وَحَدَّثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ سَمِعَ عَمْرٌو، جَابِرًا يَقُولُ فِي جَيْشِ الْخَبَطِ إِنَّ رَجُلاً نَحَرَ ثَلاَثَ جَزَائِرَ ثُمَّ ثَلاَثًا ثُمَّ ثَلاَثًا ثُمَّ نَهَاهُ أَبُو عُبَيْدَةَ ‏.‏
(…) আবদুল জাব্বার ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... আমর (রহঃ) কে 'জাইশুল খাবাত সম্পর্কে বলতে শুনেছেনঃ এক ব্যক্তি প্রথমে তিনটি উট যবাহ করল, তারপর আরও তিনটি, অতঃপর আরও তিনটি। তারপর আবূ উবাইদাহ (রাযিঃ) তাকে এরূপ করতে নিষেধ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5001 — Sahih Muslim 34:30
وَحَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، - يَعْنِي ابْنَ سُلَيْمَانَ - عَنْ هِشَامِ، بْنِ عُرْوَةَ عَنْ وَهْبِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ بَعَثَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ ثَلاَثُمِائَةٍ نَحْمِلُ أَزْوَادَنَا عَلَى رِقَابِنَا ‏.‏
(…) উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা আমাদেরকে একটি অভিযানে পাঠালেন। বাহিনীতে আমরা ছিলাম তিনশ’ জন। আমরা আমাদের রসদপত্র আমাদের কাঁধে বহন করেছিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।