আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ..... হুযাইফাহ ইবনু ইয়ামান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে বদর যুদ্ধে যোগদান থেকে এছাড়া অন্য কিছু বিরত রাখেনি যে, আমি এবং আমার পিতা হুসায়ল ঘর থেকে বেরিয়েছিলাম। এমন সময় কুরায়শ কাফির আমাদের ধরে বসে এবং বলে যে, তোমরা অবশ্যই মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে যেতে মনস্থ করেছো। জবাবে আমরা বললাম, আমরা তার কাছে যেতে চাইনা বরং আমরা মাদীনায় (ফিরে) যেতে চাই। তখন তারা আল্লাহর নামে আমাদের নিকট থেকে অঙ্গীকার নিল যে, আমরা অবশ্যই মাদীনায় ফিরে যাবো এবং তার সাথে মিলে যুদ্ধ করবো না। তারপর আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলাম এবং সে সংবাদ তাকে জানালাম। তখন তিনি বললেন, তোমরা ফিরে যাও। আমরা তাদের কৃত ওয়াদা পূর্ণ করবো এবং তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য চাইব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪৮৮ ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, ইবরাহীম তাইমীর পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন যে, আমরা হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) এর কাছে ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি বলে উঠলো, “হায়, আমি যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে পেতাম, তবে তার সঙ্গে মিলে একত্রে যুদ্ধ করতাম এবং তাতে কোনরূপ পিছপা হতাম না।" হুযাইফাহ্(রাযিঃ) বললেন, হয়তো তা তুমি করতে, কিন্তু আমি তো আহযাবের রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম (সে রাতে) প্রচণ্ড বায়ু ও তীব্র শীত আমাদের কাবু করে ফেলেছিল। এমনি সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোষণা করলেন, "ওহে! এমন কেউ আছে কি যে আমাকে শক্রর খবর এনে দেবে, আল্লাহ তা'আলা তাকে কিয়ামতের দিন আমার সঙ্গে (মর্যাদার আসনে) রাখবেন?” আমরা তখন চুপ করে রইলাম এবং আমাদের মধ্যে কেউ তার সে আহ্বানে সাড়া দেয়নি। তিনি আবার বললেন, "ওহে! এমন কোন ব্যক্তি আছে কি যে আমাকে শত্রুপক্ষের খবর এনে দেবে, আল্লাহ তা'আলা তাকে কিয়ামতের দিন আমার সঙ্গে রাখবেন?" এবারও আমরা চুপ রইলাম আর আমাদের মধ্যে কেউ তার আহানে সাড়া দেয়নি। তিনি আবার ঘোষণা করলেন, "ওহে! এমন কেউ আছে কি যে আমাকে শক্রপক্ষের খবর এনে দেবে, আল্লাহ তা'আলা কিয়ামতের দিন তাকে আমার সঙ্গে রাখবেন? এবারও আমরা চুপ করে রইলাম এবং আমাদের কেউ তার আহ্বানে সাড়া দেয়নি। এবার তিনি বললেনঃ হে হুযাইফাহ্ ওঠো এবং তুমি শক্ৰদের খবরাদি আমাদেরকে এনে দাও। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন এবার আমার নাম ধরেই ডাক দিলেন, তাই উঠা ছাড়া আমার আর কোন উপায় ছিল না। এবার তিনি বললেনঃ “শত্রুপক্ষের খবর আমাকে এনে দাও, কিন্তু সাবধান, তাদের আমার বিরুদ্ধে উত্তেজিত করো না। তারপর আমি যখন তার নিকট থেকে প্রস্থান করলাম, তখন মনে হচ্ছিল আমি যেন উষ্ণ আবহাওয়ার মধ্য দিয়ে চলেছি। এভাবে আমি তাদের (শত্রুপক্ষের) নিকটে পৌছে গেলাম। তখন আমি লক্ষ্য করলাম, আবূ সুফইয়ান আগুনের দ্বারা তার পিঠে ছেক দিচ্ছে। আমি তখন একটি তীর তুলে ধনুকে সংযোজন করলাম এবং তা নিক্ষেপ করতে মনস্থ করলাম। এমন সময় আমার মনে পড়ে গেল যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে দিয়েছেন, "তাদেরকে আমার বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলো না।" আমি যদি তখন তীর নিক্ষেপ করতাম তবে তীর নিরঘাৎ লক্ষ্যভেদ করতো, অগত্যা আমি ফিরে আসলাম এবং ফিরে আসার সময়ও উষ্ণতার মধ্য দিয়ে অতিক্রমের মতো উষ্ণতা অনুভব করলাম। তারপর যখন ফিরে এলাম, তখন প্রতিপক্ষের খবর তাকে প্রদান করলাম। আমার দায়িত্ব পালন করে অবসর হতেই আবার আমি শীতের তীব্রতা অনুভব করলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার অতিরিক্ত একটি কম্বল দিয়ে আমাকে আবৃত করে দিলেন, যা তিনি সাধারণতঃ সালাত আদায়ের সময় গায়ে দিতেন। তারপর আমি ভোর পর্যন্ত একটানা নিদ্রায় বিভোর রইলাম। যখন ভোর হল তখন তিনি বললেনঃ “হে গভীর নিদ্রামগ্ন। এখন উঠে পড়ো।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
হাদ্দাব ইবনু খালিদ আযদী ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উহুদ যুদ্ধের দিন কেবল সাতজন আনসার ও দু'জন কুরায়শ (মুহাজির) সাথিসহ (শক্রবাহিনী কর্তৃক) অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন এবং তা তাকে (চতুর্দিক থেকে) বেষ্টন করে ফেলে, তিনি বললেনঃ কে আমার পক্ষ থেকে শক্রদের প্রতিহত করবে, তার জন্য রয়েছে জান্নাত। অথবা বললেনঃ সে জান্নাতে আমার সঙ্গী হবে? তখন আনসারদের মধ্যকার এক ব্যক্তি অগ্রসর হয়ে যুদ্ধ শুরু করলেন এবং পরিশেষে শহীদ হলেন। তারপর পুনরায় তারা তাকে ঘেরাও করে ফেললো এবং অনুরূপভাবে লড়াই করতে করতে তাদের সাতজনই শহীদ হলেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সঙ্গীদ্বয়কে লক্ষ্য করে বললেন, আমরা (কুরায়শরা) সঙ্গীদের প্রতি সুবিচার করিনি। (আমরা বেঁচে রইলাম, অথচ আনসাররা শহীদ হলেন।) (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪৯০, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4642 — Sahih Muslim 32:124
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ، يُسْأَلُ عَنْ جُرْحِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ أُحُدٍ فَقَالَ جُرِحَ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَكُسِرَتْ رَبَاعِيَتُهُ وَهُشِمَتِ الْبَيْضَةُ عَلَى رَأْسِهِ فَكَانَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَغْسِلُ الدَّمَ وَكَانَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ يَسْكُبُ عَلَيْهَا بِالْمِجَنِّ فَلَمَّا رَأَتْ فَاطِمَةُ أَنَّ الْمَاءَ لاَ يَزِيدُ الدَّمَ إِلاَّ كَثْرَةً أَخَذَتْ قِطْعَةَ حَصِيرٍ فَأَحْرَقَتْهُ حَتَّى صَارَ رَمَادًا ثُمَّ أَلْصَقَتْهُ بِالْجُرْحِ فَاسْتَمْسَكَ الدَّمُ .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামীমী (রহঃ) ..... সাহল ইবনু সা'দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তাকে রসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উহুদ যুদ্ধের দিন আহত হওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর (পবিত্র) মুখমণ্ডল যখম করা হয়, তার রুবাই* দাত ভেঙ্গে দেয়া হয় এবং তার মাথায় লৌহ শিরস্ত্রাণ ভেঙ্গে ঢুকে যায়। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কন্যা ফাতিমাহ্ (রাযিঃ) রক্ত ধুয়ে দিচ্ছিলেন এবং আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) ঢাল দিয়ে পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন। ফাতিমাহ্ (রাযিঃ) যখন দেখলেন যে, তাতে রক্তপড়া আরো বেশী বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন তিনি একটি মাদুর খণ্ড পোড়ালেন এবং ছাই হয়ে গেলে তা যখমের উপর চেপে ধরলেন। এতে রক্তপাত বন্ধ হয়ে গেল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪৯১, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4643 — Sahih Muslim 32:125
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَارِيَّ - عَنْ أَبِي حَازِمٍ، أَنَّهُ سَمِعَ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ، وَهُوَ يُسْأَلُ عَنْ جُرْحِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَمَ وَاللَّهِ إِنِّي لأَعْرِفُ مَنْ كَانَ يَغْسِلُ جُرْحَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ كَانَ يَسْكُبُ الْمَاءَ . وَبِمَاذَا دُووِيَ جُرْحُهُ . ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَ حَدِيثِ عَبْدِ الْعَزِيزِ غَيْرَ أَنَّهُ زَادَ وَجُرِحَ وَجْهُهُ وَقَالَ مَكَانَ هُشِمَتْ كُسِرَتْ .
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) হতে বর্ণিত। সাহল ইবনু সা'ঈদ (রাযিঃ) কে যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আহত হওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়, তখন তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি অবশ্যই জানি, কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যখম ধুয়ে দিচ্ছিলেন, কে পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন এবং কিসের দ্বারা তার চিকিৎসা করা হয়েছিল। তারপর তিনি আবদুল আযীযের মাধ্যমে বর্ণিত পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। অবশ্য তার বর্ণনায় এ পার্থক্য রয়েছেঃ “তার মুখমণ্ডল যখম করা হয় এবংهُشِمَتْ এর স্থলেكُسِرَتْ শব্দ ব্যবহার করেছেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আহত হওয়া সংক্রান্ত সাহল ইবনু সা'দ (রাযিঃ) এর এ বর্ণনাটি সামান্য শাব্দিক পরিবর্তনসহ অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪৯২, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শইবাহ, যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, ইবনু আবূ উমার সকলেই ইবনু উয়াইনাহ থেকে এবং 'আমর ইবনু সাওওয়াদ আমিরী, মুহাম্মাদ ইবনু সাহল তামীমী সকলেই আবূ হাযিম সূত্রে সাহল ইবনু সা'দ (রাযিঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইবনু আবূ হিলাল এর হাদীসে আছে, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুখমণ্ডলে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিল। আর মুতাররফ এর হাদীসে আছে তার মুখমণ্ডলে যখম হয়েছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, ওহুদ দিবসে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রুবাইয়াত দাত ভেঙ্গে দেয়া হয়, তার মাথায় আঘাত করা হয় এবং তিনি তাঁর শরীর থেকে রক্ত মুছতে মুছতে বলছিলেন, সে জাতি কিভাবে সাফল্য অর্জন করবে, যারা তাদের নবীকে আহত করলো এবং তার সম্মুখের দু'টি দাত ভেঙ্গে দিল অথচ তিনি তাদের আল্লাহর দিকে আহ্বান জানাচ্ছিলেন। তখন আল্লাহ তা'আলা আয়াত নাযিল করলেনঃ “হে রসূল! এ ব্যাপারে আপনার করণীয় কিছুই নেই”- (সূরা আ-লি ইমরানঃ ১২৮)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখতে পাচ্ছি যে, তিনি এমন একজন নবীর কথা কাহিনীরূপে বর্ণনা করছেন, যাকে তার সম্প্রদায়ের লোকজন আঘাত করেছে। আর তিনি তার নিজের কপাল থেকে রক্ত মুছছেন এবং বলছেন, "প্ৰভু! আমার সম্প্রদায়কে ক্ষমা কর, কেন না তারা বুঝে না।” আ'মাশ (রহঃ) থেকে সামান্য পার্থক্য সহ অন্য সূত্রেও হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪৯৫, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ..... আ'মাশ (রহঃ) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তার বর্ণনায় রয়েছে যে, তিনি তাঁর কপাল থেকে রক্ত মুছছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4648 — Sahih Muslim 32:130
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اشْتَدَّ غَضَبُ اللَّهِ عَلَى قَوْمٍ فَعَلُوا هَذَا بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " . وَهُوَ حِينَئِذٍ يُشِيرُ إِلَى رَبَاعِيَتِهِ وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اشْتَدَّ غَضَبُ اللَّهِ عَلَى رَجُلٍ يَقْتُلُهُ رَسُولُ اللَّهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ " .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যে সব হাদীস বর্ণনা করেছেন এর মধ্যে তিনি এটিও বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “সে সম্প্রদায়ের প্রতি আল্লাহর গযব ভয়াবহ হয়, যারা আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি এরূপ আচরণ করে"। এ কথা বলতে বলতে তিনি তার সম্মুখের দুটি (ভগ্ন) দাঁতের দিকে ইঙ্গিত করছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেনঃ মহামহিম আল্লাহর গযব তার উপরও ভয়াবহ হয়, যাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর পথে হত্যা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪৯৭, ইসলামিক সেন্টার)