وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ سَرِيَّةً قِبَلَ نَجْدٍ وَفِيهِمُ ابْنُ عُمَرَ وَأَنَّ سُهْمَانَهُمْ بَلَغَتِ اثْنَىْ عَشَرَ بَعِيرًا وَنُفِّلُوا سِوَى ذَلِكَ بَعِيرًا فَلَمْ يُغَيِّرْهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজদের দিকে একটি সেনাদল পাঠান এবং তাদের মধ্যে ইবনু উমার (রাযিঃ)-ও ছিলেন। যুদ্ধলব্ধ সম্পদের বন্টনে তাদের ভাগে পড়ল বারটি করে উট। আর তা ছাড়া বাড়তিও একটি করে উট দেয়া হলো। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ বণ্টন সমর্থন করলো পরিবর্তন করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪০৯, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4560 — Sahih Muslim 32:41
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، وَعَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَرِيَّةً إِلَى نَجْدٍ فَخَرَجْتُ فِيهَا فَأَصَبْنَا إِبِلاً وَغَنَمًا فَبَلَغَتْ سُهْمَانُنَا اثْنَىْ عَشَرَ بَعِيرًا وَنَفَّلَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعِيرًا بَعِيرًا .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শইবাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজদের দিকে একটি সেনাদল প্রেরণ করেন। আর আমিও এতে গিয়েছিলাম। আমরা বহু উট এবং ছাগল পেলাম। আমাদের প্রত্যেক জনের ভাগে বারটি করে উট পড়ল এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেককে আরো একটি করে অতিরিক্ত উট প্রদান করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪১০, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ রাবী, আবূ কামিল (রহঃ) ..... ইবনু ‘আওন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নফল সম্পর্কে জানতে চেয়ে নাফি’ (রহঃ) এর কাছে লিখলাম। তিনি উত্তরে আমাকে লিখলেন যে, ইবনু উমার (রাযিঃ) একটি সেনাদলে ছিলেন। ইবনু রাফি ও হারূন ইবনু সাঈদ আইলী (রহঃ) তারা সকলেই নাফি’ (রহঃ) এর সূত্রে উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪১২, ইসলামিক সেন্টার)
সুরায়জ ইবনু ইউনুস ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... সালিম তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের অংশ পঞ্চমাংশ ছাড়াও বাড়তি দান করলেন। অতএব আমাদের ভাগে একটি শারিফ মিলল। শারিফ’ মানে বড় ধরনের বয়স্ক উট (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪১৩, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4564 — Sahih Muslim 32:45
وَحَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، ح وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، كِلاَهُمَا عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ بَلَغَنِي عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَفَّلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَرِيَّةً بِنَحْوِ حَدِيثِ ابْنِ رَجَاءٍ .
হান্নাদ ইবনু সারী (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্ষুদ্র সেনাদলের মাঝে যুদ্ধলব্ধ মালামাল বন্টনের ব্যাপারে ইবনু উমার থেকে আমার নিকট ইবনু রাজা কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের মতো একটি হাদীস এসেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪১৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনু লায়স (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্ষুদ্র সেনাদলে যেসব সৈনিককে প্রেরণ করতেন, তাদের কোন কোন সময় সাধারণ সৈনিকদের অংশের চেয়েও কিছু অতিরিক্ত বিশেষভাবে প্রদান করতেন। আর সকল অর্জিত গনীমাতের মালের উপরই এক পঞ্চমাংশ বের করা ওয়াজিব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪১৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামীমী (রহঃ) ..... আবূ মুহাম্মাদ আল-আনসারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি ছিলেন আবূ কাতাদার সহচর। তিনি বলেন, আবূ কাতাদাহ্ বলেন ..... এরপর এতদসংক্রান্ত বিস্তৃত একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪১৬, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) .... আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) এর আযাদকৃত দাস আবূ মুহাম্মাদ হতে বর্ণিত যে, আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) বলেন ..... অতঃপর পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪১৬, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামীমী, কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও আবূ তাহির (রহঃ) ..... আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুনায়নের যুদ্ধের সময় আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে বের হলাম। আমরা যখন শক্রদের মুখোমুখি হলাম তখন মুসলিমদের মধ্যে ছুটাছুটি আরম্ভ হলো। এ সময় আমি একজন মুশরিককে দেখতে পেলাম যে, সে একজন মুসলিমের উপর চড়াও করছে। তখন আমি একটু ঘুরে এসে তার পিছন দিক দিয়ে তার কাঁধের উপর আঘাত করলাম। তখন সে আমার দিকে অগ্রসর হয়ে আমাকে এমনভাবে চেপে ধরল যে, আমি এতে মৃত্যুর গন্ধ পেলাম। এরপর সে মৃত্যুমুখে চলে পড়ল এবং আমাকে ছেড়ে দিলো। এরপর আমি 'উমার ইবনু খাত্তাব (রাযিঃ)-এর সঙ্গে একত্রিত হলাম। তিনি বললেন, লোকদের কী হয়েছে? আমি বললাম, এ আল্লাহর ব্যাপার (ইচ্ছা)। তারপর (পলায়নপর) লোকেরা ফিরে এলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন (যুদ্ধ ক্ষেত্রে) বসেছিলেন। তিনি বললেন, যে মুসলিম সৈন্য অপর কোন শক্র সৈন্যকে হত্যা করেছে এবং এতে তার প্রমাণ আছে, তাহলে তার সম্পদ তারই (হত্যাকারী মুজাহিদেরই প্রাপ্য)। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি দাঁড়ালাম এবং বললাম, আমার জন্যে কেউ সাক্ষ্য দেবে? তারপর আমি বসে পড়লাম। তিনি আবারও সেরূপ কথা বললেন, আমি দাঁড়ালাম এবং বললাম কেউ আমার জন্যে সাক্ষ্য দেবে? এবং আমি বসে পড়লাম। তিনি তৃতীয়বারও ঐরূপ বললেন। তা শুনে আমি (আবার) দণ্ডায়মান হলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমার কী হয়েছে, হে আবূ কাতাদাহ! আমি তার কাছে সমস্ত ঘটনা খুলে বললাম। তখন এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রসূল! তিনি (আবূ কাতাদাহ) সত্য বলেছেন। ঐ নিহত ব্যক্তির (পরিত্যক্ত) সম্পদ আমার কাছে রক্ষিত আছে। আপনি তার হক আমাকে দেয়ার ব্যাপারে তাকে রাজি করিয়ে দেন। তখন আবূ বাকর সিদীক (রাযিঃ) বললেন, না, আল্লাহর কসম! তা হতে পারে না। আল্লাহর সিংহসমূহের মধ্য হতে কোন এক সিংহ (যোদ্ধা) যিনি আল্লাহ ও তার রসূলের পক্ষে যুদ্ধ করেছেন, আর তার প্রাপ্য সম্পদ যিনি তোমাকে প্রদান করবেন এমন হতে পারে না। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ (আবূ বাকর) ঠিকই বলেছেন। সুতরাং তিনি তাকে (আবূ কাতাদাকেই) তা প্রদানের নির্দেশ দিলেন এবং তিনি তা আমাকেই দিলেন। আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি তা থেকে লৌহ বর্মটি বিক্রি করলাম এবং তা দিয়ে বানী সালামার মহল্লায় একটি ফলের বাগান খরিদ করলাম। এ ছিল আমার ইসলামী জীবনের প্রথম অর্জিত সম্পদ। লায়স (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ আছে যে, আবূ বাকর (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর সিংহসমূহের মধ্য থেকে কোন এক সিংহকে বাদ দিয়ে তা কুরায়শের কোন শৃগালকে (কাপুরুষকে) প্রদান করেন না লায়স (রহঃ) এর বর্ণনায় রয়েছে এটিই আমার প্রথম সম্পদ যা আমি সংগ্রহ করেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪১৬, ইসলামিক সেন্টার)