(…/...) ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, কুতাইবাহ ও ইবনু হুজর, ইবনু নুমায়র, আবূ কুরায়ব ও আমর আন নাকিদ, মুহাম্মদ ইবনু রাফি ও আবু তাহির (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, যুহরী হুমায়দ হতে আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে বর্ণিত হাদীসের অবিকল। তবে সালিম, হাম্মাম ও আবু ইউনুস (রহঃ) وَيُلْقَى الشُّحُّ (কৃপণতা বিস্তৃত হয়ে পড়বে) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৫১, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা মানুষের হৃদয় হতে ইলম ছিনিয়ে নেবেন না। তবে তিনি ‘আলিম সম্প্রদায়কে কবয করে ইলম উঠিয়ে নিবেন। এমনকি যখন একজন আলিমও থাকবে না তখন মানুষেরা মূৰ্খ মানুষদেরকে নেতা বানিয়ে নিবে। মানুষ তাদের নিকট সমাধান চাইবে, এরপর তারা না জেনে ফাতাওয়া প্রদান করবে। ফলে তারা নিজেরাও গোমরাহ হবে এবং মানুষদেরও গুমরাহ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৫২, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) আবু রাবী আল আতাকী’, ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ, যুহায়র ইবনু হারব, আবু কুরায়ব, ইবনু আবূ উমার, মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম, আবু বাকর ইবনু নাফি’ ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে জারীর এর হাদীসের অবিকল বর্ণিত। হিশাম ইবনু উরওয়াহ (রহঃ) উমর ইবনু আলী (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে এ অংশটুকু বর্ধিত বলেছেন- এরপর আমি (ইবনু উরওয়াহ্) এক বৎসরের মাথায় (পরে) ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাকে প্রশ্ন করলাম; এরপর তিনি হাদীসটি যেমন বর্ণনা দিয়েছিলেন, আমাকে হুবহু হাদীসটি বর্ণনা করলেন। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৫৩, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 6798 — Sahih Muslim 47:24
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حُمْرَانَ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ، أَخْبَرَنِي أَبِي جَعْفَرٌ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ .
(…) হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া আত তুজীবী (রহঃ) ..... উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, হে আমার বোনের ছেলে! আমার নিকট সংবাদ এসেছে যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) আমাদের সাথে হাজ্জব্রত পালনে এসেছেন। তার সাথে তুমি দেখা করে প্রশ্ন করো। কেননা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তিনি বহু জ্ঞানার্জন করেছেন। তিনি (উরওয়াহ্) বলেন, এমন সময় আমি তার সাথে দেখা করে এমন বহু ব্যাপারে প্রশ্ন করলাম, যা তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উল্লেখ করেছেন। উরওয়াহ (রহঃ) বলেন, যা তিনি আলোচনা করেছিলেন সে সকল বিষয়ের মধ্যে একটি ছিল এই যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা মানুষের নিকট থেকে ইলম কেড়ে নিবেন না। তবে তিনি আলিমদের উঠিয়ে নিয়ে যাবেন। সুতরাং তাদের সাথে ইলমও উঠে যাবে। আর মানুষের মধ্যে অবশিষ্ট থাকবে মূর্খ নেতাকর্মীরা। তারা না জেনে-শুনে মানুষদের ফাতাওয়া দিবে। ফলে তারা পথভ্রষ্ট হবে এবং তাদেরও পথভ্রষ্ট করবে। উরওয়াহ্ (রহঃ) বলেন, আমি যখন এ হাদীসটি আয়িশাহ (রাযিঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম তখন তিনি হাদীসটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করলেন এবং বিরক্তিভাব প্রকাশ করে বললেন, তিনি [আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাযিঃ)] কি তোমার কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এটি বলতে শুনেছেন? উরওয়াহ্ (রহঃ) বললেন, এমনকি পরবর্তী বৎসর হজ্জের সময় এসে গেলো তখন তিনি তাকে [উরওয়াহ (রহঃ) কে] বললেন, অবশ্যই ইবনু আমর (রাযিঃ) (হাজ্জে) গমন করেছেন। তার সাথে দেখা করো। তারপর তাকে তুমি সে হাদীসের ব্যাপারে প্রশ্ন করো ইলম সম্পর্কে তিনি তোমার নিকট আলোচনা করেছেন। উরওয়াহ (রহঃ) বললেন, তখন আমি তার সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে প্রশ্ন করলাম। তখন তিনি তা আমার নিকটে আলোচনা করলেন, যেমন তিনি প্রথমবার আমার কাছে বর্ণনা করেছিলেন। ‘উরওয়াহ বলেন, যখন আমি তাকে [আয়িশাহ (রাযিঃ) কে] বিষয়টি অবহিত করলাম তখন তিনি বললেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) কে সত্য কথা বলে এমনটি মনে করি এবং তিনি এ হাদীসে বিন্দুমাত্র বেশি কিংবা কম করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৫৫, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কিছু সংখ্যক যাযাবর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে আসলো। তাদের পরনে পশমী পোশাক ছিল। তিনি তাদের নিকৃষ্ট অবস্থা দেখলেন। তাদের অভাবে আক্রমণ করেছে। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষদের (তাদেরকে) দান-সদাকাহ করার জন্যে উৎসাহিত করলেন। মানুষেরা দান-সদাকাহ দিতে ইতস্তত করছিল। এমনকি এর প্রতিক্রিয়া তার চেহারায় দেখা গেল। রাবী বলেন, তারপর একজন আনসারী লোক একটি রূপার (টাকার) ব্যাগ নিয়ে আসলেন। তারপর অন্যজন আসলেন। তারপর পর্যায়ক্রমে আসতে লাগলেন, পরিশেষে তার মুখে আনন্দের চিহ্ন দেখা গেল। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যে লোক ইসলামে কোন সুন্নাত চালু করলো এবং পরবর্তীকালে সে অনুসারে ‘আমল করা হলো তাহলে আমলকারীর প্রতিদানের সমান প্রতিদান তার জন্য লিখিত হবে। এতে তাদের প্রতিদানে কোন ঘাটতি হবে না, আর যে লোক ইসলামে কোন অশুভ নীতি চালু করলো এবং তারপরে সে অনুযায়ী ‘আমল করা হলো তাহলে ঐ "আমলকারীর খারাপ প্রতিদানের সমান গুনাহ তার জন্য লিখিত হবে। এতে তাদের পাপ সামান্য ঘাটতি হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৫৬, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... জারীর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবাহ দিলেন এবং মানুষদেরকে দান করার জন্য উৎসাহ প্রদান করলেন। এরপর জারীর বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনানুযায়ী। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৫৭, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন লোক কোন ভাল কর্মের প্রবর্তন করে না, যা পরবর্তীকালে কাজে পরিণত করা হয়। তারপর তিনি সম্পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৫৮, ইসলামিক সেন্টার)
উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারীরী, আবূ কামিল ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল মালিক আল উমাবী ..... জারীর (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, আবূ বাকর ইবনু আবু শাইবাহ ও উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) ..... জারীর (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক সঠিক পথের দিকে ডাকে তার জন্য সে পথের অনুসারীদের প্রতিদানের সমান প্রতিদান রয়েছে। এতে তাদের প্রতিদান হতে সামান্য ঘাটতি হবে না। আর যে লোক বিভ্রান্তির দিকে ডাকে তার উপর সে রাস্তার অনুসারীদের পাপের অনুরূপ পাপ বর্তাবে। এতে তাদের পাপরাশি সামান্য হালকা হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৬০, ইসলামিক সেন্টার)