আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা অভিসম্পাত করেন সে চোরের উপর, যে একটি ডিম (বা ডিমের মূল্যের পরিমাণ বস্তু) চুরি করল। এতে তার হাত কাটা যাবে। আর যে ব্যক্তি একটি দড়ি (কিংবা দড়ির মূল্যের পরিমাণ বস্তু) চুরি করল, তারও হাত কাটা যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৬১, ইসলামিক সেন্টার)
আমর আন নাকিদ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ..... আমাশ (রহঃ) হতে এ সূত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি إِنْ سَرَقَ حَبْلاً وَإِنْ سَرَقَ بَيْضَةً (যদিও সে দড়ি চুরি করে এবং ডিম চুরি করে) কথাটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৬২, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4410 — Sahih Muslim 29:13
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنَ عَائِشَةَ، أَنَّ قُرَيْشًا، أَهَمَّهُمْ شَأْنُ الْمَرْأَةِ الْمَخْزُومِيَّةِ الَّتِي سَرَقَتْ فَقَالُوا مَنْ يُكَلِّمُ فِيهَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا وَمَنْ يَجْتَرِئُ عَلَيْهِ إِلاَّ أُسَامَةُ حِبُّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَكَلَّمَهُ أُسَامَةُ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَتَشْفَعُ فِي حَدٍّ مِنْ حُدُودِ اللَّهِ " . ثُمَّ قَامَ فَاخْتَطَبَ فَقَالَ " أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّمَا أَهْلَكَ الَّذِينَ قَبْلَكُمْ أَنَّهُمْ كَانُوا إِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الشَّرِيفُ تَرَكُوهُ وَإِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الضَّعِيفُ أَقَامُوا عَلَيْهِ الْحَدَّ وَايْمُ اللَّهِ لَوْ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ مُحَمَّدٍ سَرَقَتْ لَقَطَعْتُ يَدَهَا " . وَفِي حَدِيثِ ابْنِ رُمْحٍ " إِنَّمَا هَلَكَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ " .
কুতাইবাহ্ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, মাখযুমী গোত্রের একজন মহিলা চুরি করলে তার (প্রতি হদ প্রয়োগের ব্যাপারে) কুরায়শগণ চিন্তান্বিত হয়ে পড়লো। তারা বলল, কে এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে কথা বলতে (সুপারিশ করতে) পারে? তখন তারা বললেন, এ ব্যাপারে উসামাহ্ (রাযিঃ) ব্যতীত আর কারো হিম্মত নেই। তিনি হলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয় ব্যক্তি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে তিনি এ ব্যাপারে কথা বললেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি কি আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত হদের ব্যাপারে সুপারিশ করতে চাও? অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন। তিনি বললেনঃ হে লোক সকল! নিশ্চয়ই তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতগণ ধ্বংস হয়েছে এ কারণে যে, তাদের মধ্যে যখন কোন সভ্রান্ত লোক চুরি করতো, তখন তারা তাকে ছেড়ে দিত। আর যদি কোন দুর্বল লোক চুরি করতো, তবে তারা তার উপর শাস্তি প্রয়োগ করতো। আল্লাহর কসম! যদি মুহাম্মাদ এর কন্যা ফাতিমাহ-ও চুরি করতো, তবুও নিশ্চয়ই আমি তার হাত কেটে দিতাম। ইবনু রুমহ (রহঃ) বর্ণিত অপর এক হাদীসে নিশ্চয়ই তোমাদের পূর্ববর্তীগণ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে বাক্যটি অতিরিক্ত বর্ণিত রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4411 — Sahih Muslim 29:14
وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، - وَاللَّفْظُ لِحَرْمَلَةَ - قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ، وَهْبٍ قَالَ أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ قُرَيْشًا أَهَمَّهُمْ شَأْنُ الْمَرْأَةِ الَّتِي سَرَقَتْ فِي عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي غَزْوَةِ الْفَتْحِ فَقَالُوا مَنْ يُكَلِّمُ فِيهَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا وَمَنْ يَجْتَرِئُ عَلَيْهِ إِلاَّ أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ حِبُّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَأُتِيَ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكَلَّمَهُ فِيهَا أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ فَتَلَوَّنَ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " أَتَشْفَعُ فِي حَدٍّ مِنْ حُدُودِ اللَّهِ " . فَقَالَ لَهُ أُسَامَةُ اسْتَغْفِرْ لِي يَا رَسُولَ اللَّهِ . فَلَمَّا كَانَ الْعَشِيُّ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاخْتَطَبَ فَأَثْنَى عَلَى اللَّهِ بِمَا هُوَ أَهْلُهُ ثُمَّ قَالَ " أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّمَا أَهْلَكَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ أَنَّهُمْ كَانُوا إِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الشَّرِيفُ تَرَكُوهُ وَإِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الضَّعِيفُ أَقَامُوا عَلَيْهِ الْحَدَّ وَإِنِّي وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ مُحَمَّدٍ سَرَقَتْ لَقَطَعْتُ يَدَهَا " . ثُمَّ أَمَرَ بِتِلْكَ الْمَرْأَةِ الَّتِي سَرَقَتْ فَقُطِعَتْ يَدُهَا . قَالَ يُونُسُ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ قَالَ عُرْوَةُ قَالَتْ عَائِشَةُ فَحَسُنَتْ تَوْبَتُهَا بَعْدُ وَتَزَوَّجَتْ وَكَانَتْ تَأْتِينِي بَعْدَ ذَلِكَ فَأَرْفَعُ حَاجَتَهَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
আবূ তাহির ও হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, কুরায়শরা এক মহিলার ব্যাপারে চিন্তিত হয়ে পড়লো, যে মহিলাটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়কালে মাক্কাহ বিজয়ের সময় চুরি করেছিল। তখন তারা বলল, এ ব্যাপারে কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কথা (সুপারিশ) বলবে? তখন তারা বলল, এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয়পাত্র উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) ব্যতীত আর কার হিম্মত থাকতে পারে? তিনি হলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খুবই প্রিয় পাত্র। অতঃপর উক্ত মহিলাকে নিয়ে উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে এসে তার ব্যাপারে কথা বললেন। এতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুখমণ্ডল বিবর্ণ হয়ে গেল। তখন তিনি বললেনঃ তুমি কি আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত হদ এর ব্যাপারে সুপারিশ করতে চাও? তখন উসামাহ্ (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল। আমার জন্য (আল্লাহর কাছে) ক্ষমা প্রার্থনা করুন। যখন সন্ধ্যা হল তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দণ্ডায়মান হয়ে এক ভাষণ দিলেন। প্রথমে তিনি আল্লাহর যথাযথ প্রশংসা করলেন, অতঃপর বললেনঃ তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতগণকে ধ্বংস করা হয়েছে এজন্য যে, যখন তাদের মধ্যে কোন সম্ভ্রান্ত লোক চুরি করতো, তখন তারা তাকে ছেড়ে দিত। আর যখন তাদের মধ্যে কোন হীন লোক চুরি করতো, তখন তার উপর হদ’ প্রয়োগ করতো। সে মহান আল্লাহর কসম যার হাতে আমার জীবন যদি মুহাম্মাদের কন্যা ফাতিমাহও চুরি করতো, তবে অবশ্যই আমি তার হাত কেটে দিতাম। এরপর যে মহিলা চুরি করেছিল, তিনি তার হাত কাটার নির্দেশ দিলেন। সুতরাং তার হাত কেটে দেয়া হল। ইউনুস (রহঃ) আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, অতঃপর সে মহিলা খাটিভাবে তওবা্ করল এবং এরপরে তার বিয়ে হলো। আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, এ ঘটনার পর ঐ মহিলা প্রায়ই আমার কাছে আসতো। তার কোন প্রয়োজন থাকলে আমি তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তুলে ধরতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4412 — Sahih Muslim 29:15
وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَتِ امْرَأَةٌ مَخْزُومِيَّةٌ تَسْتَعِيرُ الْمَتَاعَ وَتَجْحَدُهُ فَأَمَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ تُقْطَعَ يَدُهَا فَأَتَى أَهْلُهَا أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ فَكَلَّمُوهُ فَكَلَّمَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِيهَا . ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَ حَدِيثِ اللَّيْثِ وَيُونُسَ .
আবদ আবন হুমায়দ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক মাখযুমী মহিলা বিভিন্ন জিনিস ঋণ নিয়ে পরে সে তা অস্বীকার করতো। এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত কাটার নির্দেশ দিলেন। এরপর সে মহিলার পরিবারবর্গ উসামাহ্ (রাযিঃ) এর কাছে এসে এ ব্যাপারে কথোপকথন করলো। তিনি এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে কথা বললেন। অতঃপর তিনি লায়স ও ইউনুস (রহঃ) ... এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৬৫, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4413 — Sahih Muslim 29:16
وَحَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَعْيَنَ، حَدَّثَنَا مَعْقِلٌ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ امْرَأَةً، مِنْ بَنِي مَخْزُومٍ سَرَقَتْ فَأُتِيَ بِهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَعَاذَتْ بِأُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " وَاللَّهِ لَوْ كَانَتْ فَاطِمَةُ لَقَطَعْتُ يَدَهَا " . فَقُطِعَتْ .
সালামাহ্ ইবনু শাবীব (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, একদা এক মাখযুমী মহিলা চুরি করল। অতঃপর তাকে (নিয়ে এসে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মু সালামার মাধ্যমে ক্ষমা চাইলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেনঃ যদি ফাতিমাহও চুরি করতো, তবে আমি তার হাত কেটে দিতাম। এরপর মহিলাটির হাত কেটে দেয়া হল (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৬৬, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামিমী (রহঃ) ...... উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ কর, তোমরা আমার কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ কর যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা মহিলাদের জন্য একটি পন্থা বের করেছেন। যদি কোন অবিবাহিত পুরুষ কোন কুমারী মেয়ের সাথে ব্যভিচার করে তবে একশ' বেত্ৰাঘাত কর এবং এক বছরের জন্য নির্বাসন দাও। আর যদি বিবাহিত ব্যক্তি কোন বিবাহিতা মহিলার সঙ্গে ব্যভিচার করে, তবে তাদেরকে প্রথমত একশ' বেত্ৰাঘাত করবে, এরপর পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না, ইবনু বাশশার ও মুসান্না (রহঃ) ..... উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওপর যখন ওয়াহী অবতীর্ণ হতো, তখন তাকে ক্লান্ত মনে হতো এবং তার মুখমণ্ডলে ক্লান্তির চিহ্ন ফুটে উঠত। বর্ণনাকারী বলেন, একদা যখন তার ওপর ওয়াহী অবতীর্ণ হলো তখন তার অবস্থা ঐরূপ হল। এরপর যখন অবস্থা পরিবর্তন হয়ে গেল, তখন তিনি বললেনঃ তোমরা আমার কাছ হতে শিক্ষা গ্রহণ কর, নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা মহিলাদের জন্য একটি পন্থা বের করে দিয়েছেন। যদি কোন বিবাহিত পুরুষ কোন বিবাহিতা মহিলার সাথে এবং কোন অবিবাহিত পুরুষ কুমারী মেয়ের সাথে ব্যভিচার করে, তবে বিবাহিত ব্যক্তিকে একশ' বেত্ৰাঘাত করবে, এরপর পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করবে। আর অবিবাহিত পুরুষ বা মহিলাকে একশ' বেত্ৰাঘাত করবে, এরপর তাদেরকে এক বছরের জন্য নির্বাসন দেবে (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৬৯, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মদ ইবনু মুসান্না, মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাদের উভয়ের বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, الْبِكْرُ يُجْلَدُ وَيُنْفَى وَالثَّيِّبُ يُجْلَدُ وَيُرْجَمُ [অবিবাহিত (পুরুষ বা মহিলা)-কে বেত্ৰাঘাত করা হবে এবং নির্বাসন দেয়া হবে। আর বিবাহিত (পুরুষ বা মহিলা) কে প্রথমতঃ বেত্ৰাঘাত করা হবে এরপর পাথর মেরে হত্যা করা হবে।] কিন্তু তিনি سَنَةً وَلاَ مِائَةً (এক বছর এবং একশ') এ কথাটি তার হাদীসে উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৭০, ইসলামিক সেন্টার)