মুহাম্মাদ ইবনু মিনহালুয যারীর (রহঃ) ..... ‘আলী (রাযিঃ) থেকে তিনি বলেন, কোন অপরাধীর উপর 'হদ্দ' (শারীআতের শাস্তি) প্রয়োগে যদি সে মারা যায় তাতে আমি ব্যথিত হয়নি। কিন্তু মদ্যপায়ীর শাস্তি প্রদানে আমি ভীত। কেননা, এতে যদি সে মারা যায় তবে আমি তার দিয়াত (ক্ষতিপূরণ) প্রদান করবো। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ব্যাপারে শাস্তির কোন পরিমাণ নির্ধারিত করে যাননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩০৯, ইসলামিক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... আবূ বুরদাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, কাউকে যেন আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত অপরাধের নির্দিষ্ট হদ্দ (দণ্ড) ব্যতীত দশ বেত্ৰাঘাতের বেশী বেত্ৰাঘাত না করা হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩১১, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামীমী (রহঃ) ..... উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমরা কোন এক মাজলিসে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে বসা ছিলাম। তখন তিনি বললেন যে, তোমরা আমার কাছে এর উপর বাই’আত কর যে, তোমরা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না, ব্যভিচার করবে না, চুরি করবে না এবং কাউকে হত্যা করবে না যাকে হত্যা করা আল্লাহ নিষেধ করেছেন। কিন্তু ন্যায়সঙ্গতভাবে (অর্থাৎ- কিসাস হিসেবে অথবা মুরতাদ হলে কিংবা বিয়ের পর যিনা করলে)। অতএব, তোমাদের মধ্য থেকে যে কেউ তা পূর্ণ করবে, সে তার পুরস্কার আল্লাহর কাছে পাবে। আর যদি কেউ উল্লিখিত অপরাধের কোন একটিতে পতিত হয়ে শাস্তি ভোগ করে যাকে, তবে তাই তার জন্য কাফফারা (বদলা) হয়ে যাবে। আর যদি কোন ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধের কোন একটিতে পতিত হয় অতঃপর আল্লাহ তা'আলা তা গোপন রাখেন, তবে বিষয়টি মহান আল্লাহর ইচ্ছাধীন। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাকে ক্ষমা করে দিবেন এবং ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিবেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩১২, ইসলামিক সেন্টার)
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) হতে একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি তার হাদীসে শুধু এটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, "অতএব, তিনি আমাদের কাছে সূরা নিসা এর আয়াত (অর্থঃ) তারা যেন আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক না করে ...... আয়াতের শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করলেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩১৩, ইসলামিক সেন্টার)
ইসমাঈল ইবনু সালিম (রহঃ) ..... উবাদাহ ইবনু সামিত (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের থেকে অনুরূপ অঙ্গীকার নিলেন, যেরূপ অঙ্গীকার নিয়েছেন মহিলাদের থেকে যেন আমরা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক না করি, চুরি না করি, ব্যভিচার না করি, আমাদের সন্তানদেরকে হত্যা না করি এবং একে অপরের ক্ষতি না করি। অতএব তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তা পূর্ণ করবে তার পুরস্কার আল্লাহর কাছে পাবে। আর তোমাদের মধ্যে যদি কেউ এমন কোন অপরাধ করে যাতে (হদ্দ) শরীয়তের শাস্তি অত্যাবশ্যকীয় হয়, অতঃপর তার উপর সে শাস্তি কার্যকরী হয়, তবে তা তার অপরাধের কাফফারা (বদলা) হয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তির পাপ কার্য আল্লাহ গোপন রাখলেন, তার বিষয় আল্লাহর ইচ্ছাধীন। যদি তিনি ইচ্ছা করেন তবে তাকে শাস্তি দিবেন। আর যদি ইচ্ছে করেন তবে তাকে ক্ষমা করে দিবেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩১৪, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ... উভয়ে উবাদাহ ইবনু সামিত (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি সেসব নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ছিলাম, যারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বাই’আত নিয়েছিলেন। আমরা শপথ নিলাম যে, আমরা আল্লাহর সাথে কোন কিছু শারীক করবো না, ব্যভিচার করবো না, চুরি করবো না, কাউকে হত্যা করবো না- যেগুলো (যাদেরকে হত্যা করতে) আল্লাহ নিষিদ্ধ করেছেন। কিন্তু ন্যায়সঙ্গতভাবে (অর্থাৎ- কিসাস তথা অবৈধ হত্যার পরিবর্তে বা মুরতাদ হলে বা বিয়ের পর যিনা করলে হত্যা করবে)। আর ডাকাতি করবো না ও কোন প্রকার নিষিদ্ধ কর্মও করবো না। যদি আমরা ঐরূপ কার্যাবলী না করে চলতে পারি তবে আমাদের জান্নাত মিলবে। আর যদি আমরা উল্লিখিত অপরাধের কোনটিতে লিপ্ত হই, তবে এর ফায়সালা আল্লাহর কাছেই। ইবনু রুমহ বলেন, এর ফায়সালা মহান আল্লাহর কাছেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩১৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ও কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পশুর আঘাত দণ্ডযোগ্য নয়, কূপে পড়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষতিদন্ডযোগ্য নয় এবং খনিতে নিপতিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষতি দণ্ডযোগ্য নয়। (অর্থাৎ- ঐসব কারণে যদি কেউ আহত বা নিহত হয়, তবে এতে কোন দিয়াত' বা ক্ষতিপূরণ নেই।) আর গুপ্তধন অথবা খনিজ পদার্থ প্রাপ্তিতে এক পঞ্চমাংশ নির্ধারিত (বাইতুল মালের জন্য)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩১৬, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) হতে লায়স (রহঃ) এর সূত্র অনুসারে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩১৭, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4467 — Sahih Muslim 29:70
وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، وَعُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ .
আবূ তাহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩১৮, ইসলামিক সেন্টার)