আহমাদ ইবনু ইবরাহীম আদ দাওরাকী (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যুহরের সালাতের ওয়াক্ত শুরু হয় যখন সূর্য (মাথার উপর থেকে পশ্চিম দিকে) হেলে পড়ে এবং মানুষের ছায়া তার দৈর্ঘ্যের সমান হয়। আর আসরের সালাতের সময় না হওয়া পর্যন্ত তা থাকে। আসরের সালাতের সময় থাকে সূর্য বিবর্ণ হয়ে সোনালী বা তাম্রবর্ণ ধারণ না করা পর্যন্ত। মাগরিবের সালাতের সময় থাকে সূর্যাস্তের পর সন্ধ্যা গোধূলি বা পশ্চিম দিগন্তে উদ্ভাসিত লালিমা অন্তর্হিত না হওয়া পর্যন্ত। ইশার সালাতের সময় থাকে অর্ধরাত্রি অর্থাৎ- মধ্যরাত পর্যন্ত। আর ফজরের সালাতের সময় শুরু হয় ফাজর বা উষার উদয় থেকে শুরু করে সূর্যোদয় পর্যন্ত। অতএব সূর্যোদয়ের সময় সালাত আদায় করা বন্ধ রাখবে। কারণ সূর্য শায়তনের দু শিংয়ের মধ্যখানে উদিত হয়*। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৬২, ইসলামীক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু ইউসুফ আল আয্দী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সালাতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। তিনি বললেনঃ সূর্যের উপর দিকের প্রান্তভাগ দেখা না যাওয়া পর্যন্ত ফাজর সালাতের সময় থাকে। যুহরের সালাতের সময় থাকে আকাশের মধ্যভাগ থেকে সূর্য গড়িয়ে আসরের সময় না হওয়া পর্যন্ত। আসরের সালাতের সময় থাকে সূর্য বিবর্ণ হয়ে সোনালী বা তাম্রবর্ণ ধারণ করার পর উপরের প্রান্তভাগ অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত। মাগরিবের সালাতের সময় থাকে সূর্যাস্ত থেকে সান্ধ্যকালীন গোধূলি বা পশ্চিম দিগন্তের লালিমা অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত। আর ইশার সালাতের সময় থাকে অর্ধ-রাত্রি পর্যন্ত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৬৩, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামিমী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে, দৈহিক আরাম উপভোগের সাথে জ্ঞানার্জন কখনও সম্ভব নয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৬৪, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব ও উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... বুরায়দাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাতের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি আমাদের সাথে দু'দিন সালাত আদায় কর (লোকটি তাই করল)। সূর্য যখন মাথার উপর থেকে হেলে পড়ল তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলালকে আযান দিতে আদেশ করলেন। বিলাল আযান দিলেন। অতঃপর তিনি তাকে ইকামাত দিতে বললে তিনি যুহরের সালাতের ইকামাত দিলাম (অর্থাৎ- তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত আদায় করলেন)। এরপর (আসরের সময় হলে) তিনি তাকে আসরের সালাতের ইকামাত দিতে বললেন। বিলাল ইকামাত দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আসরের সালাত আদায় করলেন। সূর্য তখনও বেশ উপরে ছিল এবং পরিষ্কার ও আলো ঝলমল দেখাচ্ছিল। তারপর আদেশ দিলে বিলাল মাগরিবের আযান দিলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিবের সালাত আদায় করলেন তখন সূর্য ডুবে গেছে। এরপর তিনি বিলালকে ইশার সালাতের ইকামাত দিতে বললেন বিলাল ইকামাত দিলেন এবং সূর্যাস্তের পর পশ্চিম দিগন্তে যে সান্ধ্যকালীন লালিমা বা রক্তিম আভা দেখা যায় তা অন্তৰ্হিত হওয়ার পরপরই ইশার সালাত আদায় করলেন। পরে বিলালকে তিনি ফজরের সালাতের ইকামাত দিতে বললেন এবং উষার অভ্যুদয়ের সাথে সাথেই ফজরের সালাত আদায় করলেন। দ্বিতীয় দিনে তিনি বিলালকে আদেশ করলেন এবং বেশ দেরী করে যুহরের সালাত আদায় করলেন। (দ্বিতীয় দিনে) তিনি এমন সময় আসরের সালাত আদায় করলেন সূর্য তখনও বেশ উপরে ছিল। তবে আগের দিনের তুলনায় বেশ দেরী করে পড়লেন। তিনি সান্ধ্যকালীন গোধূলি বা লালিমা অন্তৰ্হিত হওয়ার পূর্বক্ষণে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। আর রাতের এক তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হওয়ার পর ইশার সালাত আদায় করলেন এবং সর্বশেষ বেশ ফর্সা হয়ে গেলে ফজরের সালাত আদায় করলেন। এরপর জিজ্ঞেস করলেনঃ সালাতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেসকারী ব্যক্তি কোথায়? লোকটি তখন বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি উপস্থিত আছি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকটিকে বললেনঃ দুদিন যে দু'টি সময়ে আমি সালাত আদায় করলাম এরই মধ্যবর্তী সময়টুকু হলো সালাতের ওয়াক্তসমূহ। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৬৫, ইসলামীক সেন্টার)
ইবরাহীম ইবনু মুহাম্মদ ইবনু আর'আরাহ আস সামী (রহঃ) ..... বুরায়দাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে সালাতের সময় সম্পর্কে এসে জিজ্ঞেস করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ তুমি আমাদের সাথে সালাত আদায় করো (জানতে পারবে)। অতঃপর ফজরের সালাতের জন্য বিলালকে আযান দিতে আদেশ করলে তিনি (বিলাল) বেশ কিছু অন্ধকার থাকতে আযান দিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উষার আলো প্রকাশ পাওয়ার সাথে সাথে ফজরের সালাত আদায় করলেন। পরে সূর্য আকাশের মধ্যভাগ থেকে হেলে পড়লে তিনি বিলালকে যুহরের সালাতের আযান দিতে বললেন (এবং যুহরের সালাত আদায় করলেন)। অতঃপর সূর্য কিছু উপরে থাকতেই তিনি বিলালকে আসরের সালাতের আযান দিতে বললেন (এবং আসরের সালাত আদায় করলেন)। তারপর সান্ধ্যকালীন গোধূলি (বা সূর্যাস্তের পর পশ্চিম দিগন্তে দৃশ্যমান রক্তিম আভা) অন্তৰ্হিত হওয়ার সাথে সাথে বিলালকে ইশার আযান দিতে বললেন (এবং ইশার সালাত আদায় করলেন)। পরদিন প্রত্যুষে বেশ ফর্সা হয়ে গেলে তিনি বিলালকে ফজরের সালাতের আযান দিতে বললেন (এবং ফজরের সালাত আদায় করলেন)। তারপর যুহরের সালাতের আযান দিতে বললেন এবং বেশ দেরী করে (সূর্যের উত্তাপ কমলে) যুহরের সালাত আদায় করলেন। এরপর সূর্য তাম্রবর্ণ ধারণ করার পূর্বেই এর আলো পরিষ্কার এবং ঝলমলে থাকতেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে আসরের সালাতের আযান দিতে বললেন (এবং আসরের সালাত আদায় করলেন) এরপর সন্ধ্যা-গোধূলি অদৃশ্য হওয়ার পূর্বক্ষণে মাগরিবের সালাতের আযান দিতে বললেন (এবং মাগরিবের সালাত আদায় করলেন)। অতঃপর রাতের এক তৃতীয়াংশ অথবা কিছু অংশ (বর্ণনাকার হারামী ইবনু উমারাহ সন্দেহ করেছেন) অতিবাহিত হওয়ার পর ইশার সালাতের আযান দিতে বললেন (এবং ইশার সালাত আদায় করলেন)। পরদিন সকালে তিনি জিজ্ঞেস করলেন (সালাতের সময় সম্পর্কে) প্রশ্নকারী কোথায়? (দু'দিন সালাত আদায়ের) সময়ের মধ্যে তুমি যে ব্যবধান দেখলে তার মাঝখানেই হলো সালাতের সময়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন, ১২৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে সালাতের সময় সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে জবাব দিলেন না তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাজের মাধ্যমে তাকে দেখিয়ে দিতে চাচ্ছিলেন। বর্ণনাকার সাহাবী আবূ মূসা বলেন, উষার আগমনের সাথে সাথেই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত আদায় করলেন। তখনও অন্ধকার এতটা ছিল যে লোকজন একে অপরকে দেখে চিনতে পারছিল না। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আযান দিতে আদেশ করলেন এবং লোকজন বলাবলি করছিল যে, দুপুর হয়েছে। অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এ বিষয়ে তাদের চেয়ে বেশী অবহিত। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসরের আযান দিতে আদেশ করলেন এবং এমন সময় আসরের সালাত আদায় করলেন যখন সূর্য আকাশের বেশ উপরের দিকে ছিল। অতঃপর তিনি মাগরিবের সালাতের আযান দিতে আদেশ করলেন এবং এমন সময় সালাত আদায় করলেন যখন সবেমাত্র সূর্যাস্ত হয়েছে। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইশার সালাতের আযান দিতে আদেশ করলেন এবং এমন সময় ইশার সালাত আদায় করলেন যখন সান্ধ্যকালীন দিগন্ত লালিমা সবেমাত্র অস্তমিত হয়েছে। এর পরদিন সকালে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফজরের সালাত দেরী করে আদায় করলেন। এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে, যখন সালাত শেষ করলেন তখন লোকজন বলাবলি করছিল- সূর্যোদয় ঘটেছে বা সূর্যোদয়ের উপক্রম হয়েছে। এরপর যুহরের সালাত এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে, গত দিনের আসরের সালাত যে সময় আদায় করেছিলেন প্রায় সে সময় এসে গেল। অতঃপর আসরের সালাতটাও এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে, সালাত শেষ করলে লোকজন বলাবলি করতে লাগল- সূর্য রক্তিন বর্ণ ধারণ করেছে। তারপর মাগরিবের সালাতও দেরী করে আদায় করলেন। এতটা দেরী করলেন যে সান্ধ্যকালীন দিগন্ত লালিমা তখন অন্তর্নিহিত হয়ে যাচ্ছিল। এরপর ইশার সালাতও দেরী করে আদায় করলেন। এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে রাতের প্রথম তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত হয়ে গেল এবং অতিক্রান্ত হওয়ার উপক্রম হলো। অতঃপর সকাল বেলা প্রশ্নকারীকে ডেকে বললেনঃ এ দু'টি সময়ের মধ্যবর্তী সময়টুকুই সালাতসমূহের সময় (অর্থাৎ- দু' দিনে আমি একই সময়ে সালাত আদায় না করে একই সালাতের সময়ের মধ্যে কিছু তারতম্য করে আদায় করলাম। এ উভয় সময়ের মধ্যকার সময়টুকুই প্রত্যেক ওয়াক্তের প্রকৃত সময়)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ... আবূ মূসা আল আশ'আরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে তাকে সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল পরবর্তী অংশ উপরোক্ত হাদীসের মতো। তবে এ হাদীসের বর্ণনাকারী বলেছেন যে, দ্বিতীয় দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সান্ধ্যকালীন দিগন্ত লালিমা অন্তৰ্হিত হওয়ার পূর্বে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গরমের প্রচণ্ডতা দেখা দিলে (যুহরের) সালাত দেরী করে গরমের প্রচণ্ডতা কমলে আদায় করো। গরমের তীব্রতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়া থেকেই হয়ে থাকে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৬৯, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1396 — Sahih Muslim 5:230
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ، أَخْبَرَهُ قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ، وَسَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُمَا سَمِعَا أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ سَوَاءً .
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ..... পরবর্তী অংশ উপরোক্ত হাদীসের মতো। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৭০, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1397 — Sahih Muslim 5:231
وَحَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، وَعَمْرُو بْنُ سَوَّادٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ عِيسَى، قَالَ عَمْرٌو أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، أَنَّ بُكَيْرًا، حَدَّثَهُ عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، وَسَلْمَانَ الأَغَرِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا كَانَ الْيَوْمُ الْحَارُّ فَأَبْرِدُوا بِالصَّلاَةِ فَإِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ " . قَالَ عَمْرٌو وَحَدَّثَنِي أَبُو يُونُسَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أَبْرِدُوا عَنِ الصَّلاَةِ فَإِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ " . قَالَ عَمْرٌو وَحَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِنَحْوِ ذَلِكَ
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী, 'আমর ইবনু সাওওয়াদ ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গরমের দিনে (যুহরের) সালাত (গরমের প্রচণ্ডতা হ্রাস পেয়ে ঠাণ্ডা হলে) আদায় করো। কারণ গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়ানো থেকেই হয়ে থাকে। আমর বলেছেনঃ আবূ ইউনুস আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা উত্তাপ ঠাণ্ডা হলে যুহরের সালাত আদায় কর, কেননা গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়ানো থেকেই হয়ে থাকে। ইবনু শিহাব, ইবনু মুসাইয়্যিব এবং আবূ সালামাহ ও আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর মাধ্যমে আমর (রহঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৭১, ইসলামীক সেন্টার)