ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উলাইয়্যি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আমি উকবাহ ইবনু আমির আল জুহানী (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনটি সময়ে আমাদেরকে সালাত আদায় করতে এবং আমাদের মৃতদেরকে দাফন করতে নিষেধ করেছেনঃ (১) সূর্য যখন আলোকোদ্ভাসিত হয়ে উদয় হতে থাকে তখন থেকে তা পরিষ্কারভাবে উপরে উঠা পর্যন্ত, (২) সূর্য যখন ঠিক দ্বিপ্রহরের সময় থেকে হেলে যাওয়া পর্যন্ত, (৩) সূর্য ক্ষীণ আলোক হওয়া থেকে তা সম্পূর্ণ অস্ত যাওয়া পর্যন্ত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৯৯, ইসলামীক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু জাফার আল মাকিরি (রহঃ) ..... 'ইকরামাহ (রহঃ) বলেন, শাদ্দাদ (রহঃ), আবূ উমামাহ ও ওয়াসিলাহ (রাযিঃ) এর সাক্ষাৎ লাভ করেছে এবং সিরিয়ায় আনাস (রাযিঃ)-এর সাহচর্য লাভ করেছে এবং তার উচ্ছসিত প্রশংসা ও গুণগান করেছে। আবূ উসামাহ (রাযিঃ) বলেন, 'আমর ইবনু আবাসাহ আস সুলামী (রাযিঃ) বলেছেন, আমি জাহিলী যুগে ধারণা করতাম যে, সব লোকই পথভ্রষ্ট ও তাদের কোন ধর্ম নেই। তারা দেব-দেবীর পূজা করত। এ অবস্থায় আমি শুনতে পেলাম যে, মাক্কায় জনৈক ব্যক্তি বিভিন্ন বিষয় বর্ণনা করেছেন। আমি আমার বাহনে উপবিষ্ট হয়ে তার নিকট এসে পৌছে দেখলাম যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজেকে জনসমাগম থেকে সরিয়ে রাখেন, তার সম্প্রদায় তাকে অত্যাচার-নির্যাতন করে। আমি কৌশলে মাক্কায় তার নিকট প্রবেশ করলাম। আমি তাকে বললাম, আপনি কে? তিনি বলেনঃ আমি একজন নবী। আমি বললাম, নবী কি? তিনি বললেনঃ আল্লাহ আমাকে পাঠিয়েছেন। আমি বললাম, তিনি আপনাকে কোন জিনিস দিয়ে পাঠিয়েছেন? তিনি বলেনঃ তিনি আমাকে আত্মীয়তার সম্পর্ক অটুট রাখতে, মূর্তিসমূহ চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে, আল্লাহ এক বলে- ঘোষণা করতে এবং তার সাথে কোন কিছু শারীক না করতে পাঠিয়েছেন। আমি তাকে বললাম, এ ব্যাপারে আপনার সাথে কারা আছে? তিনি বলেনঃ স্বাধীন ও দাসেরা। বর্ণনাকারী বলেন, সেকালে তার সাথে ছিলেন তার ওপর ঈমান আনয়নকারী আবূ বাকর (রাযিঃ), বিলাল (রাযিঃ) প্রমুখ। আমি বললাম, আমিও আপনার অনুসারী হতে চাই। তিনি বলেনঃ বর্তমান পরিস্থিতিতে তুমি তাতে সক্ষম হবে না। তুমি কি আমার অবস্থা এবং (ঈমান আনয়নকারী) অন্যদের অবস্থা দেখছ না? বরং তুমি তোমার পরিবারে ফিরে যাও, যখন তুমি শুনতে পাবে যে, আমি বিজয়ী হয়েছি তখন আমার নিকট এসো। বর্ণনাকারী বলেন, তাই আমি আমার পরিবারে ফিরে এলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনায় আগমন করলেন, আমি তখন আমার পরিবারের সাথে ছিলাম। তিনি মাদীনায় আসার পর থেকে আমি খবরাখবর নিতে থাকলাম এবং লোকজনের নিকট জিজ্ঞেস করতে থাকলাম। শেষে আমার নিকট ইয়াসরিব-এর একদল লোক অর্থাৎ একদল মাদীনাহবাসী এলে আমি জিজ্ঞেস করলাম, যে ব্যক্তি মাদীনায় এসেছেন তিনি কি করনে? তারা বলেন, লোকজন অতি দ্রুত তার অনুসারী হচ্ছে, অথচ তার জাতি তাকে হত্যা করতে বদ্ধপরিকর, কিন্তু তারা তাতে সক্ষম হয়নি। অতএব, আমি মদীনায় এসে তার নিকট প্রবেশ করলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, তুমি তো মাক্কায় আমার সাথে সাক্ষাৎ করেছিলে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললামঃ হ্যাঁ। আমি আরো বললাম, হে আল্লাহর নবী। আল্লাহ আপনাকে যা শিখিয়েছেন এবং যে সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ অজ্ঞ তা আমাকে শিক্ষা দিন, আমাকে সালাত সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বলেনঃ তুমি ফজরের সালাত আদায় কর, অতঃপর সূর্য উদিত হয়ে উপরে না ওঠা পর্যন্ত সালাত থেকে বিরত থাক। কারণ সূর্য উদিত হওয়ার সময় শাইতানের দু’ শিং-এর মাঝখান দিয়ে উদিত হয় এবং তখন কাফিররা সূর্যকে সিজদা করে। অতঃপর তীরের ছায়া তার সমান না হওয়া পর্যন্ত তুমি সালাত আদায় কর, কারণ এ সালাতে মালায়িকাহ উপস্থিত হন। অতঃপর সালাত থেকে বিরত থাক, কারণ তখন জাহান্নামকে উত্তপ্ত করা হয়। অতঃপর সূর্য যখন ঢলে যায় তখন থেকে সালাত আদায় কর এবং 'আসরের সালাত আদায় করা পর্যন্ত মালাকগণ (ফেরেশতামণ্ডলী) উপস্থিত থাকেন। অতঃপর সূর্য অস্তমিত হওয়া পর্যন্ত সালাত থেকে বিরত থাক। কারণ তা শাইতানের দু' শিং-এর মাঝখান দিয়ে অস্ত যায় এবং তখন কাফিররা সূর্যকে সিজদা করে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! ওযু সম্পর্কে আমাকে বলুন। তিনি বলেনঃ তোমাদের যে কোন ব্যক্তির নিকট ওযুর পানি পেশ করা হলে সে যেন কুলি করে, নাকে পানি দিয়ে তা পরিষ্কার করে, এতে তার মুখমণ্ডলের ও নাক গহ্বরের সমস্ত পাপ ঝরে যায়। অতঃপর যখন সে আল্লাহর নির্দেশ মতো মুখমণ্ডল ধৌত করে, তখন পানির সাথে তার মুখমণ্ডল থেকে, এমনকি দাঁড়ির আশপাশের সমস্ত পাপ ঝরে যায়। অতঃপর তার দু' হাত কনুই পর্যন্ত ধোয়ার সাথে সাথে তার আঙ্গুলসমূহ থেকে পানির সাথে গুনাহসমূহ ঝরে যায়। অতঃপর সে যখন তার পদদ্বয় ধৌত করে তখন তার আঙ্গুলসমূহ দিয়ে তার পাপসমূহ ঝরে যায়। অতঃপর সে যদি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করে, তার যথাযোগ্য মর্যাদা বর্ণনা করে এবং আল্লাহর জন্য নিজের অন্তরকে পৃথক করে নেয় তাহলে সে তার জন্মদিনের মতো গুনাহমুক্ত হয়ে যায়। আমর ইবনু আবাসাহ (রাযিঃ) এ হাদীসে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহচর আবূ উমামাহ্ (রাযিঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি তাকে বলেন, হে আমর ইবনু আবাসাহ। লক্ষ্য করুন আপনি বলছেন, এক স্থানেই লোকটিকে এত সাওয়াব দেয়া হবে! আমর (রাযিঃ) বলেন, হে আবূ উমামাহ! আমি বার্ধক্যে পৌছে গেছি, আমার হাড়গোড় দুর্বল হয়ে গেছে এবং আমার মৃত্যু সন্নিকটে। এ অবস্থায় আল্লাহ ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি মিথ্যারোপে আমার কী ফায়দাহ। আমি যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এ হাদীস একবার, দু'বার, তিনবার, এমনকি সাতবার গুনতাম তাহলে কখনো তা বর্ণনা করতাম না, কিন্তু এর অধিক সংখ্যক বার তার নিকট শুনেছি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮০০, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1931 — Sahih Muslim 6:359
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ وَهِمَ عُمَرُ إِنَّمَا نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُتَحَرَّى طُلُوعُ الشَّمْسِ وَغُرُوبُهَا .
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমার (রাযিঃ) ধারণা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্যোদয় ও সূর্যস্তকালে সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন।
হাদিস 1932 — Sahih Muslim 6:360
وَحَدَّثَنَا حَسَنٌ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ لَمْ يَدَعْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ . قَالَ فَقَالَتْ عَائِشَةُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَتَحَرَّوْا طُلُوعَ الشَّمْسِ وَلاَ غُرُوبَهَا فَتُصَلُّوا عِنْدَ ذَلِكَ " .
হাসন আল হুলওয়ানী (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের সালাতের পর দু' রাকাআত (নাফল) সালাত (আদায় করা) ত্যাগ করেননি। বর্ণনাকারী বলেন, 'আয়িশাহ (রাযিঃ) আরো বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অপেক্ষায় থেক না যে, তখন সালাত আদায় করবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮০২, ইসলামীক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া আত তুজীবী (রহঃ) ..... কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস, 'আবদুর রহমান ইবনু আযহার ও মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাযিঃ) প্রমুখ তাকে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাযিঃ) এর নিকট পাঠালেন। তারা বললেন, তুমি তাকে [আয়িশাহ (রাযিঃ) কে আমাদের পক্ষ থেকে সালাম জানাবে এবং আসরের সালাতের পর দু' রাকাআত (নাফল) সালাত আদায় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে এবং বলবে যে, আমাদের অবহিত করা হয়েছে যে, আপনি সে দু' রাকাআত আদায় করেন, অথচ আমরা জানতে পেরেছি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা আদায় করতে নিষেধ করেছেন। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, আমিও উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ)-এর সাথে লোকজনকে এ সালাত থেকে বিরত রাখতাম। আবূ কুরায়ব (রাযিঃ) বলেন, তারা আমাকে যে বিষয়সহ পাঠিয়েছিলেন, আমি তার ঘরে প্রবেশ করে তা তাকে পৌছে দিলাম। তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস কর। আমি বের হয়ে তাদের নিকট এসে আয়িশাহ (রাযিঃ) এর কথা তাদেরকে অবহিত করলাম। অতঃপর তারা আমাকে যে বিষয়সহ আয়িশাহ (রাযিঃ) এর নিকট পাঠিয়েছিলেন, সেই একই বিষয়সহ উম্মু সালামাহ (রাযিঃ)-এর নিকট পাঠালেন। উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সে সালাত আদায় করতে নিষেধ করতে শুনেছি, তা সত্ত্বেও পরে আমি তাকে তা আদায় করতে দেখেছি। তিনি যখন এ সালাত আদায় করেছেন তার বিবরণ এই যে, তিনি আসরের সালাত আদায় করলেন, অতঃপর আমার নিকট প্রবেশ করলেন, তখন আনসার সম্প্রদায়ভুক্ত বানু হারাম-এর কতক মহিলা আমার নিকট উপস্থিত ছিল। তিনি দু' রাকাআত সালাত আদায় করলেন। আমি এক দাসীকে তার নিকট পাঠিয়ে বললাম, তুমি গিয়ে তার এক পাশে দাঁড়াবে, তারপর তাকে বলবে, উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) বলেছেন, হে আল্লাহর রসূল! এ দু' রাকাআত সালাত আদায় করতে আপনি নিষেধ করেছেন তা আমি শুনেছি, আর এখন দেখছি, আপনি তা আদায় করছেন। তিনি তার হাত দিয়ে ইশারা করলে সে তার জন্য অপেক্ষা করবে। বর্ণনাকারী বলেন, দাসী তাই করল। তিনি তার হাত দিয়ে ইশারা করলে সে তার জন্য অপেক্ষায় থাকে। তিনি সালাত থেকে অবসর হয়ে বলেনঃ হে আবূ উমাইয়্যাহ-এর কন্যা! তুমি আসরের সালাতের পর দু' রাকাআত সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছ। তার বিবরণ এই যে, আবদুল কায়স গোত্রের কতক লোক স্বগোত্রের পক্ষ থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের উদ্দেশে আমার নিকট আসে। (তাদের নিয়ে) ব্যস্ত থাকার কারণে আমি যুহরের সালাতের পরবর্তী দু' রাকাআত সালাত আদায় করতে পারিনি। এ হ'ল সে দু' রাকাআত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮০৩, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতায়বাহ ও আলী ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... আবূ সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে দু' রাকাআত সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসর সালাতের পর আদায় করেছিলেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসর সালাতের আগে ঐ দু' রাকাআত সালাত আদায় করতেন। অতঃপর ব্যস্ততার কারণে অথবা ভুলে গিয়ে তিনি তা আদায় করেননি। সে দু' রাকাআতই তিনি 'আসর সালাতের পর আদায় করেছেন, অতঃপর তা নিয়মিত পড়তে থাকেন। তিনি কোন সালাত আদায় করলে তা নিয়মিত আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮০৪, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1935 — Sahih Muslim 6:363
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي جَمِيعًا، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مَا تَرَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ عِنْدِي قَطُّ .
যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট (অবস্থানকালে) আসর সালাতের পরের দু' রাকাআত কখনো ত্যাগ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮০৫, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আলী ইবনু হুজর (রহঃ) [শব্দাবলী তার] ... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে অবস্থানকালে দুটি সালাত প্রকাশ্যে বা গোপনে কখনো ত্যাগ করেননি; ফজরের সালাতের পূর্বে দু' রাকাআত এবং আসর সালাতের পর দু' রাকাআত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮০৬, ইসলামীক সেন্টার)
ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আসওয়াদ ও মাসরূক (রহঃ) বলেন, আমরা আয়িশাহ (রাযিঃ) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পালার দিন আমার ঘরে অবস্থানকালে 'আসর সালাতের পর দু' রাকাআত সালাত আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮০৭, ইসলামীক সেন্টার)