حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا سَلاَّمُ بْنُ أَبِي مُطِيعٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ، - رَضِيعِ عَائِشَةَ - عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَا مِنْ مَيِّتٍ يُصَلِّي عَلَيْهِ أُمَّةٌ مِنَ الْمُسْلِمِينَ يَبْلُغُونَ مِائَةً كُلُّهُمْ يَشْفَعُونَ لَهُ إِلاَّ شُفِّعُوا فِيهِ " . قَالَ فَحَدَّثْتُ بِهِ شُعَيْبَ بْنَ الْحَبْحَابِ فَقَالَ حَدَّثَنِي بِهِ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
হাসান ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মৃত ব্যক্তির ওপর যখন একদল মুসলিম যাদের একশ হবে জানাযার সালাত আদায় করে এবং সবাই তার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করে, তবে তার জন্য এ সুপারিশ কবুল করা হবে। তিনি (সাল্লাম ইবনু আবূ মুত্বী") বলেন, আমি এ হাদীসটি শু'আয়ব ইবনু হাবহাব এর কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন, আমাকে এ হাদীস আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
হারূন ইবনু মা’রূফ, হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী ও ওয়ালীদ ইবনু শুজা আস্ সাকূনী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। কুদায়দ' অথবা উসকান নামক স্থানে তার একটি পুত্র সন্তান মারা গেল। তিনি আমাকে বললেন, হে কুরায়ব! দেখ কিছু লোক একত্রিত হয়েছে কিনা? আমি বের হয়ে দেখলাম কিছু একত্রিত হয়েছে। আমি তাকে খবর দিলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, বল তাদের সংখ্যা কি চল্লিশ হবে? বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে লাশ বের করে নাও। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ কোন মুসলিম মারা গেলে, তার জানাযায় যদি এমন চল্লিশজন দাঁড়িয়ে যায় যারা আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শারীক করে না তবে মহান আল্লাহ তার অনুকূলে তাদের প্রার্থনা কবুল করেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, যুহায়র ইবনু হারব ও আলী ইবনু হুজুর (রহঃ) [শব্দগুলো ইয়াহইয়া-এর] ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একটি জানাযাহ বয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। লোকেরা প্রশংসা করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ওয়াজিব হয়েছে, ওয়াজিব হয়েছে, ওয়াজিব হয়েছে। (আরেকবার) একটা জানাযাহ বয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কিন্তু লোকেরা তার দুর্নাম করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্পর্কে ওয়াজিব হয়েছে, ওয়াজিব হয়েছে, ওয়াজিব হয়েছে (তিনবার) বললেন। তখন উমর (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার ওপর আমার মা-বাপ উৎসর্গ হোক! একটা জানাযাহ অতিক্রম করলে তার প্রতি ভাল মন্তব্য করা হলে আপনি ওয়াজিব হয়েছে, ওয়াজিব হয়েছে, ওয়াজিব হয়েছে- বললেন! আর একটা জানাযাহ অতিক্রমকালে তার প্রতি খারাপ মন্তব্য করা হলে আপনি ওয়াজিব হয়েছে, ওয়াজিব হয়েছে, ওয়াজিব হয়েছে- বললেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেনঃ তোমরা যার সম্পর্কে ভাল মন্তব্য করেছ তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেছে। আর তোমরা যার সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করেছ তার জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গেছে। তোমরা জমিনের বুকে আল্লাহর সাক্ষী, তোমরা জমিনের বুকে আল্লাহর সাক্ষী, তোমর জমিনের বুকে আল্লাহর সাক্ষী। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
আবূর রাবী' আয যাহরানী, ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছ দিয়ে একটা জানাযাহ অতিক্রম করল। হাদীসের অবশিষ্ট অংশ আনাস এর সূত্রে 'আবদুল আযীয এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করা হয়েছে। তবে 'আবদুল আযীয এর হাদীসটি পূর্ণাঙ্গ। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৬৯, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ কতাদাহ ইবনু রিবাঈ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। একবার রসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছ দিয়ে একটা জানাযাহ বয়ে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি বলেন, "মুসতারীহুন" ও “ওয়া মুসতারাহুন মিনহু” (অর্থাৎ- সে শান্তিলাভকারী এবং তার প্রস্থানে শান্তি লাভ হয়)। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! "মুসতারীহুন” ও “ওয়া মুসতারাহুন মিনহু” এর মানে কি? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ঈমানদার বান্দা হলে এ ব্যক্তি দুনিয়ার কষ্ট মুসীবাত থেকে নিস্কৃতি লাভ করবে। আর পাপীষ্ট বান্দা হলে এ ব্যক্তি থেকে আল্লাহর বান্দারা, অত্র অঞ্চল, বৃক্ষরাজি ও পশু-পাখি সবাই পরিত্রাণ লাভ করবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭০, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ এর বর্ণিত হাদীসে আছে, সে ব্যক্তি দুনিয়ার ক্লেশ থেকে মুক্তি পেয়ে আল্লাহর রহমত লাভ করবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭১, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জনসাধারণকে নাজাশীর ইনতিকালের সংবাদ শুনালেন, যেদিন তিনি ইনতিকাল করেন। অতঃপর তিনি তাদেরকে নিয়ে সালাতের স্থানে গিয়ে চার তাকবীরে সালাতুল জানাযাহ আদায় করেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭২, ইসলামীক সেন্টার)
আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনুল লায়স (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবিসিনিয়ার অধিপতি নাজাশীর যে দিন মৃত্যু হয় সে দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে তার মৃত্যুর খবর দিলেন। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের ভাইয়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব (রহঃ) আমাকে বলেছেন যে, আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) তার কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিয়ে সালাতের স্থান কাতার করলেন। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাত আদায় করলেন এবং এতে (অতিরিক্ত) চার তাকবীর বললেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭৩, ইসলামীক সেন্টার, নেই)
আমর আন নাকিদ, হাসান আল হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... উভয় সূত্রেই ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে উকায়ল (রহঃ) এর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2207 — Sahih Muslim 11:85
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ سَلِيمِ بْنِ حَيَّانٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مِينَاءَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহ) ...... জবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজাশীর জন্য গায়েবানা জানাযাহ আদায় করেছেন এবং চার তাকবীরে সালাতুল জানাযাহ আদায় করেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭৫, ইসলামীক সেন্টার)