حَدَّثَنَا أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - أَنَّاللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أُرِيتُ لَيْلَةَ الْقَدْرِ ثُمَّ أَيْقَظَنِي بَعْضُ أَهْلِي فَنُسِّيتُهَا فَالْتَمِسُوهَا فِي الْعَشْرِ الْغَوَابِرِ " . وَقَالَ حَرْمَلَةُ " فَنَسِيتُهَا " .
আবূ তহির ও হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাকে স্বপ্লে কদরের রাত দেখানো হয়েছিল। অতঃপর আমার পরিবারের কেউ আমাকে ঘুম থেকে জাগানোর ফলে আমাকে তা ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। সুতরাং তোমরা তা শেষ দশকে অন্বেষণ কর। রাবী হারমালাহ (রহঃ) বলেছেন, “আমি তা ভুলে গেছি"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৩৫, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (রমাযানের) মাঝের দশকে ইতিকাফ করেন। অতঃপর ২০তম দিন অতিবাহিত হবার পর এবং ২১তম দিনের সূচনাতে তিনি নিজ বাসস্থানে ফিরে আসেন এবং তার সঙ্গে যারা ইতিকাফ করেন, তারাও নিজ নিজ আবাসে প্রত্যাবর্তন করেন। অতঃপর একবার রমাযান মাসের মাঝের দশকে তিনি ইতিকাফ করলেন- যে রাতে তার ইতিকাফ হতে ফিরে আসার কথা, সে রাতে (পুনরায়) ইতিকাফ আরম্ভ করলেন ও লোকদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি বললেন, আমি সাধারণত এ (মধ্যম) দশকে ইতিকাফ করতাম। এরপর শেষ দশকেও ইতিকাফ করা আমার কাছে সমীচীন মনে হল। অতএব যে ব্যক্তি আমার সাথে ইতিকাফ করতে চায়, যেন নিজ ইতিকাফের স্থানে অবস্থান করে। আমি এ (কদরের) রাত স্বপ্নে দেখেছিলাম, কিন্তু আমাকে তা ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। অতএব তোমরা শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে তা অনুসন্ধান কর। আমি স্বপ্লে নিজেকে পানি ও কাদার মধ্যে সিজদা করতে দেখেছি। আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) বলেন, ২১ তম রাতে আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়। তিনি যখন ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) থেকে ফিরলেন, তখন আমি তার মুখমণ্ডল কাদা ও পানিতে সিক্ত দেখলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৩৬, ইসলামীক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাসের মাঝের দশকে ইতিকাফ করতেন। অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় আছে, "সে যেন তার ইতিকাফের স্থানে অবস্থান করে।” তিনি আরো বলেন, “তার কপাল মুবারক কাদা ও পানিতে সিক্ত ছিল।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৩৭, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাসের প্রথম দশকে ইতিকাফ করলেন। এরপর তিনি মাঝের দশকেও একটি তুর্কি তাবুর মধ্যে ইতিকাফ করলেন এবং তাবুর দরজায় একটি চটাই ঝুলানো ছিল। রাবী বলেন, তিনি নিজ হাতে চাটাই ধরে তা তাবুর কোণে রাখলেন, এরপর নিজের মাথা বাইরে এনে লোকদের সাথে কথা বললেন এবং তারাও তার নিকট এগিয়ে এলো। তিনি বললেন, এ রাতের অনুসন্ধানকল্পে আমি (রমাযানের) প্রথম দশকে ইতিকাফ করলাম। অতঃপর মাঝের দশকে ইতিকাফ করলাম। এরপর আমার নিকট একজন আগন্তুক (লোক) এসে আমাকে বলল, লায়লাতুল কদর শেষ দশকে নিহিত আছে। অতএব তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ইতিকাফ করতে চায়, সে যেন ইতিকাফ করে। লোকেরা তার সঙ্গে (শেষ দশকে) ইতিকাফ করল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বললেন, স্বপ্নে আমাকে তা কোন এক বেজোড় রাতে দেখানো হয়েছে এবং আমি যেন সে রাতে কাদা ও পানির মধ্যে ফজরের সিজদা করছি। (রাবী বলেন), তিনি ২১তম রাতের ভোরে উপনীত হয়ে ফজরের সালাতে দাঁড়ালেন এবং আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষিত হল। ফলে ছাদ থেকে মসজিদে পানি বর্ষিত হল এবং আমি স্বচক্ষে কাদা ও পানি দেখতে পেলাম। তিনি ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) শেষে যখন বের হয়ে এলেন, তখন তার কপাল ও নাকের ডগা সিক্ত ও কর্দমাক্ত ছিল। আর তা ছিল রমাযানের শেষ দশকের ২১তম রাত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৩৮, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2772 — Sahih Muslim 13:278
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ تَذَاكَرْنَا لَيْلَةَ الْقَدْرِ فَأَتَيْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ - رضى الله عنه - وَكَانَ لِي صَدِيقًا فَقُلْتُ أَلاَ تَخْرُجُ بِنَا إِلَى النَّخْلِ فَخَرَجَ وَعَلَيْهِ خَمِيصَةٌ فَقُلْتُ لَهُ سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَذْكُرُ لَيْلَةَ الْقَدْرِ فَقَالَ نَعَمْ اعْتَكَفْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْعَشْرَ الْوُسْطَى مِنْ رَمَضَانَ فَخَرَجْنَا صَبِيحَةَ عِشْرِينَ فَخَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " إِنِّي أُرِيتُ لَيْلَةَ الْقَدْرِ وَإِنِّي نَسِيتُهَا - أَوْ أُنْسِيتُهَا - فَالْتَمِسُوهَا فِي الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ مِنْ كُلِّ وِتْرٍ وَإِنِّي أُرِيتُ أَنِّي أَسْجُدُ فِي مَاءٍ وَطِينٍ فَمَنْ كَانَ اعْتَكَفَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلْيَرْجِعْ " . قَالَ فَرَجَعْنَا وَمَا نَرَى فِي السَّمَاءِ قَزَعَةً قَالَ وَجَاءَتْ سَحَابَةٌ فَمُطِرْنَا حَتَّى سَالَ سَقْفُ الْمَسْجِدِ وَكَانَ مِنْ جَرِيدِ النَّخْلِ وَأُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَرَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسْجُدُ فِي الْمَاءِ وَالطِّينِ قَالَ حَتَّى رَأَيْتُ أَثَرَ الطِّينِ فِي جَبْهَتِهِ .
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ সালামাহ্ (রহঃ) বলেন, আমরা পরস্পর কদরের রাত সম্পর্কে আলোচনা করছিলাম। এরপর আমি আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) এর নিকট এলাম এবং তিনি ছিলেন আমার বন্ধু। আমি তাকে বললাম, আপনি কি আমাদের সাথে খেজুর বাগানে যাবেন না? তিনি একটি চাঁদর পরিহিত অবস্থায় বের হলেন। আমি তাকে বললাম, আপনি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে লায়লাতুল কদর সম্পর্কে কিছু বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমরা রমযান মাসের মাঝের দশকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ইতিকাফ করলাম। আমরা ২১তম দিন ভোরে (ইতিকাফ থেকে) বের হলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশে প্রদত্ত ভাষণে বললেন, আমাকে স্বপ্নযোগে কদরের রাত দেখানো হয়েছিল, কিন্তু আমি তা তুলে গেছি অথবা আমাকে ভুলানো হয়েছে। তোমরা শেষ দশ দিনের প্রতিটি বেজোড় রাতে তা অন্বেষণ কর। আমি আরও দেখেছি যে, আমি কাদা ও পানির মধ্যে সিজদা করছি। অতএব যে ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ইতিকাফ করেছে, সে যেন পুনরায় তার ইতিকাফে ফিরে যায়। আবূ সাঈদ (রাযিঃ) বলেন, আমরা (ইতিকাফের অবস্থায়) ফিরে গেলাম। আমরা আকাশে কোন মেঘ দেখতে পাইনি। ইতিমধ্যে একখণ্ড মেঘ এলো এবং আমাদের উপর বৃষ্টি হল, এমন কি মসজিদের ছাদ হতে পানি প্রবাহিত হল। মসজিদের ছাদ খেজুর ডাটার ছাউনিযুক্ত ছিল। ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করা হল এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কাদা ও পানির মধ্যে সিজদা দিতে দেখলাম, এমন কি আমি তার কপালে কাদার চিহ্ন দেখতে পেলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
আবদ ইবনু হুমায়দ, আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান আদ দারিমী (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর (রহঃ) থেকে এ সানাদ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে উভয়ের (মা'মার ও আল আওযাঈ) বর্ণনায় আছেঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) শেষ করে ফিরলেন তখন আমি তার কপালে ও নাকের ডগায় কাদার চিহ্ন দেখতে পেলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৪০, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও আবূ বাকর ইবনু খাল্লাদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কদরের রাত অন্বেষণের উদ্দেশে তা তার কাছে সুস্পষ্ট হবার পূর্বে রমযানের মধ্যেই দশদিন ইতিকাফ করলেন। দশদিন অতিবাহিত হবার পর তিনি তাবু তুলে ফেলার নির্দেশ দিলেন। অতএব তা গুটিয়ে ফেলা হল। অতঃপর তিনি জানতে পারলেন যে, তা শেষ দশ দিনের মধ্যে আছে। তাই তিনি পুনরায় তাবু খাটানোর নির্দেশ দিলেন। তা খাটানো হল। এরপর তিনি লোকদের নিকট উপস্থিত হয়ে বললেন, হে লোক সকল! আমাকে কদরের রাত সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল এবং আমি তোমাদের তা জানানোর জন্য বের হয়ে এলাম। কিন্তু দু' ব্যক্তি পরস্পর ঝগড়া করতে করতে উপস্থিত হল এবং তাদের সাথে ছিল শাইতান। তাই আমি তা ভুলে গেছি। অতএব তোমরা তা রমযান মাসের শেষ দশ দিনে অন্বেষণ কর তোমরা তা ৯ম, ৭ম ও ৫ম রাতে অন্বেষণ কর। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আবূ সাঈদ! আপনি সংখ্য সম্পর্কে আমাদের তুলনায় অধিক জ্ঞানী। তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমরাই এ বিষয়ে তোমাদের চেয়ে অধিক হকদার। আমি বললাম ৯ম, ৭ম, ৫ম সংখ্যাগুলো কী? তিনি বললেন, যখন ২১তম রাত অতিবাহিত হয়ে যায় এবং ২২তম রাত শুরু হয়- তখন তা হচ্ছে ৯ম তারিখ, ২৩ রাত অতিক্রান্ত হবার পরবর্তী রাত হচ্ছে ৭ম তারিখ এবং ২৫তম রাত অতিবাহিত হবার পরের দিনটি হচ্ছে ৫ম তারিখ। ইবনু খাল্লাদের বর্ণনায় يَحْتَقَّانِ এর শব্দের স্থলে يَخْتَصِمَانِ শব্দের উল্লেখ আছে (অর্থ একই, অর্থাৎ তারা ঝগড়া করে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৪১, ইসলামীক সেন্টার)
সাঈদ ইবনু আমর ইবনু সাহল ইবনু ইসহাক ইবনু মুহাম্মাদ ইবনুল আশ’আস ইবনু কায়স আল কিন্দী ও আলী ইবনু খাশরম (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উনায়স (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমাকে কদরের রাত দেখানো হয়েছিল। অতঃপর তা ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। আমাকে ঐ রাতের ভোর সম্পর্কে স্বপ্নে আরও দেখানো হয়েছে যে, আমি পানি ও কাদার মধ্যে সিজদা করছি। রাবী বলেন, অতএব ২৩ তম রাতে বৃষ্টি হল এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাথে (ফজরের) সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করে যখন ফিরলেন, তখন আমরা তার কপাল ও নাকের ডগায় কাদা ও পানির চিহ্ন দেখতে পেলাম। রাবী আবদুল্লাহ ইবনু উনায়স (রাযিঃ) বলতেন, তা ছিল ২৩ তম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৪২, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2776 — Sahih Muslim 13:282
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، وَوَكِيعٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ابْنُ نُمَيْرٍ " الْتَمِسُوا - وَقَالَ وَكِيعٌ - تَحَرَّوْا لَيْلَةَ الْقَدْرِ فِي الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ " .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রমযান মাসের শেষ দশ দিনে তোমরা কদরের রাত (ইবনু নুমায়রের বর্ণনায়) অন্বেষণ কর এবং (ওয়াকী' এর বর্ণনায়) সন্ধানে সচেষ্ট হও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৪৩, ইসলামীক সেন্টার ২৬৪২)।
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও ইবনু উমার (রাযিঃ) ..... যির ইবনু হুবায়শ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উবাই ইবনু কাব (রাযিঃ) কে বললাম, আপনার ভাই আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, যে ব্যক্তি গোটা বছর রাত জাগরণ করে- সে কদরের রাতের সন্ধান পাবে। তিনি (উবাই) বললেন, আল্লাহ তাকে রহম করুন, এর দ্বারা তিনি এ কথা বুঝাতে চাচ্ছেন যে, লোকেরা যেন কেবল একটি রাতের উপর ভরসা করে বসে না থাকে। অথচ তিনি অবশ্যই জানেন যে, তা রমযান মাসে শেষের দশ দিনের মধ্যে এবং ২৭তম রজনী। অতঃপর তিনি দৃঢ় শপথ করে বললেন, তা ২৭তম রজনী। আমি (যির) বললাম, হে আবূল মুনযির! আপনি কিসের ভিত্তিতে তা বলছেন? তিনি বললেন, বিভিন্ন আলামাত ও নিদর্শনের ভিত্তিতে- যে সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে অবহিত করেছেন। যেমন, সেদিন সূর্য উদয় হবে কিন্তু তাতে আলোকরশ্মি থাকবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৪৪, ইসলামীক সেন্টার)