حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ كِلاَهُمَا عَنْ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ زِيَادٍ، - قَالَ قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، - عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ، يَقُولُ سَمِعْتُ الأَسْوَدَ بْنَ يَزِيدَ، يَقُولُ قَالَتْ عَائِشَةُ رضى الله عنها كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَجْتَهِدُ فِي الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ مَا لاَ يَجْتَهِدُ فِي غَيْرِهِ .
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যান্য সময়ের তুলনায় রমযানের শেষ দশকে অধিক পরিমাণে এমনভাবে সচেষ্ট থাকতেন যা অন্য সময়ে থাকতেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৫৫, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2789 — Sahih Muslim 14:10
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ وَإِسْحَاقُ قَالَ إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا وَقَالَ، الآخَرَانِ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ مَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَائِمًا فِي الْعَشْرِ قَطُّ .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আবূ কুরায়ব ও ইসহাক (রহিমাহুমুল্লাহ-) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে (যিলহজ্জের) দশম তারিখে কখনও সওম পালন করতে দেখিনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৫৬, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2790 — Sahih Muslim 14:11
وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ نَافِعٍ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَصُمِ الْعَشْرَ .
وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ نَافِعٍ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَصُمِ الْعَشْرَ .
হাদিস 2791 — Sahih Muslim 15:1
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ مِنَ الثِّيَابِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَلْبَسُوا الْقُمُصَ وَلاَ الْعَمَائِمَ وَلاَ السَّرَاوِيلاَتِ وَلاَ الْبَرَانِسَ وَلاَ الْخِفَافَ إِلاَّ أَحَدٌ لاَ يَجِدُ النَّعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسِ الْخُفَّيْنِ وَلْيَقْطَعْهُمَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ وَلاَ تَلْبَسُوا مِنَ الثِّيَابِ شَيْئًا مَسَّهُ الزَّعْفَرَانُ وَلاَ الْوَرْسُ " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জানতে চাইল যে, মুহরিম ব্যক্তি কী ধরনের পোশাক পরবে? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, মুহরম ব্যক্তি জামা, পাগড়ী, পায়জামা, টুপি ও মোজা পরিধান করতে পারবে না। তবে কোন ব্যক্তি চপ্পলের অভাবে মোজা পরিধান করলে তাকে পায়ের গোছার নীচ বরাবর মোজার উপরিভাগ কেটে ফেলতে হবে। তোমরা এমন কাপড় পরিধান কর না যা জাফরান বা ওয়ারস এর রংয়ে রঞ্জিত করা হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৫৮, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আমর আন্ নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হল যে, মুহরিম ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় কী পরিধান করবে? তিনি বললেন, মুহরিম ব্যক্তি জামা, পাগড়ী, টুপী, পায়জামা, জাফরান বা ওয়ারস দ্বারা রঞ্জিত কাপড় এবং মোজা পরিধান করবে না। কিন্তু তার চপ্পল না থাকলে সে পায়ের গোছার নিম্নাংশ বরাবর মোজার উপরিভাগ কেটে ফেলে তা পরিধান করতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৫৯, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহরিম ব্যক্তিকে জাফরান বা ওয়ারস দ্বারা রঞ্জিত কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, কারও চপ্পল না থাকলে সে মোজা পরিধান করবে এবং পায়ের গোছার নীচ বরাবর এর উপরিভাগ কেটে ফেলবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬০, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ রবী' আয যাহরানী ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তার ভাষণে বলতে শুনেছি, মুহরিম ব্যক্তির কাপড় না থাকলে সে পায়জামা পরতে পারবে এবং তার চপ্পল না থাকলে সে মোজা পরতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬১, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2795 — Sahih Muslim 15:5
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنِي أَبُو غَسَّانَ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، قَالاَ جَمِيعًا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ بِعَرَفَاتٍ . فَذَكَرَ هَذَا الْحَدِيثَ .
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও আবূ গাসসান আর রাযী (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আমর ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে এ সানাদ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আরাফাতের ময়দানে ভাষণ দিতে শুনেছেন- এরপর তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬২, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ কুরায়ব, আলী ইবনু খাশরম ও আলী ইবনু হুজুর (রাহিমাহমুল্লাহ) সকলেই আমর ইবনু দীনারের সূত্রে এ সনদে পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু শুবাহ ছাড়া তাদের কারও বর্ণনায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম "আরাফাতে ভাষণ দিয়েছেন" কথার উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬৩, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2797 — Sahih Muslim 15:7
وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، - رضى الله عنه - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ لَمْ يَجِدْ نَعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسْ خُفَّيْنِ وَمَنْ لَمْ يَجِدْ إِزَارًا فَلْيَلْبَسْ سَرَاوِيلَ " .
আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার কাপড় নেই সে পায়জামা পরিধান করতে পারে, আর যার চপ্পল নেই সে মোজা পরতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬৪, ইসলামীক সেন্টার)