وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ، سَعِيدِ بْنِ الأَبْجَرِ عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ، قَالَ قُلْتُ لاِبْنِ عَبَّاسٍ أُرَانِي قَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَ فَصِفْهُ لِي . قَالَ قُلْتُ رَأَيْتُهُ عِنْدَ الْمَرْوَةِ عَلَى نَاقَةٍ وَقَدْ كَثُرَ النَّاسُ عَلَيْهِ . قَالَ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ ذَاكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّهُمْ كَانُوا لاَ يُدَعُّونَ عَنْهُ وَلاَ يُكْهَرُونَ .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ..... আবুত্ব-তুফায়ল (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে বললাম, আমি যেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখছি। তিনি বললেন, আমার কাছে তার বিবরণ পেশ কর। তিনি বললেন, আমি তাকে মারওয়ার নিকট একটি উষ্ট্রীর পিঠে আরোহিত অবস্থায় দেখেছি। তার চারপাশে লোকের ভীড় ছিল। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, হ্যাঁ, তিনিই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। কারণ সাহাবীগণের তাড়িয়ে দেয়া হতো না এবং তাদের ধমকও দেয়া হতো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯২৪, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ রবী' আয যাহরানী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবীগণ মাক্কায় (মক্কায়) আগমন করলেন। ইয়াসরিবের জ্বর তাদেরকে দুর্বল করে দিয়েছিল। মুশরিকরা বলল, আগামীকাল তোমাদের এখানে একদল লোক আসবে- যাদেরকে জ্বরে দুর্বল করে দিয়েছে এবং তারা তাতে ভীষণভাবে আক্রান্ত হয়েছে। মুশরিকরা হাতীম-এ বসে থাকল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীগণেরকে নির্দেশ দিলেন, তারা যেন তিন চক্কর দ্রুতপদে এবং হাজারে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানীর মাঝখানে স্বাভাবিক গতিতে চলে- যাতে মুশরিকদেরকে তাদের বীরত্ব দেখানো যায়। মুশরিকরা বলল, তোমরা তো এদের সম্পর্কে ধারণা করেছিলে যে, জ্বর তাদেরকে দুর্বল করে দিয়েছে অথচ তারা এমন শক্তিশালী। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দয়াপরবশ হয়ে তাদেরকে সাত চক্কর দ্রুত পদক্ষেপে সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেননি (যাতে তারা ক্লান্ত হয়ে না যায়)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯২৫, ইসলামীক সেন্টার)
আমর আন নাকিদ, ইবনু আবূ উমার ও আহমাদ ইবনু আবদাহ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এজন্য দ্রুত পদক্ষেপে বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করেছেন- যাতে তিনি মুশরিকগণকে স্বীয় শক্তি প্রদর্শন করতে পারেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯২৬, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও কুতায়বাহ্ (রহঃ) .... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দুই ইয়ামানী রুকন ব্যতীত বায়তুল্লাহর অন্য কিছু স্পর্শ করতে দেখিনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯২৭, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ ত্বাহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ..... সালিম (রহঃ) তার পিতার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকনে আসওয়াদ (হাজারে আসওয়াদ সংযুক্ত কোণ) এবং তৎসংলগ্ন দিকের কোণ যা জুমাহী গোত্রের বসতির দিকে অবস্থিত, ব্যতীত বায়তুল্লাহর আর কোন রুকন স্পর্শ করতেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯২৮, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3063 — Sahih Muslim 15:269
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، ذَكَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ لاَ يَسْتَلِمُ إِلاَّ الْحَجَرَ وَالرُّكْنَ الْيَمَانِيَ
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ....... 'আবদুল্লাহ (ইবনু উমর) (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজারে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী ব্যতীত আর কিছু স্পর্শ করতেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯২৯, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, যুহায়র ইবনু হারব ও উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এ দুই রুকন অর্থাৎ ইয়ামানী ও হাজারে আসওয়াদ কোণ স্পর্শ করা পরিত্যাগ করিনি- যখন থেকে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তা স্পর্শ করতে দেখেছি। তা কষ্টকর বা সুবিধাজনক যে কোন অবস্থায় হোক না কেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৩০, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু উমর (রাযিঃ) কে হাজারে আসওয়াদ স্বহস্তে স্পর্শ করে তাতে চুমু খেতে দেখেছি এবং তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যে দিন তা করতে দেখেছি- তখন থেকে আমি তা কখনো পরিত্যাগ করিনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৩১, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3066 — Sahih Muslim 15:272
وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ قَتَادَةَ بْنَ، دِعَامَةَ حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا الطُّفَيْلِ الْبَكْرِيَّ حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ لَمْ أَرَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسْتَلِمُ غَيْرَ الرُّكْنَيْنِ الْيَمَانِيَيْنِ .
আবূ তাহির (রহঃ) ..... আবূ তুফায়ল আল বাকরী (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দুই রুকনে ইয়ামানী ব্যতীত কখনও অন্য কিছু স্পর্শ করতে দেখিনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৩২, ইসলামীক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া ও হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... সালিম (রহঃ) থেকে। তার পিতা তাকে বর্ণনা করতে যেয়ে বলেছেন যে, উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) হাজারে আসওয়াদে চুম্বন করে বললেন, আল্লাহর শপথ আমি নিশ্চিত জানি যে, তুমি একটি পাথর মাত্র। আমি যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তোমায় চুম্বন করতে না দেখতাম তবে আমি তোমাকে চুম্বন করতাম না। অনুরূপ একটি হাদীস যায়দ ইবনু আসলাম থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৩৩, ইসলামীক সেন্টার)