حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ نَوْفَلٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ شَكَوْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنِّي أَشْتَكِي فَقَالَ " طُوفِي مِنْ وَرَاءِ النَّاسِ وَأَنْتِ رَاكِبَةٌ " . قَالَتْ فَطُفْتُ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَئِذٍ يُصَلِّي إِلَى جَنْبِ الْبَيْتِ وَهُوَ يَقْرَأُ بِـ { الطُّورِ * وَكِتَابٍ مَسْطُورٍ} .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আমার অসুস্থতার কথা জানলাম। তিনি বললেন, তুমি সওয়ার অবস্থায় লোকদের পেছন থেকে তওয়াফ কর। উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি (সেভাবে) তওয়াফ করলাম- তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বায়তুল্লাহর পাশে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করছিলেন। আর তিনি তাতে তিলাওয়াত করছিলেনঃ আত্ব তুর, ওয়া কিতাবিম্ মাস্তুর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ২৯৪৪, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে তার পিতা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ্ (রাযিঃ) কে বললাম, আমি মনে করি কোন ব্যক্তি সাফা-মারওয়াহ পাহাড়দ্বয়ের মাঝে সাঈ না করলে তার কোন ক্ষতি হবে না। তিনি জিজ্ঞেস করলেন কেন? আমি বললাম, কেননা আল্লাহ তা'আলা বলেছেনঃ 'সাফা-মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম ......... "— (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ১৫৮)। তখন আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, কোন ব্যক্তি সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ না করলে আল্লাহ তার হাজ্জ ও উমরাহ পূর্ণ করেন না। তুমি যা বলেছ যদি তাই হতো তবে আয়াতটি এভাবে হতো, “ঐ দুই পাহাড়ের মাঝে না দৌড়ালে কোন অসুবিধা নেই।" তুমি কি জান ব্যাপারটি কী ছিল? ব্যাপার তো ছিল এই যে, আনসারগণ জাহিলী যুগে দু'টি প্রতিমার নামে সমুদ্রের তীরে ইহরাম বাঁধত। একটির নাম ইনসাফ, অপরটির নাম নায়িলাহ। তারা এসে সাফা-মারওয়াহ সাঈ করত। অতঃপর মাথা কামাতো। ইসলামের আবির্ভাবের পর তারা জাহিলী যুগে যা করত, সে কারণে সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করা খারাপ মনে করল। তাই আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেনঃ “সাফা-মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম .........।" অতঃপর লোকেরা সাঈ করে।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে বললাম, আমি যদি সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ না করি তবে এতে আমার জন্য কোন দোষ মনে করি না। তিনি বললেন, কেন? আমি বললাম, কেননা মহামহিম আল্লাহ বলেনঃ “সাফা মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম .....।" তখন আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বললেন, তুমি যেরূপ বলছ, যদি তাই হতো, তবে আয়াতের বক্তব্য এরূপ হতোঃ “এ দুই পাহাড়ের মাঝে না দৌড়ালে কোন দোষ নেই।" এ আয়াত আনসারদের সম্পর্কে নাযিল করা হয়। জাহিলী যুগে তারা যখন লাব্বায়কা বলত- তা মানাৎ দেবীর নামে লাব্বায়কা ধ্বনি করত। তাই তারা মনে করত যে, সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করা তাদের জন্য ঠিক নয়। তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে (বিদায়) হজ্জে এসে তার নিকট এ বিষয়ে উল্লেখ করলে আল্লাহ উপরোক্ত আয়াত নাযিল করেন। অতএব আমার জীবনের শপথ! যে সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ না করে- আল্লাহ তার হাজ্জ (হজ্জ/হজ) পূর্ণ করবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৪৬, ইসলামীক সেন্টার)
আমর আন নাকিদ ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়িশাহ্ (রাযিঃ) কে বললাম, কোন ব্যক্তি সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ না করলে এতে আমি দোষের কিছু দেখি না এবং আমি নিজেও এতদুভয়ের মাঝে সাঈ বর্জন করায় কিছু মনে করি না। আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, হে বোনপুত্র! তুমি যা বলেছ তা মন্দ বলেছ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সাফা-মারওয়ার মাঝে) ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) (সাঈ) করেছেন এবং মুসলিমরাও ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করেছে। অতএব তা সুন্নাত। যে সব লোক (জাহিলী যুগে) 'মুশাল্লাল’ নামক স্থানে অবস্থিত নাফরমান মানাৎ দেবীর নামে ইহরাম বাঁধত, তারা সাফা ও মারওয়ার মাঝে তওয়াফ করত না। ইসলামের আবির্ভাবের পর আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তখন আল্লাহ তা’আলা নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল করেন, “সাফা-মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কেউ কাবাহ ঘরের হাজ্জ কিংবা উমরাহ্ পালন করে, এ দুটির মধ্যে প্রদক্ষিণ করলে এতে তার কোন পাপ নেই ......... "— (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ১৫৮)। তুমি যা বলেছ, ব্যাপারটি যদি তদ্রপ হতো তবে বলা হতো, “এ দু'টির মধ্যে প্রদক্ষিণ না করলে তার কোন পাপ নেই।” ইমাম যুহরী (রহঃ) বলেন, এ প্রসঙ্গটি আমি আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান ইবনু হারিস ইবনু হিশামের কাছে উল্লেখ করলাম। তিনি তাতে বিস্মিত হলেন এবং বললেন, এর নামই জ্ঞান। তিনি আরও বললেন, জ্ঞানবান সমাজের অনেক লোককে বলতে শুনেছি- সাফা-মারওয়ার মাঝে তওয়াফ বর্জনকারী আরবের অধিবাসীরা বলত, এ দুই পাথরের মাঝে ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করা জাহিলী যুগের কাজ। আর আনসার সম্প্রদায়ের লোকেরা বলত, আমাদেরকে বায়তুল্লাহ তওয়াফের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে তওয়াফের নির্দেশ দেয়া হয়নি। এ প্রেক্ষাপটে আল্লাহ তা'আলা নাযিল করলেন : “সাফা-মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম।" আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান বলেন, আমিও মনে করি যে, উল্লেখিত দুই সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে উপরোক্ত আয়াত নাযিল হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৪৭, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম ..... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় আছে- তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করতে গিয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমরা সাফা-মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) কে খারাপ মনে করি। তখন আল্লাহ তা'আলা নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল করেনঃ "সাফা-মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কেউ বায়তুল্লাহর হজ্জ কিংবা উমরাহ পালন করে- এ দুটির মাঝে তওয়াফ করলে তার কোন দোষ নেই।" আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এতদুভয়ের মাঝে ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করাকে বিধিবদ্ধ করেছেন। অতএব এতদুভয়ের মাঝে ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) বর্জন করার কারো অধিকার নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৪৮, ইসলামীক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আয়িশাহ (রাযিঃ) তাকে অবহিত করেছেন যে, আনসার সম্প্রদায় ও গাসসান গোত্রের নিয়ম ছিল, তারা ইসলাম গ্রহণের পূর্বে মানাৎ দেবীর জন্য ইহরাম বাঁধত। অতএব তারা সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করাকে পাপ মনে করত। এটা ছিল তাদের পূর্ব-পুরুষদের রীতি যে, তাদের কোন ব্যক্তি মানাৎ দেবীর জন্য ইহরাম বাঁধলে সাফা মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করত না। তারা ইসলাম গ্রহণের পর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। তখন এ প্রসঙ্গে মহামহিম আল্লাহ নাযিল করেনঃ "সাফা-মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। অতএব যে কেউ বায়তুল্লাহর হজ্জ অথবা উমরাহ পালন করে, এতদুভয়ের মাঝে তওয়াফ করলে তার কোন দোষ নেই এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে সৎকাজ করলে আল্লাহ পুরস্কারদাতা ও সর্বজ্ঞ”— (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ১৫৮)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৪৯, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসারগণ সাফা-মারওয়ার মাঝে তওয়াফকে খারাপ কাজ মনে করত। অতএব এই সঙ্গে নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল হয়ঃ "সাফা-মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। অতএব যে কোন ব্যক্তি বায়তুল্লাহর হজ্জ অথবা উমরাহ পালন করে এতদুভয়ের মাঝে ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করলে, তার কোন দোষ নেই ..... ” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৫০, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3085 — Sahih Muslim 15:291
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ لَمْ يَطُفِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَلاَ أَصْحَابُهُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ إِلاَّ طَوَافًا وَاحِدًا .
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আবূ যুবায়র (রহঃ) জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার সাহাবীগণ সাফা-মারওয়ার মাঝে একবারের অধিক সাঈ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৫১, ইসলামীক সেন্টার)
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, "একবার মাত্র সাঈ (সাত চক্কর), তা হচ্ছে প্রথমবারের সাঈ।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৫২, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3087 — Sahih Muslim #3087
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَابْنُ، حُجْرٍ قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، ح. وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، - وَاللَّفْظُ لَهُ - قَالَ أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ، أَبِي حَرْمَلَةَ عَنْ كُرَيْبٍ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ رَدِفْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ عَرَفَاتٍ فَلَمَّا بَلَغَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الشِّعْبَ الأَيْسَرَ الَّذِي دُونَ الْمُزْدَلِفَةِ أَنَاخَ فَبَالَ ثُمَّ جَاءَ فَصَبَبْتُ عَلَيْهِ الْوَضُوءَ فَتَوَضَّأَ وُضُوءًا خَفِيفًا ثُمَّ قُلْتُ الصَّلاَةَ يَا رَسُولَ اللَّهِ . فَقَالَ " الصَّلاَةُ أَمَامَكَ " . فَرَكِبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى أَتَى الْمُزْدَلِفَةَ فَصَلَّى ثُمَّ رَدِفَ الْفَضْلُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَدَاةَ جَمْعٍ. قَالَ كُرَيْبٌ فَأَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ، عَنِ الْفَضْلِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَزَلْ يُلَبِّي حَتَّى بَلَغَ الْجَمْرَةَ .
কুরায়ব বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) ফযল এর সূত্রে আমাকে অবহিত করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামরায়* পৌছার পূর্ব পর্যন্ত অনবরত তালবিয়াহ্ পাঠ করছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৫৩, ইসলামীক সেন্টার)