কুতায়বাহ্ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ মাওলা আল মাহরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি আল হাররার রাতগুলোতে আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) এর নিকট এলেন এবং মাদীনাহ থেকে (কোথাও) চলে যাওয়ার পরামর্শ করলেন। তিনি তার কাছে এখানকার দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও নিজের বৃহৎ পরিবারের অভিযোগ করলেন। তিনি তাকে আরও জানালেন যে, তিনি এখানকার ক্লেশ ও রুক্ষ আবহাওয়া বরদাশত করতে পারছেন না। আবূ সাঈদ (রাযিঃ) তাকে বললেন, তোমার জন্য দুঃখ হয়, আমি তোমাকে মদীনাহ ত্যাগের পরামর্শ দিতে পারি না। কারণ, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি এখানকার কষ্ট সহ্য করে মৃত্যুবরণ করবে, কিয়ামতের দিন অবশ্যই আমি তার জন্য শাফা’আত করব অথবা সাক্ষী হব, যদি সে মুসলিম হয়ে থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২০৫, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ মাদীনার দু' প্রান্তের প্রস্তরময় ভূমির মধ্যবর্তী স্থানকে আমি হারাম ঘোষণা করছি, যেমন, ইবরাহীম (আঃ) মাক্কা (মক্কা) কে হারাম ঘোষণা করেছেন। (অধঃস্তন রাবী) ‘আবদুর রহমান বলেন, অতঃপর আবূ সাঈদ (রাযিঃ) যদি আমাদের কারও হাতে পাখি দেখতে পেতেন তবে তিনি তার হাত থেকে পাখিকে মুক্ত করে ছেড়ে দিতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২০৬, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3341 — Sahih Muslim 15:545
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ يُسَيْرِ، بْنِ عَمْرٍو عَنْ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، قَالَ أَهْوَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ إِلَى الْمَدِينَةِ فَقَالَ " إِنَّهَا حَرَمٌ آمِنٌ " .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত দিয়ে মাদীনার দিকে ইঙ্গিত করে বললেনঃ ঐ স্থান হারাম ও নিরাপদ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২০৭, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মদীনায় এলাম এবং তা ছিল অস্বাস্থ্যকর স্থান। আবূ বাকর ও বিলাল (রাযিঃ) অসুস্থ হয়ে পড়লেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীগণের অসুস্থতা লক্ষ্য করে দু'আ করলেনঃ “হে আল্লাহ! মাদীনাকে আমাদের জন্য প্রিয় স্থান করুন যেমন মাক্কা (মক্কা) কে প্রিয় স্থান করেছেন অথবা আরও অধিক, তাকে স্বাস্থ্যকর স্থানে পরিণত করুন, আমাদের জন্য এখানকার সা' ও মুদ-এ বারাকাত দান করুন এবং জ্বর জুহফায় সরিয়ে দিন।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২০৮, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি এখানকার দুঃখ কষ্ট সহ্য করে আমি কিয়ামতের দিন অবশ্যই তার জন্য শাফা’আত করব অথবা তার পক্ষে সাক্ষী হব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২১০, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... যুবায়রের আযাদকৃত গোলাম ইউহান্নিস (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি ফিৎনার সময় 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) এর নিকট বসা ছিলেন। তার নিকট তার এক আযাদকৃত বাদী সালাম দিয়ে বলল, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! আমি (মাদীনাহ থেকে) বের হয়ে যাওয়ার ইচ্ছা করছি। আমাদের উপর দিয়ে কঠিন সময় অতিবাহিত হচ্ছে। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) তাকে বললেন, বোকা মেয়ে, থেকে যাও। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ “যে ব্যক্তি মাদীনার দুঃখ কষ্ট ও বিপদাপদে ধৈর্যধারণ করবে আমি কিয়ামতের দিন তার পক্ষে সাক্ষী হব অথবা তার শাফা'আতকারী হব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২১১, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি এখানকার দুঃখকষ্ট ও বিপদাপদে ধৈর্যধারণ করে আমি কিয়ামতের দিন তার পক্ষে সাক্ষী হব অথবা তার শাফা'আতকারী হব। এখানকার বলতে মাদীনাকে বুঝানো হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২১২, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতায়বাহ ও ইবনু হুজর (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমার উম্মাতের যে ব্যক্তি মাদীনার দুঃখকষ্ট ও বিপদাপদে ধৈর্যধারণ করবে, তার জন্যই আমি কিয়ামতের দিন শাফা'আতকারী হব অথবা তার পক্ষে সাক্ষী হব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২১৩, ইসলামীক সেন্টার)