আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রিফা'আহ্ আল কুরাযী তার স্ত্রীকে তলাক (তালাক) দেয়। এরপর সে আবদুর রহমান ইবনু যুবায়রকে বিয়ে করে। অতঃপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! রিফা'আহ তাকে পুরোপুরি তিন তলাক (তালাক) দিয়ে দেয়। এরপর ইউনুস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৩, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা আল হামদানী (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এক মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয় যাকে একজন বিবাহ করে, অতঃপর সে তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়। এরপর সে মহিলা আরেকজনকে বিয়ে করে। কিন্তু সে তার সাথে সঙ্গমের আগেই তলাক (তালাক) দেয়। এমতাবস্থায় উক্ত মহিলা প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে কি? তিনি বললেনঃ না, যে পর্যন্ত না সে ঐ স্ত্রীর স্বাদ গ্রহণ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৪, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তলাক (তালাক) দেয়। অতঃপর অন্য একজন তাকে বিয়ে করে। এরপর সে তাকে সঙ্গমের আগেই ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়ে দেয়। পরে প্রথম স্বামী তাকে বিয়ে করতে চায়- এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি বললেনঃ না, তা হবে না যে পর্যন্ত না তারা একে অন্যের স্বাদ গ্রহণ করবে, যেভাবে প্রথম স্বামী তার স্বাদ গ্রহণ করেছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৬, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহিমাহুমাল্লাহ) ... ইয়াহইয়া অর্থাৎ ইবনু সাঈদ সহ সকলেই উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। উবায়দুল্লাহ সূত্রে ইয়াহইয়া হাদীসে বলেন যে, কাসিম আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৭, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ তার স্ত্রীর সঙ্গে মিলতে চায় সে যেন বলে (অর্থ-) "বিসমিল্লাহ হে আল্লাহ আমাদের শায়ত্বান (শয়তান) থেকে রক্ষা করুন আর আমাদের যা তুমি দান করবে তাকেও শয়তান থেকে দূরে রাখুন"। কেননা এ মিলনে তাদের ভাগ্যে যদি কোন সন্তান হয় তবে শায়ত্বান (শয়তান) কখনো তার ক্ষতি করতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৮, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার, ইবনু নুমায়র ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... সকলেই সাওরী (রহঃ) থেকে, তারা (শুবাহ ও আবদুর রাযযাক) উভয়ে মানসূর থেকে জারীরের হাদীসের মর্মানুযায়ী রিওয়ায়াত করেন। তবে শুবাহু তার হাদীসে “বিসমিল্লাহ" এর উল্লেখ করেননি এবং সাওরী সূত্রে আবদুর রাযযাক এর রিওয়ায়াতে “বিসমিল্লাহ" রয়েছে। আর ইবনু নুমায়র এর রিওয়ায়াতে রয়েছে যে, মানসুর বলেছেন, আমি মনে করি তিনি বলেছেন, “বিসমিল্লাহ"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৯, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আমর আন্ নাকিদ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ইয়াহুদীরা বলত, কোন লোক স্ত্রীর পেছন দিক থেকে তার যোনী দ্বারে সঙ্গম করলে এতে সন্তান টেরা চক্ষু বিশিষ্ট হবে। এ প্রসঙ্গে নাযিল হয় অর্থাৎ "স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র। অতএব, তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পার"- (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ২২৩)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০০, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, ইয়াহুদীরা বলত যে, স্ত্রীর পিছন দিক থেকে যোনী দ্বারে যদি সঙ্গম করা হয় এবং এতে সে যদি গর্ভবতী হয় তাহলে তার সন্তান হবে টেরা চক্ষু বিশিষ্ট। রাবী বলেন, এ প্রসঙ্গে নাযিল হল- "স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র, অতএব তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পার"- (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ২২৩)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০১, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, আবদুল ওয়ারিস ইবনু আবদুস সামাদ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ, আবূ মান আর রাকাশী ও সুলায়মান ইবনু মা'বাদ (রহিমাহুমাল্লাহ) ... জাবির (রাযিঃ) থেকে যুহরী সূত্রে বর্ণিত। নু'মান অতিরিক্ত বলেছেন, স্বামী ইচ্ছে করলে উপুড় করে, ইচ্ছা করলে উপুড় না করে তবে একই দ্বারে হতে হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০২, ইসলামীক সেন্টার)