কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমরা তার পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি বসে বসে সালাত আদায় করছিলেন। আবূ বাকর (রাযিঃ) লোকদেরকে তার তাকবীর জোরে শুনিয়ে দিচ্ছিলেন। তিনি আমাদের দিকে খেয়াল করে আমাদেরকে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখতে পেলেন। তিনি আমাদের ইশারা করলেন। সেজন্য আমরা বসে গেলাম। আমরা তার সাথে বসে সালাত আদায় করলাম। সালাম ফিরানোর পর তিনি বললেনঃ তোমরা পারস্য ও রোমের (সাম্রাজ্যের) লোকেদের মতোই করতে যাচ্ছিলে। তাদের বাদশারা বসে থাকে আর তারা দাঁড়িয়ে থাকে। তোমরা কখনো এমন করো না। সবসময় তোমাদের ইমামদের অনুসরণ করবে। সে যদি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে। সে যদি বসে সালাত আদায় করে তোমরাও বসে সালাত আদায় করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 929 — Sahih Muslim 4:91
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الرُّؤَاسِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبُو بَكْرٍ خَلْفَهُ فَإِذَا كَبَّرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَبَّرَ أَبُو بَكْرٍ لِيُسْمِعَنَا . ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَ حَدِيثِ اللَّيْثِ .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের সালাত আদায় করালেন। আবূ বকর (রাযিঃ) তার পিছনেই ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাকবীর বললেন, আবূ বাকর আমাদেরকে শুনিয়ে জোরে তাকবীর বললেন। ..... হাদীসের অবশিষ্টাংশ উপরের হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ ইমাম এজন্য নিযুক্ত করা হয় যে, তার অনুসরণ করা হবে, তোমরা কখনো তার উল্টো করো না। সে যখন আল্লাহু আকবার বলে, তোমরাও "আল্লাহু আকবার বলো। সে যখন রুকু করে, তোমরাও তখন রুকূ’ করো। সে যখন "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলে তোমরাও তখন আল্লাহুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদ’ বলো। সে যখন সাজদায় যায়, তোমরাও তখন সাজদায় যাও। সে যখন বসে সালাত আদায় করে, তোমরাও সবাই মিলে বসে সালাত আদায় করো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 931 — Sahih Muslim 4:93
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছ থেকে উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে (সালাতের) শিক্ষা দিয়ে বলতেনঃ ইমামের আগে কোন কাজ করে না। সে যখন ‘আল্লাহু আকবার বলে, তোমরা আল্লাহু আকবার বলো। সে যখন, “ওয়ালায যোয়া-ল্লীন বলে, তোমরাও তখন আ-মীন বলো। সে যখন রুকু’তে যায়, তোমরাও তখন রুকু’তে যাও। সে যখন "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলে তোমরা তখন 'আল্লাহুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদ’ বলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
কুতাইবাহ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছ থেকে (উপরের হাদীসের) অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ বর্ণনায় ইমামের ‘ওয়ালায যোয়া-ল্লীন' বলার পর "আ-মীন' বলার কথা উল্লেখ নেই। তবে এতে আরো আছে, তোমরা ইমামের আগে হাত উঠাবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম ঢাল স্বরূপ। সে যখন বসে বসে সালাত আদায় করে তোমরাও বসে বসে সালাত আদায় করো। সে যখন "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলে তোমরা তখন 'আল্লাহুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদ’ বলো। জমিনবাসীর কথা আকাশমণ্ডলীর (ফেরেশতার) কথার সঙ্গে একত্রে উচ্চারিত হলে আল্লাহ তার (বান্দার) পিছনের গুনাহ মাফ করে দিবেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ তাহির (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম এজন্য নিয়োগ করা হয় যে, তার অনুসরণ করা হবে। সে যখন তাকবীর বলে- তোমরাও তাকবীর বলো। সে যখন সিজদা করে, তোমরাও সিজদা করো। সে যখন "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলে- তোমরা তখন “আল্লাহুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদ" বলো। সে যখন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করো। সে যখন বসে সালাত আদায় করে তোমরাও সবাই মিলে বসে সালাত আদায় করো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 936 — Sahih Muslim 4:98
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ أَبِي عَائِشَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ دَخَلْتُ عَلَى عَائِشَةَ فَقُلْتُ لَهَا أَلاَ تُحَدِّثِينِي عَنْ مَرَضِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ بَلَى ثَقُلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " أَصَلَّى النَّاسُ " . قُلْنَا لاَ وَهُمْ يَنْتَظِرُونَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ " ضَعُوا لِي مَاءً فِي الْمِخْضَبِ " . فَفَعَلْنَا فَاغْتَسَلَ ثُمَّ ذَهَبَ لِيَنُوءَ فَأُغْمِيَ عَلَيْهِ ثُمَّ أَفَاقَ فَقَالَ " أَصَلَّى النَّاسُ " . قُلْنَا لاَ وَهُمْ يَنْتَظِرُونَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ . فَقَالَ " ضَعُوا لِي مَاءً فِي الْمِخْضَبِ " . فَفَعَلْنَا فَاغْتَسَلَ ثُمَّ ذَهَبَ لِيَنُوءَ فَأُغْمِيَ عَلَيْهِ ثُمَّ أَفَاقَ فَقَالَ " أَصَلَّى النَّاسُ " . قُلْنَا لاَ وَهُمْ يَنْتَظِرُونَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ . فَقَالَ " ضَعُوا لِي مَاءً فِي الْمِخْضَبِ " . فَفَعَلْنَا فَاغْتَسَلَ ثُمَّ ذَهَبَ لِيَنُوءَ فَأُغْمِيَ عَلَيْهِ ثُمَّ أَفَاقَ فَقَالَ " أَصَلَّى النَّاسُ " . فَقُلْنَا لاَ وَهُمْ يَنْتَظِرُونَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَتْ وَالنَّاسُ عُكُوفٌ فِي الْمَسْجِدِ يَنْتَظِرُونَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِصَلاَةِ الْعِشَاءِ الآخِرَةِ - قَالَتْ - فَأَرْسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى أَبِي بَكْرٍ أَنْ يُصَلِّيَ بِالنَّاسِ فَأَتَاهُ الرَّسُولُ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُكَ أَنْ تُصَلِّيَ بِالنَّاسِ . فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ وَكَانَ رَجُلاً رَقِيقًا يَا عُمَرُ صَلِّ بِالنَّاسِ . قَالَ فَقَالَ عُمَرُ أَنْتَ أَحَقُّ بِذَلِكَ . قَالَتْ فَصَلَّى بِهِمْ أَبُو بَكْرٍ تِلْكَ الأَيَّامَ ثُمَّ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَجَدَ مِنْ نَفْسِهِ خِفَّةً فَخَرَجَ بَيْنَ رَجُلَيْنِ أَحَدُهُمَا الْعَبَّاسُ لِصَلاَةِ الظُّهْرِ وَأَبُو بَكْرٍ يُصَلِّي بِالنَّاسِ فَلَمَّا رَآهُ أَبُو بَكْرٍ ذَهَبَ لِيَتَأَخَّرَ فَأَوْمَأَ إِلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ لاَ يَتَأَخَّرَ وَقَالَ لَهُمَا " أَجْلِسَانِي إِلَى جَنْبِهِ " . فَأَجْلَسَاهُ إِلَى جَنْبِ أَبِي بَكْرٍ وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ يُصَلِّي وَهُوَ قَائِمٌ بِصَلاَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالنَّاسُ يُصَلُّونَ بِصَلاَةِ أَبِي بَكْرٍ وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَاعِدٌ . قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ فَدَخَلْتُ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ فَقُلْتُ لَهُ أَلاَ أَعْرِضُ عَلَيْكَ مَا حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ عَنْ مَرَضِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ هَاتِ . فَعَرَضْتُ حَدِيثَهَا عَلَيْهِ فَمَا أَنْكَرَ مِنْهُ شِيْئًا غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ أَسَمَّتْ لَكَ الرَّجُلَ الَّذِي كَانَ مَعَ الْعَبَّاسِ قُلْتُ لاَ . قَالَ هُوَ عَلِيٌّ .
আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে তাকে বললাম, আপনি আমার কাছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর (মৃত্যুকালীন) রোগের অবস্থা বর্ণনা করবেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অসুস্থতা বেড়ে গেল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, লোকেরা সালাত আদায় করেছে কি? আমরা বললাম, না, আল্লাহর রাসুল! তারা আপনার অপেক্ষা করছে। তিনি বললেন, আমার জন্য পাত্রে পানি রাখো। আমরা তাই করলাম। তিনি ওযু করলেন, অতঃপর উঠতে গিয়ে বেহুশ হয়ে পড়লেন। জ্ঞান ফিরে আসলে তিনি বললেন, লোকেরা কি সালাত আদায় করেছে? আমরা বললাম, না তারা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আমার জন্য পাত্রে পানি রাখো। আমরা তাই করলাম। তিনি ওযু করলেন। অতঃপর তিনি উঠতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লেন। জ্ঞান ফিরে আসলে তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ লোকেরা কি সালাত আদায় করেছে? আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তারা আপনার অপেক্ষা করছে। তিনি বললেনঃ আমার জন্য পাত্রে করে পানি রাখো। আমরা তাই করলাম। তিনি ওযু করে উঠতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পরলেন। অতঃপর জ্ঞান ফিরে আসলে তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ লোকেরা কি সালাত আদায় করেছে? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তারা আপনার অপেক্ষায় আছে। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, লোকেরা ইশার সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অপেক্ষায় বসেছিল। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবূ বকরের কাছে লোক পাঠালেন। সংবাদ বাহক (আবূ বকরের কাছে) এসে বলল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনাকে লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। আবূ বাকর (রাযিঃ) ছিলেন খুবই কোমল হৃদয়ের লোক। তিনি বললেন, হে উমার! লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করো। উমর (রাযিঃ) বললেন, এজন্য আপনিই অধিক উপযুক্ত। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, এ কয়দিন আবূ বকর (রাযিঃ) সালাত আদায় করালেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিছুটা সুস্থ হলেন। তিনি দু'জন লোকের কাঁধে ভর দিয়ে যুহরের সালাত আদায় করতে বের হলেন। তাদের একজন ছিলেন আব্বাস (রাযিঃ)। ইতিমধ্যে আবূ বকর (রাযিঃ) লোকদের নিয়ে সালাত শুরু করে দিয়েছিলেন, আবূ বাকর (রাযিঃ) তাঁকে আসতে দেখে পিছে সরে আসতে উদ্যত হলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে ইশারায় বললেনঃ পিছনে হটে এসো না। তিনি তাদের উভয়কে বললেন, আমাকে তার পাশে বসিয়ে দাও। তারা তাকে আবূ বকর (রাযিঃ)-এর পাশে বসিয়ে দিলেন। আবূ বাকর (রাযিঃ) দাঁড়িয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অনুকরণে সালাত আদায় করলেন এবং লোকেরা আবূ বাকর (রাযিঃ) এর অনুকরণে সালাত আদায় করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বসেই সালাত আদায় করলেন। উবাইদুল্লাহ বলেন, অতঃপর আমি 'আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ)-এর কাছে গিয়ে তাকে বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অসুখ সম্পর্কে আয়িশাহ (রাযিঃ) যা বলেছেন, আমি কি তা আপনার সামনে পেশ করব না? তিনি বললেন, হ্যাঁ, বলো। আমি তার কাছে আয়িশাহ (রাযিঃ) এর দেয়া বিবরণ তুলে ধরলাম। তিনি সামান্যতমও দ্বিমত করলেন না। শুধু বললেন, "আব্বাস (রাযিঃ) এর সাথে যে অপর ব্যক্তি ছিল, তিনি কি তোমাকে তার নাম বলেছেন? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তিনি হচ্ছেন আলী। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' ও 'আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বপ্রথম মাইমূনাহ (রাযিঃ)-এর ঘরে রোগাক্রান্ত হন। তিনি সেবা-শুশ্ৰুষার জন্য তার [আয়িশাহ (রাযিঃ)-এর] ঘরে যাওয়ার ব্যাপারে নিজের স্ত্রীদের অনুমতি চাইলেন। তারা তাকে অনুমতি দিলেন। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, তিনি এক হাত ফাযল ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর কাঁধের উপর রেখে এবং অপর হাত অন্য এক ব্যক্তির কাঁধের উপর রেখে সামনে পা হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে (সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে) গেলেন। উবাইদুল্লাহ বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ)-এর কাছে এ কথা বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, তুমি কি জানো, আয়িশাহ (রাযিঃ) যার নাম বলেননি তিনি কে? তিনি হলেন ‘আলী (রাযিঃ)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮২০, ইসলামিক সেন্টারঃ)