আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লেন এবং তা দিন দিন বাড়তে লাগল। তিনি বললেনঃ আবূ বকর (রাযিঃ)-কে লোকেদের সালাতে ইমামাত করতে বলো। আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আবূ বকর (রাযিঃ) নরম হৃদয়ের মানুষ। আপনার জায়গায় দাঁড়িয়ে লোকদের সালাত পড়ানোর শক্তি তার নেই। তিনি বললেন, আবূ বাকরকে নির্দেশ দাও, সে যেন লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করে নেয়। তোমরা তো ইউসুফের ঘটনা সংক্রান্ত মহিলাদের মতই। রাবী বলেন, অতঃপর আবূ বকর (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জীবিত থাকাবস্থায় তাদের সালাতে ইমামাত করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৩০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 949 — Sahih Muslim 4:111
حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَهَبَ إِلَى بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ لِيُصْلِحَ بَيْنَهُمْ فَحَانَتِ الصَّلاَةُ فَجَاءَ الْمُؤَذِّنُ إِلَى أَبِي بَكْرٍ فَقَالَ أَتُصَلِّي بِالنَّاسِ فَأُقِيمُ قَالَ نَعَمْ . قَالَ فَصَلَّى أَبُو بَكْرٍ فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالنَّاسُ فِي الصَّلاَةِ فَتَخَلَّصَ حَتَّى وَقَفَ فِي الصَّفِّ فَصَفَّقَ النَّاسُ - وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ لاَ يَلْتَفِتُ فِي الصَّلاَةِ - فَلَمَّا أَكْثَرَ النَّاسُ التَّصْفِيقَ الْتَفَتَ فَرَأَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَشَارَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنِ امْكُثْ مَكَانَكَ فَرَفَعَ أَبُو بَكْرٍ يَدَيْهِ فَحَمِدَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ عَلَى مَا أَمَرَهُ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ ذَلِكَ ثُمَّ اسْتَأْخَرَ أَبُو بَكْرٍ حَتَّى اسْتَوَى فِي الصَّفِّ وَتَقَدَّمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى ثُمَّ انْصَرَفَ فَقَالَ " يَا أَبَا بَكْرٍ مَا مَنَعَكَ أَنْ تَثْبُتَ إِذْ أَمَرْتُكَ " . قَالَ أَبُو بَكْرٍ مَا كَانَ لاِبْنِ أَبِي قُحَافَةَ أَنْ يُصَلِّيَ بَيْنَ يَدَىْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا لِي رَأَيْتُكُمْ أَكْثَرْتُمُ التَّصْفِيقَ مَنْ نَابَهُ شَىْءٌ فِي صَلاَتِهِ فَلْيُسَبِّحْ فَإِنَّهُ إِذَا سَبَّحَ الْتُفِتَ إِلَيْهِ وَإِنَّمَا التَّصْفِيحُ لِلنِّسَاءِ " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... সাহল ইবনু সা'দ আস্ সাইদী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বানী 'আমর ইবনু আওফ গোত্রের মধ্যে (তাদের অভ্যন্তরীণ ঝগড়া) মীমাংসা করে দেয়ার জন্য চলে গেলেন। সালাতের সময় হয়ে আসলো। মুয়াযযিন এসে আবূ বকর (রাযিঃ)-কে বলল, আপনি কি লোকেদের সালাত আদায় করিয়ে দিবেন? তাহলে আমি ইকামাত দেই। তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাবী বলেন, আবূ বাকর (রাযিঃ) সালাত আরম্ভ করলেন। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসে গেলেন। তখন লোকেরা সালাত আদায় করছিল। তিনি পিছন দিক থেকে কাতারে শামিল হয়ে গেলেন। লোকেরা হাততালি দিয়ে সংকেত দিল। কিন্তু আবূ বাকর (রাযিঃ) সালাতরত অবস্থায় এদিকে ভ্রুক্ষেপ করলেন না। অতঃপর লোকেরা যখন বেশী তালি বাজাতে লাগল, তিনি এদিকে ফিরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে দেখতে পেলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে ইশারা করে বললেনঃ নিজের জায়গায় স্থির থাকো। আবূ বকর (রাযিঃ) তার দু'হাত উপরে তুলে মহান আল্লাহর প্রশংসা করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এ নির্দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন। অতঃপর আবূ বকর (রাযিঃ) পিছনে সরে এসে লাইনে শামিল হয়ে গেলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সামনে অগ্রসর হয়ে সালাত আদায় করালেন। সালাত সমাপ্ত করে তিনি বললেন, হে আবূ বাকর! আমার নির্দেশের পরও নিজ স্থানে স্থির থাকতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? আবূ বাকর (রাযিঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপস্থিতিতে আবূ কুহাফার পুত্রের জন্য সালাতে ইমামাত করা কক্ষনো মানায় না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ আমি তোমাদের বেশি তালি বাজাতে দেখলাম কেন? তোমাদের কারো সালাতে কোন কিছু ঘটলে সে সুবহানাল্লাহ' বলবে। সে যখন সুবহানাল্লাহ বলল তখনই ইমামের কিছু আকর্ষণ করা হলো মহিলারাই কেবল তাসফীহ (হাততালি) দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৩১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... সাহল ইবনু সা'দ (রাযিঃ) হতে মালিক-এর সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রের শেষের বর্ণনাটুকু হচ্ছেঃ 'আবূ বকর (রাযিঃ) উভয় হাত উত্তোলন করে আল্লাহর প্রশংসা করলেন, অতঃপর উল্টো হয়ে পিছে চলে আসলেন এবং লাইনে শামিল হলেন' (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৩২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 951 — Sahih Muslim 4:113
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَزِيعٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، قَالَ ذَهَبَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصْلِحُ بَيْنَ بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ . بِمِثْلِ حَدِيثِهِمْ وَزَادَ فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَخَرَقَ الصُّفُوفَ حَتَّى قَامَ عِنْدَ الصَّفِّ الْمُقَدَّمِ . وَفِيهِ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ رَجَعَ الْقَهْقَرَى .
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু বাযী (রহঃ) ..... সাহল ইবনু সা'দ আস সাইদী (রাযিঃ) হতে উপরোক্ত হাদীসের ন্যায় বর্ণনা করেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বানী 'আমর ইবনু আওফ গোত্রের অভ্যন্তরীণ বিবাদ মীমাংসা করতে গেলেন। ..... পরবর্তী বর্ণনা উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় আরো আছেঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পিছনের লাইন ভেঙ্গে সামনের লাইনে আসলেন। আর আবূ বাকর (রাযিঃ) উল্টো পিঠে পিছনে চলে আসলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৩৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 952 — Sahih Muslim 4:114
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، وَحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، جَمِيعًا عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، قَالَ ابْنُ رَافِعٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ حَدِيثِ، عَبَّادِ بْنِ زِيَادٍ أَنَّ عُرْوَةَ بْنَ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، أَخْبَرَهُ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، غَزَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَبُوكَ - قَالَ الْمُغِيرَةُ - فَتَبَرَّزَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قِبَلَ الْغَائِطِ فَحَمَلْتُ مَعَهُ إِدَاوَةً قَبْلَ صَلاَةِ الْفَجْرِ فَلَمَّا رَجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَىَّ أَخَذْتُ أُهَرِيقُ عَلَى يَدَيْهِ مِنَ الإِدَاوَةِ وَغَسَلَ يَدَيْهِ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ ثُمَّ ذَهَبَ يُخْرِجُ جُبَّتَهُ عَنْ ذِرَاعَيْهِ فَضَاقَ كُمَّا جُبَّتِهِ فَأَدْخَلَ يَدَيْهِ فِي الْجُبَّةِ حَتَّى أَخْرَجَ ذِرَاعَيْهِ مِنْ أَسْفَلِ الْجُبَّةِ . وَغَسَلَ ذِرَاعَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ ثُمَّ تَوَضَّأَ عَلَى خُفَّيْهِ ثُمَّ أَقْبَلَ - قَالَ الْمُغِيرَةُ - فَأَقْبَلْتُ مَعَهُ حَتَّى نَجِدُ النَّاسَ قَدْ قَدَّمُوا عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ فَصَلَّى لَهُمْ فَأَدْرَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِحْدَى الرَّكْعَتَيْنِ فَصَلَّى مَعَ النَّاسِ الرَّكْعَةَ الآخِرَةَ فَلَمَّا سَلَّمَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُتِمُّ صَلاَتَهُ فَأَفْزَعَ ذَلِكَ الْمُسْلِمِينَ فَأَكْثَرُوا التَّسْبِيحَ فَلَمَّا قَضَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم صَلاَتَهُ أَقْبَلَ عَلَيْهِمْ ثُمَّ قَالَ " أَحْسَنْتُمْ " . أَوْ قَالَ " قَدْ أَصَبْتُمْ " . يَغْبِطُهُمْ أَنْ صَلَّوُا الصَّلاَةَ لِوَقْتِهَا .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী (রহঃ) ..... মুগীরাহ ইবনু শু'বাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে তাবুকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুগীরাহ (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের সালাতের আগে পায়খানায় গেলেন এবং আমি তার সাথে পানির পাত্র নিয়ে গেলাম, তিনি যখন পায়খানা থেকে ফিরে আমার কাছে আসলেন, আমি তার উভয় হাতে পাত্র থেকে পানি ঢালতে লাগলাম। তিনি তার উভয় হাত তিনবার ধুলেন। অতঃপর তিনি মুখমণ্ডল ধুলেন। অতঃপর জুব্বার হাতা উপরের দিকে উঠিয়ে তার মধ্য থেকে হাত বের করতে চাইলেন। কিন্তু জুব্বার হাতা অপ্রশস্ত থাকায় তা সম্ভব হলো না। তিনি নিজের উভয় হাত জুব্বার ভিতরে টেনে নিয়ে তা জুব্বার নীচের দিক দিয়ে বাইরে বের করলেন। অতঃপর উভয় হাত কনুই পর্যন্ত ধুলেন। অতঃপর মোজার উপর মাসাহ করলেন। অতঃপর তিনি রওনা হলেন। মুগীরাহ (রাযিঃ) বলেন, আমিও তার সাথে সাথে অগ্রসর হলাম। আমরা পৌছে দেখলাম, লোকেরা আবদুর রহমান ইবনু আওফকে সামনে দিয়ে (তাকে ইমাম বানিয়ে) সালাত আদায় করছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক রাকাআত পেলেন। তা তিনি তাদের সাথে জামাআতে আদায় করলেন। আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) সালাম ফিরানোর পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার অবশিষ্ট সালাত পূর্ণ করার জন্য দাঁড়িয়ে গেলেন। এতে মুসলিমরা ভয় পেয়ে গেলেন। তারা অত্যধিক পরিমাণে তাসবীহ পাঠ করতে লাগলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাম শেষ করে তাদের দিকে মুখ করে বললেনঃ তোমরা সঠিক কাজ করেছ। তিনি খুশীর সাথে বললেনঃ তোমরা নির্ধারিত সময়ে সালাত আদায় করো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৩৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও আল হুলওয়ানী (রহঃ) ..... হামযাহ ইবনু মুগীরাহ (রাযিঃ) হতে আব্বাদ (রাযিঃ)-এর হাদীদের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। মুগীরাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি আবদু রহমান ইবনু ‘আওফকে পিছনে সরিয়ে আনার ইচ্ছা করলাম। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তাকে নিজ অবস্থায় ছেড়ে দাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৩৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ‘আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন। পুরুষদের জন্য তাসবীহ এবং মহিলাদের জন্য তাসফীক (হাততালি)। হারমালাহ্ তার বর্ণনায় আরো বলেছেন, ইবনু শিহাব বলেছেন, আমি কিছু সংখ্যক বিশেষজ্ঞ আলিমকে দেখেছি তারা তাসবীহ বলতেন এবং ইশারা করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৩৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৩৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 956 — Sahih Muslim 4:118
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . بِمِثْلِهِ وَزَادَ " فِي الصَّلاَةِ " .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে এ সূত্রেও পূর্বের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রেفِي الصَّلاَةِ “সালাতের মধ্যে" কথাটুকু উল্লেখ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৩৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ কুরায়ব ও মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা আল হামদানী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত শেষ করে পিছনে ফিরে বললেনঃ হে অমুক ব্যক্তি! তুমি কি সুষ্ঠুভাবে তোমার সালাত আদায় করবে না? সালাত আদায়কারী কিভাবে তার সালাত আদায় করে তা কি সে দেখে না? কেননা, সে নিজের উপকারের জন্যই সালাত আদায় করে। আল্লাহর শপথ আমি সামনের দিকে যেভাবে দেখতে পাই পিছনেও সে মতই দেখতে পাই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৩৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)