আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জান্নাতের তাবুগুলো মণি-মুক্তার তৈরি হবে। এর দৈর্ঘ্য হবে উর্ধাকাশের দিকে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক কোণে মুমিনদের সহধর্মিণীগণ থাকবে। তবে পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৯৭, ইসলামিক সেন্টার)
আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাইহান, জাইহান (দু'টি নদ) এবং ফুরাত ও নীল (দু’টি নদ) এসবের প্রত্যেকটিই জান্নাতের নহরসমূহেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৯৮, ইসলামিক সেন্টার)
হাজ্জাজ ইবনু আশ শাইর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন কিছু লোক জান্নাতে যাবে, যাদের অন্তর পাখীর অন্তরের মতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৯৯, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কিছু হাদীস বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে একটি হলো এ-ই যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা আদম (আঃ) কে তার নিজ আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। তার দৈর্ঘ্য হলো ষাট হাত। সৃষ্টির পর তিনি তাকে বললেন, যাও এদেরকে সালাম করো। সেখানে একদল ফেরেশতারা বসা ছিলেন। সালামের জবাবে তারা কি বলে তা খুব মনোযোগ সহকারে শুনো। কেননা তোমার এবং তোমার বংশধরদের অভিবাদন হবে এ-ই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি এগিয়ে গেলেন ও বললেন, "আসসালামু আলাইকুম"। জবাবে তারা বললেন, "আসসালামু ‘আলাইকা ওয়ারহমাতুল্লাহ"। তারা ওয়ারহমাতুল্লাহ বাড়িয়ে বলেছেন। অবশেষে তিনি বললেন, যে লোক জান্নাতে যাবে সে আদম (আঃ) এর আকৃতি বিশিষ্ট হবে। তার দৈর্ঘ্য হবে ষাট হাত। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তারপর আদম (আঃ) এর পর থেকে আজ পর্যন্ত মানুষ ক্রমশই খাটো হয়ে আসছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০০, ইসলামিক সেন্টার)
উমর ইবনু হাফস ইবনু গিয়াস (রহঃ) ..... ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জাহান্নামকে এভাবে উপস্থিত করা হবে। সেদিন তাতে সত্তর হাজার লাগাম লাগানো থাকবে। প্রতিটি লাগামের সাথে সত্তর হাজার ফেরেশতা থাকবে তারা তাকে টেনে নিয়ে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০১, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের এ অগ্নি যা আদম সন্তানগণ জ্বলিয়ে থাকে তা জাহান্নামের অগ্নির উত্তাপের সত্তর ভাগের একভাগ। সহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম! এ আগুনই তো যথেষ্ট ছিল? তিনি বললেন, সে আগুন তো এ আগুনের তুলনায় উনসত্তর গুণ অধিক তাপমাত্রা সম্পন্ন। এ উনসত্তরের প্রতিটি তাপমাত্রাই দুনিয়ার আগুনের তাপমাত্রার সমতুল্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০২ ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 7166 — Sahih Muslim 53:35
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ أَبِي الزِّنَادِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ " كُلُّهُنَّ مِثْلُ حَرِّهَا " .
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবূ যিনাদ এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে হাম্মাম (রহঃ)كُلُّهَا (প্রতিটি) এর স্থলে كُلُّهُنَّ مِثْلُ حَرِّهَا (সবগুলোই তার তাপমাত্রার সমতুল্য) বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০৩, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 7167 — Sahih Muslim 53:36
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ خَلِيفَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ كَيْسَانَ، عَنْ أَبِي، حَازِمٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ سَمِعَ وَجْبَةً فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " تَدْرُونَ مَا هَذَا " . قَالَ قُلْنَا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ . قَالَ " هَذَا حَجَرٌ رُمِيَ بِهِ فِي النَّارِ مُنْذُ سَبْعِينَ خَرِيفًا فَهُوَ يَهْوِي فِي النَّارِ الآنَ حَتَّى انْتَهَى إِلَى قَعْرِهَا " .
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি হঠাৎ একটি বিকট আওয়াজ শুনতে পেলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা কি জান, এটা কিসের আওয়াজ? বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, আল্লাহ ও তার রসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বললেন, এ একটি পাথর যা সত্তর বছর আগে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তারপর তা কেবল নিম্নে পতিত হতে হতে এখন সেটা তার তলদেশে গিয়ে পৌছেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০৪, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এ কথা বর্ধিত বর্ণিত রয়েছে যে, এ পাথরটি এখন জাহান্নামের অতল গভীরে গিয়ে পৌছেছে, তাই তোমরা বিকট আওয়াজ শুনতে পেয়েছো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০৫, ইসলামিক সেন্টার)
আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ্ (রহঃ) ..... সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, অগ্নি জাহান্নামীদের কাউকে তো তার উভয় গোড়ালি পর্যন্ত স্পর্শ করবে; আবার কাউকে তার কোমর পর্যন্ত এবং কাউকে তার গর্দান পর্যন্ত স্পর্শ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০৬, ইসলামিক সেন্টার)