যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... মুতাররিফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) আমাকে বললেন, আমি আজ তোমাকে একটি হাদীস বলব, পরবর্তী সময়ে আল্লাহ তা'আলা এর দ্বারা তোমাকে উপকৃত করবেন। জেনে রাখ, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে যিলহাজ্জ মাসের দশ তারিখের মধ্যে উমরাহ করিয়েছিলেন। এটা রহিত করে কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ইন্তিকাল পর্যন্ত তা করতে নিষেধ করেননি। পরে লোকেরা নিজ নিজ ইচ্ছানুযায়ী মত পোষণ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩৮, ইসলামীক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আল জুরায়রী (রহঃ) থেকে উক্ত সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তবে হাতিম তার রিওয়ায়াতে বলেছেন, “এক ব্যক্তি অর্থাৎ উমার (রাযিঃ) তার নিজ ইচ্ছানুযায়ী মত পোষণ করেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... মুতাররিফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) আমাকে বললেন, আমি তোমাকে একটি হাদীস শুনাব। আশা করি, আল্লাহ তোমাকে এর দ্বারা উপকৃত করবেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরাহ একত্রে আদায় করেছেন। তিনি মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত এরূপ করতে নিষেধ করেননি এবং তা হারাম বলে কুরআনের কোন আয়াতও নাযিল হয়নি। (রোগের কারণে) তপ্ত লোহার দাগ গ্রহণ করার পূর্ব পর্যন্ত আমাকে (ফেরেশতাগণ কর্তৃক) সালাম দেয়া অব্যাহত ছিল। আমি দাগ গ্রহণ করলে সালাম দেয়া বন্ধ হয়ে যায়। আবার যখন দাগ দেয়া বন্ধ করলাম, পুনরায় সালাম দেয়া শুরু হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪০, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... মুত্বাররিফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) মৃত্যুকালীন রোগে আমাকে ডেকে পাঠান। তিনি বললেন, আমি তোমাকে কয়েকটি হাদীস বলব, আশা করি আল্লাহ তা’আলা আমার পরে তোমাকে এর দ্বারা উপকৃত করবেন। আমি বেঁচে থাকলে তুমি আমার সূত্রে বর্ণনা করা গোপন রাখবে। আর আমি মারা গেলে তুমি চাইলে তা বর্ণনা করতে পার। আমাকে সালাম করা হতো। জেনে রাখ, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরাহ একত্রে আদায় করেছেন। অতঃপর এ বিষয়ে কোন আয়াতও নাযিল হয়নি এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তা নিষিদ্ধ করেননি। এক ব্যক্তি (উমার) এ বিষয়ে যা ইচ্ছা করলেন, তা বললেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪২, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2977 — Sahih Muslim 15:186
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ الْحُصَيْنِ، - رضى الله عنه - قَالَ اعْلَمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَمَعَ بَيْنَ حَجٍّ وَعُمْرَةٍ ثُمَّ لَمْ يَنْزِلْ فِيهَا كِتَابٌ وَلَمْ يَنْهَنَا عَنْهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَ فِيهَا رَجُلٌ بِرَأْيِهِ مَا شَاءَ.
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জেনে রাখ, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরাহ একত্রে (একই ইহরামে) আদায় করেছেন। এরপর এ বিষয়ে কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও অনুরূপ করতে আমাদেরকে নিষেধ করেননি। এরপর এক ব্যক্তি এ বিষয়ে নিজ ইচ্ছামত যা বলার, তা বললেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৩, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2978 — Sahih Muslim #2978
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، - رضى الله عنه - قَالَ تَمَتَّعْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَنْزِلْ فِيهِ الْقُرْآنُ . قَالَ رَجُلٌ بِرَأْيِهِ مَا شَاءَ . وَحَدَّثَنِيهِ حَجَّاجُ بْنُ الشَّاعِرِ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ وَاسِعٍ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، - رضى الله عنه - بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ تَمَتَّعَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَتَمَتَّعْنَا مَعَهُ .
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) এর সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামাত্তু হাজ্জ আদায় করেছেন এবং আমরাও তার সঙ্গে তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2979 — Sahih Muslim #2979
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، - رضى الله عنه - قَالَ تَمَتَّعْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَنْزِلْ فِيهِ الْقُرْآنُ . قَالَ رَجُلٌ بِرَأْيِهِ مَا شَاءَ . وَحَدَّثَنِيهِ حَجَّاجُ بْنُ الشَّاعِرِ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ وَاسِعٍ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، - رضى الله عنه - بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ تَمَتَّعَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَتَمَتَّعْنَا مَعَهُ .
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) এর সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামাত্তু হাজ্জ আদায় করেছেন এবং আমরাও তার সঙ্গে তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2980 — Sahih Muslim 15:188
حَدَّثَنَا حَامِدُ بْنُ عُمَرَ الْبَكْرَاوِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا بِشْرُ، بْنُ الْمُفَضَّلِ حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ أَبِي رَجَاءٍ، قَالَ قَالَ عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ نَزَلَتْ آيَةُ الْمُتْعَةِ فِي كِتَابِ اللَّهِ - يَعْنِي مُتْعَةَ الْحَجِّ - وَأَمَرَنَا بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ لَمْ تَنْزِلْ آيَةٌ تَنْسَخُ آيَةَ مُتْعَةِ الْحَجِّ وَلَمْ يَنْهَ عَنْهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى مَاتَ . قَالَ رَجُلٌ بِرَأْيِهِ بَعْدُ مَا شَاءَ .
হামিদ ইবনু উমার আল বাকরাবী ও মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর মুকদামী (রহঃ) ...... 'ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর কিতাবে মুত'আহ্ অর্থাৎ তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সম্পর্কে আয়াত নাযিল হয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের তা করার নির্দেশ দিয়েছেন। অতঃপর তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সম্পর্কিত আয়াত রহিতকারী কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও ইন্তিকালের পূর্ব পর্যন্ত তা করতে নিষেধ করেননি। পরবর্তীকালে এক ব্যক্তি নিজ ইচ্ছামত যা বলার, তাই বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৬, ইসলামীক সেন্টার)