وَحَدَّثَنَاهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ دِينَارٍ، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الْمُبَارَكِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ كَثِيرٍ، كُلُّهُمْ عَنْ شُعْبَةَ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ أَمَّا رَوْحٌ وَيَحْيَى بْنُ كَثِيرٍ فَقَالاَ كَمَا قَالَ نَصْرٌ أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْحَجِّ . وَأَمَّا أَبُو شِهَابٍ فَفِي رِوَايَتِهِ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نُهِلُّ بِالْحَجِّ . وَفِي حَدِيثِهِمْ جَمِيعًا فَصَلَّى الصُّبْحَ بِالْبَطْحَاءِ . خَلاَ الْجَهْضَمِيَّ فَإِنَّهُ لَمْ يَقُلْهُ .
ইবরাহীম ইবনু দীনার, আবূ দাউদ আল মুবারাকী ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... শু’বাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। রাওহ ও ইয়াহইয়া ইবনু কাসীর (রহঃ) এর বর্ণনায় নাসর (রহঃ) এর অনুরূপ কথা আছেঃ “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জের ইহরাম বাঁধলেন।" আবূ শিহাব (রহঃ) এর বর্ণনায় আছেঃ “আমরা হজ্জের ইহরাম বেঁধে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে রওনা হলাম।" তাদের সকলের বর্ণনায় আছেঃ "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল বাত্বহা নামক স্থানে ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন।” কিন্তু আল জাহযামী (রহঃ) এর বর্ণনায় এ কথার উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৭, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3012 — Sahih Muslim 15:220
وَحَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ السَّدُوسِيُّ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ الْبَرَّاءِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - قَالَ قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابُهُ لأَرْبَعٍ خَلَوْنَ مِنَ الْعَشْرِ وَهُمْ يُلَبُّونَ بِالْحَجِّ فَأَمَرَهُمْ أَنْ يَجْعَلُوهَا عُمْرَةً .
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবীগণ হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বেঁধে (যিলহাজ্জ মাসের প্রথম) দশ দিনের চারদিন অতিবাহিত হওয়ার পর মাক্কায় (মক্কায়) উপনীত হন। তিনি তাদেরকে নির্দেশ দিলেন, তারা যেন এ ইহরামকে উমরার ইহরামে পরিণত করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'যি তুওয়া' নামক স্থানে ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। যিলহাজ্জ মাসের চারদিন অতিক্রান্ত হবার পর (মাক্কা (মক্কা)-য়) পৌছলেন এবং তার সাহাবীগণের নির্দেশ দিলেন, তারা যেন নিজেদের ইহরামকে উমরায় পরিণত করে- কিন্তু যার সাথে কুরবানীর পশু আছে, সে ব্যতীত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার ও উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এই সে উমরাহ যা থেকে আমরা ফায়দাহ উঠিয়েছি। অতএব যার সাথে কুরবানীর পশু নেই- সে যেন সম্পূর্ণরূপে ইহরাম খুলে ফেলে। কেননা উমরাকে কিয়ামত পর্যন্ত হাজ্জের (হজ্জের/হজের) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮০, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ জামরাহ্ আয যুবাঈ (রহঃ) বলেন, আমি তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করলাম। কতিপয় লোক আমাকে তা করতে নিষেধ করল। আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাকে তা করার নির্দেশ দিলেন। এরপর আমি বায়তুল্লাহতে আসলাম এবং ঘুমালাম। স্বপ্নে আমার কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, উমরা কবুল হয়েছে এবং হাজ্জও কবুল হয়েছে। আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে এ স্বপ্লের কথা বললাম। তিনি বললেন, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার! এতো আবূল কাসিম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮১, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল হুলায়ফাহ নামক স্থানে যুহরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। অতঃপর নিজের (কুরবানীর) উষ্ট্রী নিয়ে আসতে বললেন এবং কুঁজের ডান দিক দিয়ে ফেড়ে দিলেন। ফলে রক্ত প্রবাহিত হল। অতঃপর তিনি এর গলায় দু'টি পাদুকার মালা পরিয়ে দিলেন। এরপর নিজের বাহনে আরোহণ করলেন। অতঃপর তা যখন তাকে নিয়ে আল বায়দায় পৌছল, তখন তিনি হাজ্জের (হজ্জের/হজের) তালবিয়াহ পাঠ করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮২, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3017 — Sahih Muslim 15:225
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ . بِمَعْنَى حَدِيثِ شُعْبَةَ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ إِنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمَّا أَتَى ذَا الْحُلَيْفَةِ . وَلَمْ يَقُلْ صَلَّى بِهَا الظُّهْرَ .
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে শুবাহ (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে, অবশ্য তিনি এখানে বলেছেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল হুলায়ফাহ এলেন তবে যুহরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করেছেন" এ কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮৩, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... কাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ হাসসান আ'রাজ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, আল হুযায়ম গোত্রের এক ব্যক্তি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে বলল, আপনি এ কী ফাতাওয়া দিচ্ছেন যা নিয়ে লোকেরা জটিলতায় পড়েছে? (তা এই) যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহ এ তওয়াফ করবে, সে ইহরামমুক্ত হতে পারবে। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, এটা তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত, তা তোমাদের মনঃপুত হোক বা না হোক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮৪, ইসলামীক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু সাঈদ আদ দারিমী (রহঃ) ... আবূ হাসসান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে বলা হল, এ ব্যাপারটি লোকদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহ এর তওয়াফ করে, সে হালাল হয়ে যায় এবং তার ইহরাম উমরায় পরিণত হয় (যদিও হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম হয়ে থাকে)। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, এটা তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত যদিও তোমাদের নাক ধূলিমলিন হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮৫, ইসলামীক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আতা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলতেন, যে ব্যক্তি (মক্কায়) পৌছে) বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করল, সে ইহরামমুক্ত হয়ে গেল- সে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) পালনকারী হোক অথবা অন্য কিছু (উমরাহ) পালনকারী। আমি (ইবনু জুরায়জ) আতাকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কিসের ভিত্তিতে এ কথা বলেন? তিনি বললেন, আল্লাহর কালামের ভিত্তিতেঃ “অতঃপর এগুলো কুরবানীর স্থান মর্যাদাবান ঘরের নিকট”— (সূরা হাজ ২২ঃ ৩৩)। আমি বললাম, তা তো আরাফাহ থেকে ফেরার পর। তিনি বললেন, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলতেন, (কুরবানীর স্থান সম্মানিত ঘরের নিকট) তা আরাফায় উকুফের পর হোক অথবা পূর্বে। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কার্যক্রম থেকে প্রমাণ গ্রহণ করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং বিদায় হজ্জের সময়ে ইহরাম খোলার নির্দেশ দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮৬, ইসলামীক সেন্টার)