আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... সালিম (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, আবূ বাকর (রাযিঃ), উমার (রাযিঃ) ও ইবনু উমর (রাযিঃ) আবত্বাহে অবতরণ করতেন। যুহরী বলেন, আমাকে উরওয়াহ অবহিত করেছেন যে, আয়িশাহ্ (রাযিঃ) আবতাহে যাত্রা বিরতি করতেন না। তিনি বলতেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবলমাত্র (বিশ্রামের জন্য) এখানে যাত্রা বিরতি করতেন যাতে সামনের পথ অতিক্রম সহজ হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৩৭, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, ইবনু আবূ উমার ও আহমাদ ইবনু আবদাহ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুহাসসাবে যাত্রা বিরতি বাধ্যতামূলক নয়। এটি একটি মাঞ্জিল যেখানে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাত্রা বিরতি করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৩৮, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ্ ইবনু সাঈদ, আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ রাফি (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মিনা থেকে রওনা হলেন তখন তিনি আমাকে আবত্বাহে যাত্রা বিরতির নির্দেশ দেননি। বরং আমি সেখানে পৌছে তাঁবু খাটালাম, এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে সেখানে অবতরণ করলেন। আবূ রাফি (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মালপত্রের তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত ছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ আমরা আগামীকাল সকালে খায়ফে বানী কিনানায় অবতরণ করব যেখানে তারা (কাফিররা) কুফরীর উপর অবিচল থাকার শপথ নিয়েছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৪০, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3175 — Sahih Muslim 15:379
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنِي الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ بِمِنًى " نَحْنُ نَازِلُونَ غَدًا بِخَيْفِ بَنِي كِنَانَةَ حَيْثُ تَقَاسَمُوا عَلَى الْكُفْرِ " . وَذَلِكَ إِنَّ قُرَيْشًا وَبَنِي كِنَانَةَ تَحَالَفَتْ عَلَى بَنِي هَاشِمٍ وَبَنِي الْمُطَّلِبِ أَنْ لاَ يُنَاكِحُوهُمْ وَلاَ يُبَايِعُوهُمْ حَتَّى يُسْلِمُوا إِلَيْهِمْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَعْنِي بِذَلِكَ الْمُحَصَّبَ .
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মিনায় থাকা কালে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বললেন। আগামীকাল সকালে আমরা কিনানাহ গোত্রের ঘাটিতে অবতরণ করব যেখানে তারা কুফুরীর উপর অটল থাকার শপথ করেছিল। তা হচ্ছে- কুরায়শ ও কিনানাহ গোত্র হাশিম ও মুত্ত্বালিব গোত্রদ্বয়ের বিরুদ্ধে এ মর্মে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, এরা তাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করবে না এবং বাণিজ্যিক লেনদেন করবে না- যতক্ষণ তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তাদের হাতে অর্পণ না করবে- এ হচ্ছে সেই মুহাস্সাব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৪১, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ যদি আমাদের বিজয় দান করেন তবে ইনশাআল্লাহ আমাদের মাঞ্জিল হবে খায়ফে, যেখানে কুরায়শরা কুফুরীর উপর অটল থাকার শপথ করেছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৪২, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্ত্বলিব (রাযিঃ) মিনার রাতগুলো মাক্কাতে (মক্কাতে) অতিবাহিত করার জন্য রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করলেন। কারণ পানি সরবরাহের দায়িত্ব তার উপর ন্যস্ত ছিল। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৪৩, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মিনহাল আয যারীর (রহঃ) ..... বাকর ইবনু আবদুল্লাহ আল মুযানী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর সাথে কাবার সন্নিকটে বসা ছিলাম। এ সময় এক বেদুঈন তার নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, কী ব্যাপার? আমি দেখছি আপনার চাচাতো ভাইয়েরা (আগন্তুকদের) মধু ও দুধ পান করায়। আর আপনারা নবীয (খেজুরের তৈরি শরবত) পান করান? তা কি আপনাদের দরিদ্রতার কারণে, না কৃপণতার কারণে? ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) "আলহামদু লিল্লাহ" উচ্চারণ করে বললেন, আমাদের না দারিদ্র্য আক্রান্ত করেছে, না কৃপণতা। প্রকৃত ব্যাপার এই যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সওয়ারীতে চড়ে এখানে এলেন এবং তাকে এক পেয়ালা নবীয দিলাম। তিনি তা পান করলেন এবং অবশিষ্টটুকু উসামাকে পান করালেন। এরপর তিনি বললেন, “তোমরা খুবই উত্তম কাজ করেছো এবং এরূপই করতে থাক।" অতএব রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের যা করার নির্দেশ দিয়েছেন- আমরা তার পরিবর্তন করতে চাই না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তার কুরবানীর উটগুলোর নিকট দাঁড়াতে এবং এগুলোর গোশত, চামড়া ও ঝুল দান খয়রাত করে দিতে নির্দেশ দিলেন এবং তা দিয়ে কসাইয়ের মজুরি দিতে নিষেধ করলেন এবং বললেনঃ আমাদের নিজেদের পক্ষ থেকে তার মজুরি পরিশোধ করে দেব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৪৬, ইসলামীক সেন্টার)