কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... সাদ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) বলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মাদীনাবাসীদের ক্ষতি করতে চাইবে, আল্লাহ তাকে এমনভাবে গলিয়ে দিবেন যেমন লবণ পানিতে গলে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২২৭, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ্ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... সা'দ ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ..... উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এ সূত্রে আকস্মিক আক্রমণ অথবা ক্ষতিসাধন এর কথা উল্লেখ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২২৮, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... সুফইয়ান ইবনু আবূ যুহায়র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শাম (সিরিয়া) বিজিত হবে। ফলে একদল লোক সপরিবারে মাদীনাহ থেকে চলে যাবে উট হাঁকাতে হাঁকাতে। অথচ মাদীনাহ তাদের জন্য কল্যাণকর ছিল যদি তারা বুঝতে পারত। এরপর ইয়ামান বিজিত হবে। ফলে একদল লোক উট হাকিয়ে সপরিবারে চলে যাবে (মাদীনাহ থেকে)। অথচ মাদীনাই ছিল তাদের জন্য কল্যাণকর যদি তারা বুঝতে পারত। এরপর ইরাক বিজিত হবে। ফলে একদল লোক উট হাঁকিয়ে সপরিবারে মাদীনাহ থেকে বের হয়ে যাবে অথচ মাদীনাই ছিল তাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তারা বুঝতে পারত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৩০, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... সুফইয়ান ইবনু আবূ যুহায়র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি। ইয়ামান বিজিত হবে। ফলে একদল লোক নিজেদের পরিবারবর্গ ও অনুসারীদের নিয়ে উট হাঁকিয়ে তথায় চলে যাবে। অথচ মাদীনাই ছিল তাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তারা বুঝতে পারত। অতঃপর শাম (সিরিয়া) বিজিত হবে। ফলে একদল লোক নিজেদের পরিবার-পরিজন ও অনুসারীদের নিয়ে উট হাঁকিয়ে তথায় চলে যাবে। অথচ মাদীনাই ছিল তাদের জন্য কল্যাণকর যদি তারা বুঝতে পারত। অতঃপর ইরাক বিজিত হবে। ফলে একদল লোক নিজেদের পরিবার ও অনুসারীদের নিয়ে উট হাকিয়ে তথায় চলে যাবে। অথচ মাদীনাই ছিল তাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তারা বুঝতে পারত।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৩১, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) বলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনাহ সম্পর্কে বলেছেনঃ “এখানকার লোকেরা মাদীনাহ ত্যাগ করবে, সে স্থান তাদের জন্য কল্যাণকর হওয়া সত্ত্বেও। আর তা এমনভাবে জনশূন্য হয়ে যাবে যে, তা হিংস্র জন্তু ও পাখির আবাসে পরিণত হবে।" ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন, আবূ সফওয়ান- আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল মালিক ছিলেন ইয়াতীম। তিনি ইবনু জুরায়জের তত্ত্বাবধানে দশ বছর প্রতিপালিত হন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৩২, ইসলামীক সেন্টার)
আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ লোকেরা মদীনাহ ত্যাগ করবে তাদের জন্য তা (মাদীনায় বসবাস) কল্যাণকর হওয়া সত্ত্বেও এবং কেবল হিংস্র জন্তু ও পাখিরাই সেখানে বসবাস করবে। অতঃপর মুযায়নাহ গোত্রের দুটি রাখাল মাদীনার উদ্দেশে রওনা হবে উচ্চস্বরে নিজেদের মেষপাল হাঁকিয়ে। তারা সে স্থান হিংস প্রাণীতে ভর্তি দেখতে পাবে। তারা সানিয়াতুল বিদা উপত্যকা পর্যন্ত পৌছে উপুড় হয়ে পড়ে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৩৩, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ আল মাযিনী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “আমার ঘর ও আমার মিম্বারের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের বাগানসমূহের একটি।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৩৪, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ আল আনসারী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ আমার ঘর ও আমার মিম্বারের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের বাগানসমূহের অন্তর্ভুক্ত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৩৫, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু নুমায়র (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমার ঘর ও আমার মিম্বারের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান। আর আমার মিম্বার আমার (কাওসার নামক) হাওযের উপরে অবস্থিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৩৬, ইসলামীক সেন্টার)