মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ এর বর্ণিত হাদীসে আছে, সে ব্যক্তি দুনিয়ার ক্লেশ থেকে মুক্তি পেয়ে আল্লাহর রহমত লাভ করবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭১, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জনসাধারণকে নাজাশীর ইনতিকালের সংবাদ শুনালেন, যেদিন তিনি ইনতিকাল করেন। অতঃপর তিনি তাদেরকে নিয়ে সালাতের স্থানে গিয়ে চার তাকবীরে সালাতুল জানাযাহ আদায় করেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭২, ইসলামীক সেন্টার)
আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনুল লায়স (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবিসিনিয়ার অধিপতি নাজাশীর যে দিন মৃত্যু হয় সে দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে তার মৃত্যুর খবর দিলেন। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের ভাইয়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব (রহঃ) আমাকে বলেছেন যে, আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) তার কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিয়ে সালাতের স্থান কাতার করলেন। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাত আদায় করলেন এবং এতে (অতিরিক্ত) চার তাকবীর বললেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭৩, ইসলামীক সেন্টার, নেই)
আমর আন নাকিদ, হাসান আল হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... উভয় সূত্রেই ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে উকায়ল (রহঃ) এর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2207 — Sahih Muslim 11:85
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ سَلِيمِ بْنِ حَيَّانٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مِينَاءَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহ) ...... জবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজাশীর জন্য গায়েবানা জানাযাহ আদায় করেছেন এবং চার তাকবীরে সালাতুল জানাযাহ আদায় করেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) …. জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, (নাজাশী ইনতিকাল করলে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আজ আল্লাহর এক নেক্কার বান্দাহ ইনতিকাল করেছেন। এরপর তিনি উঠে গিয়ে আমাদের সামনে ইমাম হয়ে তার জন্য সালাতুল জানাযাহ আদায় করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭৬, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু উবায়দ আল গুবারী, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ূব (রহঃ) [শব্দাবলী তার] ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাজাশী ইনতিকাল করলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের এক ভাই ইনতিকাল করেছেন। অতএব তোমরা উঠ এবং তার জন্য সালাত আদায় কর। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমরা উঠে গিয়ে দু'টি সারি বাঁধলাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭৭, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব, আলী ইবনু হুজর, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ূব (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের এক ভাই (নাজাশী) ইনতিকাল করেছেন। অতএব তোমরা উঠে তার জন্য সালাত আদায় কর। যুহায়রের বর্ণনায় "তোমাদের ভাই" বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
হাসান ইবনুর রাবী' ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... শাবী' (রহঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃতকে দাফন করার পর একটা কবরের উপর জানাযার সালাত আদায় করেছেন এবং চার তাকবীর উচ্চারণ করেছেন। শায়বানী বলেন, আমি শা'বীকে জিজ্ঞেস করলাম, এটা আপনার কাছে কে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন, নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ)। এটি হাসান এর বর্ণিত হাদীসের শব্দ। আর ইবনু নুমায়র এর বর্ণনাতে রয়েছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটা তাজা কবরের নিকট পৌছে এর উপর সালাত আরম্ভ করলে সবাই তার পিছনে সারিবদ্ধ হ'ল। তিনি চার তাকবীর উচ্চারণ করলেন। আমি আমিরকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনার কাছে কে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন, নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি যার কাছে ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এসেছিলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, হাসান ইবনুর রাবী' ও আবূ কামিল, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম, 'উবায়দুল্লাহ ইবনু মু'আয, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তাদের কারো হাদীসে এ কথা উল্লেখ নেই যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জানাযায় চার তাকবীর উচ্চারণ করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৮০, ইসলামীক সেন্টার)