‘আলী ইবনু খশরাম (রহঃ) ...... উসমান ইবনু হাকীম (রহঃ) মারওয়ান আল ফাযারী হতে একই সানাদে হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৬৩, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আমর ইবনু আওস (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে রোগে আম্বাসাহ ইবনু আবূ সুফইয়ান মৃত্যুবরণ করেছেন- সে রোগ শয্যায় থাকাকালে তিনি আমার কাছে এমন একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যা খুবই খুশীর বা আনন্দের। তিনি বলেছেনঃ আমি উম্মু হাবীবাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, দিন ও রাতে যে ব্যক্তি মোট ১২ রাকাআত (সুন্নাত) সালাত আদায় করে তার বিনিময়ে জান্নাত ও ঐ ব্যক্তির জন্য একটি ঘর নির্মাণ করা হয়। উম্মু হাবীবাহ বলেছেনঃ আমি যে সময়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এ সালাত সম্পর্কে শুনেছি তখন থেকে আর কখনো তা আদায় করা পরিত্যাগ করিনি। আম্বাসাহ ইবনু আবূ সুফইয়ান বলেছেনঃ এ সালাত সম্পর্কে যখন আমি উম্মু হাবীবার কাছে শুনেছি, তখন থেকে আর ঐ সালাতগুলো কখনো পরিত্যাগ করিনি। আমর ইবনু আওস বলেছেনঃ যে সময়ে এ সালাত সম্পর্কে আমি আম্বাসাহ ইবনু আবূ সুফইয়ান এর নিকট থেকে শুনেছি সে সময় থেকে আর কখনো তা পরিত্যাগ করিনি। নুমান ইবনু সালিম বলেছেনঃ যে সময় আমি এ হাদীসটি আমর ইবনু আওস-এর নিকট থেকে শুনেছি তখন থেকে কখনো আর তা পরিত্যাগ করিনি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৬৪, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ গাসসান আল মিসমাঈ (রহঃ) ..... নুমান ইবনু সালিম (রহঃ) থেকে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে, (হাদীসটি হ’ল) যে ব্যক্তি দিনে ১২ রাকাআত নফল (সুন্নাত) সালাত আদায় করে তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করা হয়*।(ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৬৫, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী উম্মু হাবীবাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি। (তিনি বলেছেন) কোন মুসলিম বান্দা যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে প্রতিদিন ফারয (ফরয) ছাড়াও আরো ১২ রাকাআত নফল সালাত আদায় করে আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করেন অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) জান্নাতে তার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করা হয়। উম্মু হাবীবাহ (রাযিঃ) বর্ণনা করেছেন- এরপর আর কখনো এ সালাতসমূহ আদায় করতে বিরত থাকিনি। আর আমর ইবনু আওস বলেছেন- পরবর্তী সময়ে কখনো আমি এ সালাত আদায় করতে বিরত হই না। নুমান ইবনু সালিমও অনুরূপ কথাই বলেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
আবদুর রহমান ইবনু বিশ্বর ও আবদুল্লাহ ইবনু হাশিম আল আবদী (রহঃ) ..... উম্মু হাবীবাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মুসলিম বান্দা যদি উত্তমরূপে ওযু করে আল্লাহর উদ্দেশে প্রতিদিন সালাত আদায় করে- এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1698 — Sahih Muslim 6:128
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، - وَهُوَ ابْنُ سَعِيدٍ - عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَبْلَ الظُّهْرِ سَجْدَتَيْنِ وَبَعْدَهَا سَجْدَتَيْنِ وَبَعْدَ الْمَغْرِبِ سَجْدَتَيْنِ وَبَعْدَ الْعِشَاءِ سَجْدَتَيْنِ وَبَعْدَ الْجُمُعَةِ سَجْدَتَيْنِ فَأَمَّا الْمَغْرِبُ وَالْعِشَاءُ وَالْجُمُعَةُ فَصَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي بَيْتِهِ .
যুহায়র ইবনু হারব ও উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ, আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ...... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে যুহরের পূর্বে দু' রাকাআত, পরে দু' রাকাআত, মাগরিবের সালাতের পর দু' রাকাআত, ইশার সালাতের পর দু' রাকাআত এবং জুমুআর সালাতের পর দু' রাকাআত সালাত আদায় করেছি। তবে মাগরিব, ইশা ও জুমু’আর সালাতের পরের দু' রাকাআত সালাত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে তার বাড়ীতে আদায় করেছি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নফল সালাত সম্পর্কে আয়িশাহকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের (ফারয (ফরয) সালাতের) পূর্বে আমার ঘরে চার রাকাআত নফল আদায় করতেন। তারপর গিয়ে মসজিদে লোকদের সাথে সালাত আদায় করতেন। পরে ঘরে এসে আবার দু' রাকাআত নফল আদায় করতেন। অতঃপর লোকজনের সাথে মাগরিবের সালাত আদায় করতেন এবং ঘরে এসে দু' রাকাআত নাফল আদায় করতেন। আবার ইশার সালাত লোকজনের সাথে আদায় করে আমার ঘরে এসে দু’রাকাআত নফল আদায় করতেন। আর রাতের বেলা বিতরসহ নয় রাকাআত সালাত আদায় করতেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাতের বেলা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নফল সালাত আদায় করতেন, আবার দীর্ঘ সময় বসে বসেও নফল সালাত আদায় করতেন। যখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাঁড়িয়ে কিরাআত পড়তেন তখন দাঁড়িয়েই রুকূ’ ও সিজদা করতেন। আবার যখন বসে কিরআত করতেন তখন রুকূ’ ও সিজদা বসেই করতেন। আর ফজরের সময় বা ভোর হলেও দু' রাকাআত নাফল আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৬৯, ইসলামীক সেন্টার)