ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল হানযালী, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুসলিমরা মদীনায় আসার পর একত্রিত হয়ে নির্দিষ্ট সময়ে সালাত আদায় করতেন। এজন্যে কেউ আযান দিত না। একদিন ব্যাপারটি নিয়ে তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করল। তাদের একজন বলল, নাসারাদের নাকুসের অনুরূপ একটি নাকুস (ঘন্টা) ব্যবহার কর। তাদের অপরজন বলল, ইয়াহুদীদের শিঙ্গার অনুরূপ একটি শিঙ্গা ব্যবহার কর। উমার (রাযিঃ) বললেন, তোমরা সালাতের জন্যে ডাকতে একটি লোক পাঠাও না কেন? রাসূলুল্লাহ বললেন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হে বিলাল! উঠো এবং সালাতের জন্যে ডাক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
খালাফ ইবনু হিশাম ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযিঃ) কে আযানের শব্দ জোড় সংখ্যায় এবং ইকামাতের শব্দ বেজোড় বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইয়াহইয়া তার বর্ণনায় ইবনু উলাইয়্যাহ এর সূত্রে বলেছেন, তিনি আইয়ূব এর কাছে এ হাদীস বর্ণনা করলে তিনি বললেন, কিন্তু 'কাদ্কা- মাতিস্ সলা-হ্' শব্দটি ব্যতীত (এটি দু'বার বলবে) বাকী শব্দগুলো একবার করে বলবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (লোকেদের) সালাতের সময় জানানোর উদ্দেশে একটা কিছু নির্দিষ্ট করার জন্যে সাহাবাগণ পরস্পর আলোচনা করলেন। তারা বললেন, আগুন জ্বালানো হোক অথবা নাকুস (ঘণ্টা) বাজানো হোক। বিলালকে আযানের শব্দগুলো দু’বার এবং ইকামাতের শব্দগুলো একবার করে উচ্চারণ করার নির্দেশ দেয়া হল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... খালিদ আল হাযযা হতে উল্লেখিত সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, যখন লোকসংখ্যা বেড়ে গেল, সাহাবাগণ সালাতের সময় জানানোর একটি উপায় খুঁজে বের করার জন্যে পরস্পর আলোচনা করলেন ..... অতঃপর সাকাকী-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। এ বর্ণনায় أَنْ يُنَوِّرُوا نَارًا শব্দের পরিবর্তেأَنْ يُورُوا نَارًا শব্দের উল্লেখ করা হয়েছে। (অর্থাৎ "আগুন জ্বালানো হোক" উভয় শব্দের অর্থ একই)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযিঃ) কে আযান জোড় সংখ্যায় এবং ইকামাত বেজোড় সংখ্যায় বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ গাসসান আল মিসমাঈ, মালিক ইবনু আবদুল ওয়াহিদ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ মাহযুরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে এ আযান শিক্ষা দিয়েছেনঃ "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার" (আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান)। পাঠে (চারবার)। "আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ" (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই), "আশহাদু আল লা-ইলাহা ইল্লাল্ল-হ" (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই)। "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্ল-হ" (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল), "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ" (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল)। আবার তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ", "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্ল-হ-" দু'বার। "হাইয়্যা আলাস সলা-হ" (সালাতের জন্যে এসো) দু'বার। "হাইয়্যা 'আলাল ফালা-হ" (কল্যাণের জন্যে এসো) দু'বার। ইসহাক তার বর্ণনায় আরো দুটি বাক্য উল্লেখ করেছেন, "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার" এবং “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 843 — Sahih Muslim 4:7
حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُؤَذِّنَانِ بِلاَلٌ وَابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ الأَعْمَى .
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দু'জন মুওয়াযযিন ছিলঃ বিলাল (রাযিঃ) এবং অন্ধ আবদুল্লাহ ইবনু উম্মু মাকতুম (রাযিঃ)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حَدَّثَنِي أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ الْهَمْدَانِيُّ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، - يَعْنِي ابْنَ مَخْلَدٍ - عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ يُؤَذِّنُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ أَعْمَى .
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু মাকতুম (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মতিতে আযান দিতেন। তখন তিনি ছিলেন অন্ধ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৯, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৪৪)।