উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার আল মায়সারাহ আল কাওয়ারীরী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনায়ন এর যুদ্ধের সময় একটি দল আওত্বাস এর দিকে পাঠান। তারা শক্র দলের মুখোমুখী হয়ে তাদের সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে এবং তাদের অনেক কয়েদী তাদের হস্তগত হয়। এদের মধ্য থেকে দাসীদের সাথে যৌন সঙ্গম করা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কয়েকজন সাহাবা যেন নাজায়িয মনে করলেন, তাদের মুশরিক স্বামী বর্তমান থাকার কারণে। আল্লাহ তা'আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন "এবং নারীর মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ" অর্থাৎ তারা তোমাদের জন্য হালাল, যখন তারা তাদের ইদ্দাত (ইদ্দত) পূর্ণ করে নিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭৩, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহিমাহুমুল্লাহ) ...... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনায়ন যুদ্ধের সময় একটি ছোট সেনাদল পাঠান- পরবর্তী অংশ ইয়াযীদ ইবনু যুরা'য় এর হাদীসের মর্মানুসারে। তবে এতে রয়েছে- তাদের (সধবাদের) মধ্য থেকে যারা তোমাদের অধিকারভুক্ত তারা তোমাদের জন্য হালাল। এ বর্ণনায় "যখন তারা তাদের ইদ্দাত (ইদ্দত) পূর্ণ করে নিবে" অংশটুকুর উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী (রহঃ) ... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) বলেন, আওত্বাস এর যুদ্ধে কিছু কয়েদী সাহাবীগণের হস্তগত হয়, যাদের স্বামী ছিল। তারা (তাদের সাথে সঙ্গম করতে) ভয় পেলেন। তখন এ আয়াতটি নাযিল হয়- "এবং নারীর মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ।।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭৬, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাদ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস এবং আবদ ইবনু যাম'আহ উভয়ে একটি সন্তানের ব্যাপারে ঝগড়া করেন। সা'দ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ সন্তান উতবাহ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস, আমার ভাইয়ের ছেলে। তিনি আমাকে ওয়াসিয়্যাত করেছেন যে, এ সন্তান তারই পুত্র। আপনি তার সাদৃশ্যের প্রতি লক্ষ্য করুন। আর আবদ ইবনু যাম'আহ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ সন্তান আমার ভাই। আমার পিতার ঔরসে দাসীর গর্ভে জন্মলাভ করেছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সন্তানটির গঠনাকৃতির দিকে লক্ষ্য করলেন। দেখতে পেলেন উতবার সাথে স্পষ্ট সাদৃশ্য রয়েছে। তখন তিনি বললেন, হে আবদ (ইবনু যাম'আহ) সন্তান তো বিছানার অধিপতির আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর (এর শাস্তি)। হে সাওদা বিনত যাম'আহ! তুমি এর থেকে পর্দা করবে। ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, অতঃপর সে কখনো সাওদাহ (রাযিঃ) কে দেখেনি। মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ "ইয়া 'আবদু" শব্দটি উল্লেখ করেনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
সাঈদ ইবনু মানসূর, আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ, আমর আন নাকিদ ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে উভয়ে তাদের হাদীসে শুধু সন্তান তো বিছানার অধিপতির কথাটুকু বর্ণনা করেছেন এবং 'ব্যভিচারীর জন্য পাথর' অংশের উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিছানা যার সন্তান তার, আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর (এর শাস্তি)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৮০, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনি আনন্দে আমার নিকট প্রবেশ করলেন যে, তার চেহারার রেখাগুলো চমকাচ্ছিল। তিনি বললেন, হে ‘আয়িশাহ! তুমি কি জান না যে, সবে মাত্র মুজায্যিয যায়দ ইবনু হারিসাহ এবং উসামাহ্ ইবনু যায়দ এর দিকে দৃষ্টিপাত করে বলে গেল যে, এদের উভয়ের পাগুলো পরস্পরের অঙ্গ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৮২, ইসলামীক সেন্টার)