আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু জাফার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফর হতে ফিরতেন তখন আমাদের দ্বারা তাকে স্বাগতম জানানো হত। একদা আমাকে এবং হাসান অথবা হুসায়নের দ্বারা স্বাগতম জানানো হল। আমাদের একজনকে বসলেন তার সম্মুখে, অন্যজনকে পশ্চাতে। এভাবে আমরা মাদীনায় ঢুকলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৫১, ইসলামিক সেন্টার)
শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু জাফার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক দিন আমাকে তার পশ্চাতে আরোহণ করালেন এবং কানে কানে আমাকে একটা কথা বললেন, এটা আমি লোকদের মধ্যে কাউকে বলব না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৫২, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু জাফার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আলীকে কুফায় বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন পৃথিবীর স্ত্রীলোকদের মাঝে সর্বোত্তম হলেন (সে যুগে) মারইয়াম বিনতু ইমরান, আর (এ যুগে) খাদীজাহ বিনতু খুওয়াইলিদ। বর্ণনাকারী আবূ কুরায়ব (রহঃ) বলেন, ওয়াকী ইশারা করলেন আকাশ ও জমিনের দিকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৫৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার, উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয আম্বারী (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পুরুষদের মধ্যে অনেকেই পূর্ণতা অর্জন করেছেন, কিন্তু মেয়েদের মাঝে মারইয়াম বিনতু ইমরান ও ফির'আওনের স্ত্রী আসিয়াহ (রাযিঃ) ব্যতীত অন্য কেউ পূর্ণতা লাভে সক্ষম হননি। আর অন্যান্য মেয়েদের মধ্যে আয়িশাহর ফাযীলাত অন্যান্য খাদ্যের উপর 'সারীদের ফাযীলাতের মতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৫৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে জিবরীল (আঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ তো খাদীজাহ্ আপনার নিকট একটা পাত্র নিয়ে আসছেন, যার মধ্যে কিছু তরকারী, খাদ্য ও পানীয় আছে। তিনি যখন আপনার নিকট আসবেন তখন তাকে তার প্রতিপালকের এবং আমার পক্ষ হতে সালাম বলবেন। আর তাকে জান্নাতের একটি গৃহের সুখবর দিবেন, যা এমন একটি মুক্তা দ্বারা প্রস্তুতকৃত, যার ভিতর উন্মুক্ত। যেখানে কোন হট্টগোল আর দুঃখ-বেদনা নেই। আবূ বাকর সূত্রে আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর রিওয়ায়াতে এরূপ বলেছেন। তবে তিনিسَمِعْتُ ওمِنِّي শব্দের উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৫৫, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) .... ইসমাঈল হতে বর্ণিত। তিনি বলেন আমি আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফাকে বললাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি খাদীজাহ্ (রাযিঃ) কে জান্নাতের মাঝে কোন গৃহের সুখবর দিয়েছেন? বললেন, হ্যাঁ তাকে জান্নাতের মাঝে একটি মুক্তা দিয়ে তৈরি গৃহের সুখবর দিয়েছেন। যেখানে কোন রকম হট্টগোল আর দুঃখ-বেদনা নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৫৬, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন স্ত্রীলোকের দিকেই আমি এত ঈর্ষান্বিত হইনি যতটুকু খাদীজাহর প্রতি হয়েছি অথচ আমার বিয়ের তিন বছর আগেই তার ইন্তিকাল হয়েছে। কেননা আমি তাকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে) তার আলোচনা করতে শুনতাম। আল্লাহ তা'আলা তাকে নির্দেশ করেছিলেন যে, আপনি জান্নাতে খাদীজাহকে একটি মুক্তা দিয়ে তৈরি গৃহের সুখবর দিন আর তিনি বকরী যাবাহ করলে খাদীজার বান্ধবীদের গোশত উপটৌকন দিতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 6278 — Sahih Muslim 44:108
حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مَا غِرْتُ عَلَى نِسَاءِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ عَلَى خَدِيجَةَ وَإِنِّي لَمْ أُدْرِكْهَا . قَالَتْ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا ذَبَحَ الشَّاةَ فَيَقُولُ " أَرْسِلُوا بِهَا إِلَى أَصْدِقَاءِ خَدِيجَةَ " . قَالَتْ فَأَغْضَبْتُهُ يَوْمًا فَقُلْتُ خَدِيجَةَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنِّي قَدْ رُزِقْتُ حُبَّهَا " .
(…) সাহল ইবনু উসমান (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি খাদীজাহ্ ব্যতীত নবী সহধর্মিণীদের আর কারো প্রতি ঈর্ষান্বিত হইনি, অথচ আমার সাথে তার সাক্ষাৎ ঘটেনি। তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বকরী যাবাহ করতেন তখন বলতেন, এর গোশত খাদীজাহর বান্ধবীদের পাঠিয়ে দাও। একদা আমি তাকে রাগিয়ে দিলাম এবং বললাম, খাদীজাহকে এতই ভালবাসেন? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেনঃ তার ভালবাসা আমার মনে জায়গা করে নিয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৬০, ইসলামিক সেন্টার)