হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি গোপনীয় বিষয় সম্পর্কে আমার নিকট বলেছিলেন। তারপরে আমি কারও নিকট তা প্রকাশ করিনি এমনকি (আমার মা) উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) সে ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন; কিন্তু আমি তাকেও তা জানায়নি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫৫, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... সা'দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাযিঃ) ব্যতিরেকে ভূ-পৃষ্ঠে অবস্থানকারী কোন জীবিত লোকের ব্যাপারে বলতে শুনিনি যে, সে জান্নাতে বিচরণ করছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫৬, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... কায়স ইবনু আব্বাদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মাদীনাতে এমন ব্যক্তিদের মাঝে ছিলাম, যাদের মধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সতক সাহাবী বিদ্যমান ছিলেন। ইত্যবসরে এক লোক এলো, যার মুখমণ্ডলে ভয়-ভীতির চিহ্ন বিদ্যমান ছিল। তখন লোকদের মধ্য থেকে কেউ কেউ বললেন, এ লোক জান্নাতীদের একজন, এ লোক জান্নাতীদের একজন। তিনি সেখানে দু' রাকাআত সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। তারপর বেরিয়ে গেলেন। আমি তাকে অনুকরণ করলাম। তিনি তার গৃহে ঢুকলেন। আমিও ঢুকলাম। এরপর আমরা আলাপচারিতায় ছিলাম। উভয়ের মধ্যে যখন অন্তরঙ্গতা তৈরি হলো তখন তাকে আমি বললাম, আপনি যখন একটু আগে (মসজিদে) প্রবেশ করেছিলেন, তখন জনৈক লোক এরূপ এরূপ বলেছিল (এ লোক জান্নাতীদের একজন)। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! কারো পক্ষে এমন কোন কথা বলা ঠিক নয়, যা সে অজ্ঞাত। তিনি বললেন, আমি তোমার সাথে আলাপ করব, কেন এমন হয়? (অর্থাৎ লোকেরা কেন এ কথা বলে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে একদা আমি একটি স্বপ্ন দেখেছিলাম। আমি সে স্বপ্লের কথা তার নিকট প্রকাশ করেছিলাম। আমি নিজেকে একটি বাগিচায় দেখতে পাই। এ বাগানের ব্যাপকতা, উৎপন্ন ফসলাদি ও সৌন্দর্যের কথাও তিনি ব্যক্ত করেন। এ বাগানের মাঝখানে একটি লৌহস্তম্ভ ছিল যার নিম্নভাগ ছিল মাটির মাঝে এবং উপরিভাগ ছিল আকাশে। এর উপরিভাগে ছিল একটি রশি। তখন আমাকে বলা হলো, তুমি এতে সওয়ার হও। আমি বললাম, আমি সওয়ার হতে পারব না। তারপর একজন মিনসাফ আসলো। তিনি বলেন, ইবনু আওন (রহঃ) এর মতে মিনসাফ অর্থ খাদিম। তিনি বলেন, তিনি পশ্চাৎদিক থেকে আমার বস্ত্র ধরলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সে (খাদিম) তার হাত দিয়ে তার পেছন হতে তাকে তুলে দিল। আমি সওয়ার হলাম, এমনকি খুঁটি বেয়ে উঠলাম, তারপর রজ্জুটি ধরলাম। অতঃপর আমাকে বলা হলো একে আকড়িয়ে ধরো। আমি যখন জেগে গেলাম, তখনও ঐ রজ্জুটি আমার হাতেই ছিল। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এ স্বপ্লের কথা উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেন, সে বাগানটি হলো ইসলাম। আর সে খুঁটিটি হলো ইসলামের খুঁটি এবং সে রজ্জুটি হলো সুদৃঢ় রজ্জু। তুমি আমৃত্যু শক্তভাবে ইসলামের উপরে প্রতিষ্ঠিত থাকবে। বর্ণনাকারী বলেন, আর সে লোকই আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাযিঃ)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫৭, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আমর ইবনু আব্বাদ ইবনু জাবালাহ্ ইবনু আবূ রাওওয়াদ (রহঃ) ..... কায়স ইবনু আব্বাদ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এক মজলিসে ছিলাম, যেখানে সা'দ ইবনু মালিক (রাযিঃ) ও ইবনু উমর (রাযিঃ) উপস্থিত ছিলেন। তখন আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাযিঃ) যাচ্ছিলেন। তারা বললেন, এ ব্যক্তিটি জান্নাতীদের একজন। আমি দণ্ডায়মান হলাম এবং তাকে বললাম, তারা আপনাকে এমন এমন বলেছেন। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! তাদের এমন কোন কথা ব্যক্ত করা ঠিক নয়, যে ব্যাপারে তাদের ইলম নেই। একবার (স্বপ্নে) আমি দেখতে পেলাম, যেন একটি খুঁটি রাখা হয়েছে একটি সবুজ শ্যামল বাগানের মধ্যস্থলে, এর চূড়ায় একটি রজ্জু ছিল। এর নিম্নে একটি ছোট্ট 'মিনসাফ' (দণ্ডায়মান) ছিল। মিনসাফ অর্থ খাদিম। তখন আমাকে বলা হলো, এতে সওয়ার হও। আমি তাতে সওয়ার হলাম। শেষ অবধি রজ্জুটি সুদৃঢ়ভাবে ধরলাম। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তা ব্যক্ত করলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মজবুত রজ্জুটি আঁকড়ে ধরা অবস্থায় আবদুল্লাহ (রাযিঃ) মৃত্যুবরণ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫৮, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রাযিঃ) ..... খারাশাহ ইবনু হুর (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মদীনার মসজিদে একটি সমাবেশে উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি বলেন, সে মাজলিসে বসা ছিলেন সুন্দর চেহারার অধিকারী একজন বৃদ্ধ লোক। তিনিই ছিলেন আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাযিঃ)। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তিনি তাদের সম্মুখে ভাল ভাল কথা বলছিলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, যখন তিনি সমাবেশ হতে উঠছিলেন সে সময় ব্যক্তিরা বলল, কোন লোক যদি জান্নাতীকে দেখে আনন্দিত হতে চায় তবে যেন সে ঐ লোকটির দিকে দৃষ্টিপাত করে। তিনি খারাশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! নিশ্চয়ই আমি তার অনুসরণ করব, যাতে আমি তার আবাসস্থল জানতে পারি। তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন, এরপর আমি তাকে অনুসরণ করলাম। তিনি রওনা হলেন এবং মাদীনাহ শহর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সন্নিকটবর্তী জায়গায় পৌছে নিজ ঘরে ঢুকলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, আমিও তার নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন। অতঃপর বললেন, হে ভ্রাতুষ্পপুত্র! তুমি কি চাও? রাবী বলেন, আমি তাকে বললাম, আপনি যখন সমাবেশ থেকে উঠে আসছিলেন তখন আমি আপনার ব্যাপারে ব্যক্তিদের বলতে শুনেছি, যে লোক একজন জান্নাতীকে দেখে আনন্দ পেতে চায়, সে যেন এ লোকের দিকে তাকায়। তখন আমার মনে আপনার সঙ্গ লাভের আগ্রহ জাগে। তিনি বললেন, জান্নাতীদের ব্যাপারে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। কিন্তু ব্যক্তিদের এ কথা বলার কারণ আমি তোমার নিকট উল্লেখ করছি। একবার আমি ঘুমে অচেতন ছিলাম। স্বপ্নে দেখলাম যে, জনৈক লোক আমার নিকট এসেছে। সে আমাকে বলল, দাঁড়িয়ে যাও। অতঃপর সে আমার হাত আঁকড়ে ধরল। আমি তার সাথে রওনা করলাম। আমি আমার বামপাশে কয়েকটি পথ দেখতে পেলাম এবং আমি সে পথ ধরে চলতে চাইলাম। সে আমাকে বলল, ওদিকে যেয়ে না। কারণ, এটা হলো বামপন্থীদের (কাফিরদের) পথ। তিনি বলেন, এরপর আমি আমার ডানপাশে কয়েকটি আলোক সরল পথ দেখতে পেলাম। এরপর সে বলল, এ রাস্তায় চলো। তিনি বলেন, অতঃপর সে আমাকে একটি পাহাড়ের চূড়ায় নিয়ে আসলো। অতঃপর আমাকে পাহাড়ে উঠতে বলল। আমি পাহাড়ে উঠতে চেষ্টারত ছিলাম। কিন্তু পাছায় হোচট খেয়ে পড়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমি বেশ কয়েকবার এরূপ চেষ্টা করতে লাগলাম। তিনি বলেন, এরপর সে আমাকে নিয়ে রওনা হলো এবং একটি খুঁটির নিকট পৌছল, যার মাথা ছিল আকাশে এবং তার নিম্নভাগ ভূ-পৃষ্ঠের নীচে ছিল। খুঁটির চূড়ায় একটি কড়া ছিল। সে বলল, এর উপরে উঠো। তিনি বলেন, আমি বললাম, এতে কিভাবে চড়ব? এর মাথা তো আকাশের উপরিভাগে। তিনি বলেন, এরপর সে আমার হাত ধরল এবং আমাকে উপরে ঠেলে দিল। অকস্মাৎ আমি দেখলাম যে, আমি কড়ার সাথে ঝুলে আছি। তিনি বলেন, এরপর সে খুঁটির উপর করাঘাত করল এবং তা পড়ে গেল। তিনি বলেন, আর আমি কড়ার সাথে ঝুলে গেলাম। এভাবে আমার সকাল হলো। তিনি বলেন, এরপর আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে স্বপ্নের কথা সবিস্তারে বিবরণ দিলাম। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার বামপাশে যে পথগুলো দেখেছ, তা হচ্ছে বামপন্থীদের রাস্তা এবং তোমার ডানপাশে যেসব রাস্তা দেখেছ, তা হচ্ছে আসহাবুল ইয়ামীন বা জান্নাতীগণের রাস্তা। তুমি যে পাহাড়টি দেখেছিলে তা হচ্ছে শাহীদগণের আবাসস্থল আর তা তুমি পাবে না। তুমি যে খুঁটিটি দেখেছিলে সেটা হচ্ছে ইসলামের খুঁটি। যে কড়াটি তুমি দেখেছিলে সেটা হচ্ছে ইসলামের কড়া। আর তুমি আমৃত্যু ইসলামের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
আমর আন নাকিদ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, একবার উমর (রাযিঃ) হাসসান (রাযিঃ) এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। তিনি তখন মসজিদে কবিতা আবৃতিতে মত্ত ছিলেন। উমর (রাযিঃ) তার দিকে ডাকালেন। তখন তিনি বললেন, এমন অবস্থায় মসজিদে আমি কবিতা আবৃতি করছিলাম, যখন তাতে আপনার চাইতে ভাল লোক উপবিষ্ট ছিলেন। তারপর হাসসান (রাযিঃ) আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর দিকে তাকিয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! আপনি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, "তুমি আমার পক্ষ হতে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তাকে পবিত্র আত্মা (জিবরীল) দ্বারা সহযোগিতা করো।" আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) বললেন, “ইয়া আল্লাহ! হ্যাঁ।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৬০, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনুল মুসায়্যাব (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, একবার হাসসান (রাযিঃ) আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)-সহ সাহাবীদের এক মাজলিসে বলেছিলেন, হে আবূ হুরাইরাহ! আল্লাহর শপথ আপনি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন? তারপর তিনি উপরোল্লিখিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৬১, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 6386 — Sahih Muslim 44:216
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ حَسَّانَ بْنَ ثَابِتٍ الأَنْصَارِيَّ، يَسْتَشْهِدُ أَبَا هُرَيْرَةَ أَنْشُدُكَ اللَّهَ هَلْ سَمِعْتَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " يَا حَسَّانُ أَجِبْ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اللَّهُمَّ أَيِّدْهُ بِرُوحِ الْقُدُسِ " . قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ نَعَمْ .
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান দারিমী (রহঃ) ..... আবূ সালামাহ্ ইবনু আবদুর রহমান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি হাসসান ইবনু সাবিত আনসারী (রাযিঃ) কে আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) কে সাক্ষী করতে শুনেছেন যে, হে আবূ হুরাইরাহ! আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে বলছি, আপনি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন যে, হে হাসসান! তুমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ হতে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তাকে রূহুল কুদ্দুসের (জিবরীলের) মাধ্যমে সাহায্য করুন। তখন আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বললেন, আচ্ছা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৬২, ইসলামিক সেন্টার)
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... বারাআ ইবনু আযিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাসসান ইবনু সাবিতের উদ্দেশে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, তুমি তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে বিদ্রুপ কবিতা রচনা করো কিংবা বলেছেন, তুমি তাদের ব্যঙ্গ কবিতার জবাব দাও। জিবরীল (আঃ) তোমার সাথে আছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৬৩, ইসলামিক সেন্টার)