আবূ সাঈদ আশাজ্জ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... অপর সূত্রে উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... অন্য সূত্রে ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) হতে জারীর ও আবূ মুআবিয়ার সানাদে তাদের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে শুবাহ্ ও ওয়াকী' এর হাদীসে 'আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) ও খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাযিঃ) এর বর্ণনা নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৫৮, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রাযিঃ) ..... উসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, কুফার একটি প্রতিনিধি দল উমর (রাযিঃ) এর কাছে আগমন করলো। তাদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তিও ছিল, যে উওয়াইস (রহঃ) কে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত। তখন উমার (রাযিঃ) বললেন, এখানে কারানী গোষ্ঠীর কোন ব্যক্তি আছে কি? তখন সে লোকটি আসলো। এরপর উমর (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের নিকট ইয়ামান থেকে এক ব্যক্তি আগমন করবে, যে উওয়াইস নামে খ্যাত। ইয়ামানে তার মা ছাড়া আর কেউ থাকবে না। তার কুষ্ঠরোগ হয়েছিল। সে আল্লাহর নিকট দু'আ করার পরিবর্তে আল্লাহ তাকে কুষ্ঠরোগ দূর করে দেন। কিন্তু কেবল মাত্র এক দীনার কিংবা এক দিরহাম পরিমাণ জায়গা অবশিষ্ট থাকে। তোমাদের মাঝখান থেকে কেউ যদি তার দেখা পায় সে যেন নিজের জন্য তার নিকট মাগফিরাতের দু'আ প্রার্থনা করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, অবশ্যই তাবিঈনদের মধ্যে সে লোক শ্রেষ্ঠ যে উওয়াইস নামে খ্যাত। তার একমাত্র মা আছেন এবং তার কুষ্ঠরোগ হয়েছিল। তোমরা তার নিকট অনুরোধ করবে যেন সে তোমাদের মাগফিরাতের জন্য দু'আ কামনা করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৬০, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হানযালী, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... উসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) এর অভ্যাস ছিল, যখন ইয়ামানের কোন সাহায্যকারী ফৌজ তার নিকট আসত তখন তিনি তাদের প্রশ্ন করতেন, তোমাদের মাঝে কি উওয়াইস ইবনু আমির রয়েছে? পরিশেষে তিনি উওয়াইসকে পান। তখন তিনি বললেন, তুমি কি উওয়াইস ইবনু আমির? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি প্রশ্ন করলেন, মুরাদ গোষ্ঠীর কারান কাওমের? তিনি বললেন, হ্যাঁ। জানতে চাইলেন, তোমার কি কুষ্ঠরোগ হয়েছিল এবং তা নিরাময় হয়েছে, শুধুমাত্র এক দিরহাম জায়গা ছাড়া? তিনি বললেন, হ্যাঁ। প্রশ্ন করলেন, তোমার মা আছেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন উমর (রাযিঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ “তোমাদের নিকট মুরাদ গোষ্ঠীর কারান বংশের উওয়াইস ইবনু আমির ইয়ামানের সাহায্যকারী দলের সাথে আসবে। তার কুষ্ঠরোগ ছিল। পরে তিনি সুস্থ হয়ে গেছেন। কেবলমাত্র এক দিরহাম ব্যতীত। তার মা রয়েছেন। সে তার প্রতি অতি সেবাপরায়ণ। এমন লোক আল্লাহর উপর শপথ করে নিলে আল্লাহ তা পূর্ণ করে দেন। সুতরাং তুমি যদি তোমার জন্য তার নিকট মাগফিরাতের দু'আ প্রার্থনার সুযোগ পাও তাহলে তা করবে।” কাজেই আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দুআ কামনা করুন। তখন উওয়াইস (রহঃ) তার মাগফিরাতের জন্য দু'আ প্রার্থনা করলেন। তারপর উমর (রাযিঃ) তাকে বললেন, তুমি কোথায় যেতে চাও? তিনি বললেন, কুফাহ অঞ্চলে। উমার (রাযিঃ) বললেন, আমি কি তোমার জন্য কুফার প্রশাসকের নিকট চিঠি লিখে দিব? তিনি বললেন, আমি বিনীত ও দারিদ্র্য-পীড়িত লোকদের মধ্যে অবস্থান করাই পছন্দ করি। রাবী বলেন, পরবর্তী বছরে তাদের অভিজাত লোকেদের মাঝে এক লোক হাজ্জ করতে আসলো এবং উমর (রাযিঃ) এর সাথে তার দেখা হলো। তখন তিনি তাকে উওয়াইস কারানী (রহঃ) এর অবস্থা সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। সে বলল, আমি তাকে নিঃস দরিদ্র অবস্থায় রেখে এসেছি। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের নিকট কারান বংশের মুরাদ গোত্রের উওয়াইস ইবনু আমির (রাযিঃ) ইয়ামানের একদল সাহায্যকারীর সাথে আসবে। তার ছিল কুষ্ঠরাগ। সে তা থেকে নিরাময় লাভ করে, এক দিরহাম পরিমাণ জায়গা ছাড়া। তার মা আছেন, সে তার অতি সেবাপরায়ণ। সে যদি আল্লাহর নামে শপথ করে তাহলে আল্লাহ তা'আলা তা পূরণ করে দেন। তোমরা নিজের জন্য তার নিকট মাগফিরাতের দুআ কামনার সুযোগ পেলে তা করবে। সে লোক উওয়াইসের নিকট এসে বলল, আমার জন্য মাগফিরাত এর দুআ কামনা করুন। তিনি বললেন, আপনি তো নেক সফর থেকে সবেমাত্র এসেছেন। কাজেই আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দুআ প্রার্থনা করুন। সে লোক বলল, আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দু'আ কামনা করুন। উওয়াইস (রহঃ) বললেন, আপনি সদ্য নেক সফর করে এসেছেন, আপনি আমার মাগফিরাতের জন্য দুআ করুন। অতঃপর তিনি প্রশ্ন করলেন, আপনি কি উমার (রাযিঃ) এর দেখা পেয়েছেন? সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি তার জন্য মাগফিরাতের দু'আ কামনা করলেন। তখন লোকেরা তার মর্যাদা সম্বন্ধে অবগত হলেন। এরপর তিনি তার সামনে চললেন। উসায়র বলেন, আমি তাকে একটি ডোরাদার চাদর পরিয়ে দিলাম। অতঃপর কোন লোক যখন তাকে দেখতো তখন জানতে চাইতো, উওয়াইসের নিকট এ চাদরটি কোথেকে আসলো? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৬১, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির ও হারূন ইবনু সাঈদ আইলী (রহঃ) ..... আবূ যার গিফারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শীঘ্রই তোমরা এমন একটি ভূখণ্ড বিজয় লাভ করবে, সেখানে কীরাতের (দিরহাম বা দীনারের অংশবিশেষ) প্রচলন আছে। তোমর সেখানকার অধিবাসীদের সঙ্গে, সদাচরণ করবে। কেননা তোমাদের উপর তাদের প্রতি আছে যিম্মাদারী এবং আত্মীয়তা। তোমরা যদি সেখানে দু’ লোককে একটি ইটের জায়গার ব্যাপারে বিবাদ করতে দেখো তাহলে সেখান থেকে চলে এসো। রাবী বলেন, তারপর সুরাহবীল ইবনু হাসানার পুত্রদ্বয় রাবী'আহ ও আবদুর রহমানের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ইটের স্থান নিয়ে বিবাদ করতে দেখলেন। তিনি তখন সেখান থেকে চলে আসলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৬২, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব ও উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ যার গিফারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শীঘ্রই তোমরা মিশর বিজয় লাভ করবে। সেটা এমন একটি দেশ, যেখানে ‘কীরাত' নামে মুদ্রা খ্যাত। তোমরা যখন সে দেশ বিজয় লাভ করবে তখন সেখানকার অধিবাসীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করবে। কারণ তাদের জন্য দায়িত্ব ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। কিংবা তিনি বলেছেনঃ যিম্মাদারী ও বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে। তোমরা যখন সেখানে দু’লোককে একটি ইটের স্থান নিয়ে বিবাদ করতে দেখবে তখন সেখান থেকে চলে আসবে। আবূ যার (রাযিঃ) বলেন, তারপর আমি যখন আবদুর রহমান ইবনু শুরাহবীল ইবনু হাসান ও তার ভাই রাবী’আকে একটি ইটের স্থান নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ করতে দেখলাম তখন আমি সেখান থেকে চলে আসলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 6495 — Sahih Muslim 44:324
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا مَهْدِيُّ بْنُ مَيْمُونٍ، عَنْ أَبِي الْوَازِعِ، جَابِرِ بْنِ عَمْرٍو الرَّاسِبِيِّ سَمِعْتُ أَبَا بَرْزَةَ، يَقُولُ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً إِلَى حَىٍّ مِنْ أَحْيَاءِ الْعَرَبِ فَسَبُّوهُ وَضَرَبُوهُ فَجَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَوْ أَنَّ أَهْلَ عُمَانَ أَتَيْتَ مَا سَبُّوكَ وَلاَ ضَرَبُوكَ " .
সাঈদ ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবূ বারযাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কোন এক আরব গোত্রের নিকট প্রেরণ করলেন। তারা তাকে গালি-গালাজ ও মারধর করল। সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে তাকে কাহিনী বর্ণনা করল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি বংশধরগণের নিকট যেতে তাহলে তারা তোমাকে গালিও দিত না এবং মারধরও করত না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
উকবাহ ইবনু মুকাররাম আল আম্মী (রহঃ) ..... আবূ নাওফিল (রহঃ) বলেন যে, আমি (মাক্কায়) উকবাতুল মাদীনাহ নামে ঘাটিতে আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) কে (শুলীকাষ্ঠে ঝুলতে) দেখতে পেলাম। রাবী বলেন, তখন অন্যান্য লোকজন তার কাছ দিয়ে যাচ্ছিল। পরিশেষে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) তার কাছ দিয়ে যাওয়াকালে বললেন, আসসালামু 'আলাইকা ইয়া আবূ খুবায়ব! আসসালামু 'আলাইকা ইয়া আবূ খুবায়ব! আসসালামু 'আলাইকা ইয়া আবূ খুবায়ব! আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্য আপনাকে এ থেকে বিরত থাকতে বলেছিলাম। আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্য আপনাকে এ থেকে নিষেধ করেছিলাম, আমি অবশ্য আপনাকে এ থেকে নিষেধ করেছিলাম। আল্লাহর শপথ আমি যদ্দুর জানি আপনি ছিলেন সর্বাধিক সিয়াম পালনকারী, সর্বাধিক সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায়কারী এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক সম্মিলনকারী। আল্লাহর শপথ, শ্রেষ্ঠ উম্মাতের দৃষ্টিতে আজ আপনি (আপনার মতো মহৎ ব্যক্তিত্ব) নিকৃষ্ট মানুষে গণ্য হয়েছেন। তারপর আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) সেখান হতে প্রত্যাবর্তন করলেন। আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) এর এ অবস্থান (থামা) ও তার বক্তব্য হাজ্জাজের নিকট পৌছল। তখন সে আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়রের নিকট লোক প্রেরণ করল এবং তাকে শূলীর উপর থেকে নামানো হলো। তারপর ইয়াহুদীদের কবরস্থানে তাকে নিক্ষিপ্ত করা হলো। তারপর সে তার মা আসমা বিনত আবূ বাকর (রাযিঃ) কে ডেকে নেয়ার জন্য দূত পাঠায়। তিনি তার নিকট আসতে অস্বীকৃতি জানালেন। হাজ্জাজ আবার তার নিকট লোক পাঠাল তাকে তার নিকট আসার জন্য এই বলে যে, তোমাকে অবশ্যই আসতে হবে। অন্যথায় তোমার নিকট এমন লোক পাঠাব যে, তোমাকে চুলে ধরে টেনে নিয়ে আসবে। রাবী বললেন, এরপরও তিনি অস্বীকৃতি জানালেন এবং বললেন, আল্লাহর শপথ! আমি সে পর্যন্ত তোমার নিকট আসব না যতক্ষণ না তুমি আমার নিকট এমন লোক পাঠাবে যে, আমার চুলে ধরে টেনে নিয়ে আসবে। রাবী বলেন, তারপর হাজ্জাজ বলেন, আমার জুতা নাও। তারপর সে জুতা পরল এবং সদৰ্পে আসমা বিনত আবূ বাকর (রাযিঃ) এর নিকট পৌছল এবং সে বলল, তুমি তো দেখলে আল্লাহর শত্রুর সাথে আমি কী ব্যবহার করেছি। তিনি বললেন, “হ্যাঁ আমি তোকে দেখছি, তুই তার দুনিয়া বরবাদ করে দিয়েছিস। আর সে তোর আখিরাত নষ্ট করে দিয়েছে। আমি জানতে পেরেছি যে, তুই তাকে (তিরস্কার স্বরূপ) দুটি কোমরবন্ধনীর ছেলে বলে সম্বোধন করে থাকিস। আল্লাহর শপথ! আমিই দু' কোমরবন্ধ ব্যবহারকারিণী। এর একটির মাঝে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবূ বাকর (রাযিঃ) এর খাদ্যদ্রব্য বেঁধে তুলে রাখতাম যাতে বাহনের পশু থেকে খেয়ে ফেলতে না পারে। অপরটি হলো যা স্ত্রীলোকের জন্য প্রয়োজন। জেনে রাখো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, সাকীফ সম্প্রদায়ে এক মিথ্যুকের এবং নরহত্যাকারীর অভ্যুদয় হবে। মিথ্যুককে তো আমরা সকলে দেখেছি, আমি রক্ত প্রবাহকারী তোমাকে ব্যতীত আর কাউকে মনে করছি না।" এ কথা শুনে হাজ্জাজ উঠে দাঁড়াল এবং আসমা (রাযিঃ) এর কথার কোন প্রত্যুত্তর করল না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৬৫, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। দীন যদি আকাশের দূরবর্তী সুরাইয়া তারকারাজির নিকট থাকত তবে ইরানের যে কোন লোক তা নিয়ে আসত; কিংবা তিনি বলেছেন, কোন ইরানী সন্তান তা নিয়ে নিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৬৬, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 6498 — Sahih Muslim 44:327
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ - عَنْ ثَوْرٍ، عَنْ أَبِي الْغَيْثِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذْ نَزَلَتْ عَلَيْهِ سُورَةُ الْجُمُعَةِ فَلَمَّا قَرَأَ { وَآخَرِينَ مِنْهُمْ لَمَّا يَلْحَقُوا بِهِمْ} قَالَ رَجُلٌ مَنْ هَؤُلاَءِ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَلَمْ يُرَاجِعْهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم حَتَّى سَأَلَهُ مَرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا - قَالَ - وَفِينَا سَلْمَانُ الْفَارِسِيُّ - قَالَ - فَوَضَعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَدَهُ عَلَى سَلْمَانَ ثُمَّ قَالَ " لَوْ كَانَ الإِيمَانُ عِنْدَ الثُّرَيَّا لَنَالَهُ رِجَالٌ مِنْ هَؤُلاَءِ " .
কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপবিষ্ট ছিলেন। তখন তার উপর সূরাতুল জুমুআহ নাযিল হলো। যখন তিনি এ আয়াত পড়লেন- “আর (এ রসূলের আগমন) অপরাপর ব্যক্তিদের জন্যও যারা এখনো তাদের (মুমিনদের) সাথে এসে একত্রিত হয়নি”— (সূরাহ্ জুমুআহ ৬২ঃ ৩)। তখন এক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! এ লোকেরা কারা? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কোন প্রত্যুত্তর করলেন না। এমন কি সে একবার অথবা দু’বার অথবা তিনবার তাকে প্রশ্ন করল। বর্ণনাকারী বলেন, আমাদের মাঝে তখন সালমান ফারসী (রাযিঃ) ছিলেন। রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত সালমান (রাযিঃ) এর উপর রাখলেন; তারপর বললেন, ঈমান যদি সুরাইয়া নক্ষত্ররাজির নিকট (অর্থাৎ- বহু দূরে) থাকত তবে অবশ্যই তার সম্প্রদায়ের লোকেরা সেখানে পৌছে যেত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৬৭, ইসলামিক সেন্টার)