মুহাম্মাদ ইবনু বাকর মুকাদ্দামী ও মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ..... মা'দান ইবনু তালহাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। উমার বিন খাত্তাব (রাযিঃ) এক জুমু'আর দিনে খুতবাহ প্রদান করেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকর (রাযিঃ) এর কথা বললেন। তারপর তিনি বললেন, আমি আমার পরে এমন কোন বিষয় রেখে যাব না, যা আমার নিকট কালালার চেয়ে বেশী জটিল। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বারবার কোন বিষয় নিয়ে জিজ্ঞেস করিনি, যেমনটি বারবার জিজ্ঞেস করেছি কালালাহ সম্পর্কে। আর তিনিও অন্য কোন বিষয়ে এমন কঠোরতা আমাকে দেখাননি যেরূপ কঠোরতা দেখিয়েছেন এ বিষয়ে। এমনকি তিনি তার আঙ্গুল আমার বুকের উপর চেপে ধরে বলেছেন, হে উমার! গ্রীষ্মকালে অবতীর্ণ সূরা নিসার শেষের আয়াত কি তোমার জন্যে যথেষ্ট নয়? আর আমি যদি জীবিত থাকি তবে এ ব্যাপারে এমন ফায়সালা করবো যা দেখে কুরআন পাঠকারী আর যে কুরআন পড়ে না উভয়েই ফায়সালা করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০০৫, ইসলামিক সেন্টার)
আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) .... বারা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরআনের সর্বশেষ যে আয়াত নাযিল হয় তা হলো يَسْتَفْتُونَكَ قُلِ اللَّهُ يُفْتِيكُمْ فِي الْكَلاَلَةِ তারা আপনার কাছে জানতে চায়, আপনি বলুন, আল্লাহ তা'আলা কালালার ব্যাপারে সমাধান দিচ্ছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০০৭, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... আবূ ইসহাক (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বারা ইবনু আযিব (রামিঃ) কে বলতে শুনেছি যে, সর্বশেষ নাযিলকৃত আয়াত কালালা’র আয়াত এবং সর্বশেষ নাযিলকৃত সূরা বারাআত (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০০৮, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ...... বারা (রাযিঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে অতিরিক্ত এ কথাটি বলেন যে, 'সর্বশেষ অবতীর্ণ পূর্ণাঙ্গ সূরা'। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০১০, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট যদি এমনও মৃত দেহ (জানাযার জন্যে) আসতো যার উপর ঋণ থাকতো, তবে তিনি জিজ্ঞেস করতেন, সে কি তার ঋণ পরিশোধের জন্যে ঐ পরিমাণ সম্পদ রেখে গেছে, যা দ্বারা ঋণ পরিশোধ হতে পারে? যদি জানান হতো যে, সে ঋণ পূর্ণ করার পরিমাণ সম্পদ রেখে গেছে, তবে তিনি তার জানাযাহ পড়তেন। অন্যথায় বলতেন, তোমরা তোমাদের সাথীর জানাযাহ পড়ো। যখন আল্লাহ তার জন্য সম্পদের সমৃদ্ধির পথ খুলে দেন, তখন তিনি বলেন যে, আমি মুমিনদের জন্যে তাদের নিজেদের অপেক্ষাও বেশি নিকটবর্তী। সুতরাং যে ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত অবস্থায় মারা যাবে, তার সে ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব আমার উপর। আর যে লোক সম্পদ রেখে যাবে, তা তার উত্তরাধিকারীদের প্রাপ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০১২, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ঐ সত্তার শপথ যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! পৃথিবীর উপর এমন কোন মু'মিন নেই, যার সবচেয়ে নিকটতম (অধিকতর আপন) লোক আমি নই। সুতরাং যে লোক ঋণ অথবা সন্তান রেখে যাবে, আমি হবো তার অভিভাবক। আর তোমাদের কেউ যদি সম্পদ রেখে যায় তবে সে মাল পাবে তার নিকটজনেরা; সে যেই হোক না কেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০১৪, ইসলামিক সেন্টার)